Thursday, January 21, 2016

হিমালয়ে পাওয়া গেল ডাঙ্গায় ‘হাঁটতে’ পারা মাছ




 হিমালয়ের পূর্ব প্রান্তের নাজুক পরিবেশে নতুন দুইশ’র বেশি প্রজাতির প্রাণীর সন্ধান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বৃষ্টি হলে হাঁচ্চি দেয় এমন এক বানর প্রজাতির সন্ধান পাওয়া গেছে। এ ছাড়া, ডাঙ্গায় অনায়াসে ‘হাঁটতে’ পারে এমন প্রজাতির মাছ পাওয়া গেছে।  এ খবর দিয়েছে জীববৈচিত্র সংরক্ষণে নিয়োজিত আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফান্ড ফর নেচার বা ডব্লিউডব্লিউএফ।

ভুটান, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল,  নেপাল,  মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চল এবং  তিব্বতের দক্ষিণাঞ্চলে জীববৈচিত্র  নিয়ে এ জরিপ চালায় ডব্লিউডব্লিউএফ।

সংস্থাটি নতুন যেসব প্রজাতির সন্ধান পেয়েছে সেগুলোর মধ্যে হাঁটতে সক্ষম নীল রঙের মাছ রয়েছে। এ মাছের মাথা দেখতে সাপের মতো। বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে সক্ষম এ মাছ ডাঙ্গায় চার দিন বেঁচে থাকতে পারে। এ ছাড়া, জলাশয়ের খোঁজে ডাঙ্গায় ৪০০ মিটার পথ পাড়ি দিতে পারে এ মাছ।

এ ছাড়া, হলুদ এবং কমলা বর্ণে সজ্জিত সাপ- পিট ভাইপারেরও খোঁজ পাওয়া গেছে। এ সাপ দেখতে এতোটাই সুন্দর যে এক টুকরা জড়োয়া হিসেবে চালিয়ে দেয়া যাবে। এ ছাড়া, মিঠে পানির এক জাতের মাছের খোঁজ পাওয়া গেছে যার কিনা ‘ড্রাকুলার’ মতো দাঁত রয়েছে।  এ জরিপ চালাতে গিয়ে  তিনটি নয়া প্রজাতির কলারও সন্ধান পেয়েছে ডব্লিউডব্লিউএফ।

পাশাপাশি, এ জরিপ চালাতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা  মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে নতুন প্রজাতির বানরের খোঁজ পেয়েছেন। বৃষ্টি হলে উল্টানো নাসিকার অধিকারী এ বানর হাঁচ্চি দেয়! বৃষ্টির সময় পানি যেন নাকে ঢুকতে না পারে সে জন্য এ বানর সে সময়ে হাঁটুতে মাথা গুজে বসে থাকে।   

২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত চালানো এ জরিপে ২১১টি নতুন প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদের খোঁজ পাওয়া যায়। এরমধ্যে অর্কিডসহ নতুন প্রজাতির ১১৩ উদ্ভিদ, ২৬ প্রজাতির মাছ, ১০ প্রজাতির উভচর প্রাণী, ৩৯ প্রজাতির অমেরুদণ্ডী, ১ প্রজাতির সরীসৃপ এবং ১ প্রজাতির পাখি এবং ১ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর খোঁজ পাওয়া গেছে।
 সূত্রঃ http://bangla.irib.ir/2010-04-21-08-29-09/2010-07-19-06-59-02/item/77909-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E2%80%98%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9F%E0%A6%A4%E0%A7%87%E2%80%99-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9B,-%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B0

Wednesday, January 20, 2016

চীনের বিরুদ্ধে সাবমেরিন হান্টার নামাচ্ছে ভারত!




চীনা সাবমেরিন ঠেকাতে ভারত সাবমেরিন হান্টার কিনতে যাচ্ছে বলে ভারতীয় মিডিয়ায় বলা হয়েছে।
খবরে বলা হয়, গোপনে মাঝেমধ্যেই ভারত মহাসাগরে ঢুকে পড়ছে চীনা সাবমেরিন। ভারতীয় সেনার নজর এড়িয়ে নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়াচ্ছে এসব সাবমেরিন। সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছে ভারতীয় নৌসেনার গোপন তথ্য। চীনা সেনার এই অনধিকার প্রবেশ রুখতে এবার কোমর বেঁধে নামল ভারত। ভারতের পানিসীমার মধ্যে চীনা ডুবোজাহাজের গোপন প্রবেশ ঠেকাতে ভারতের অস্ত্র সাবমেরিন হান্টার্স। এই বিশেষ যুদ্ধবিমান ও স্পাই ড্রোন সমুদ্রের গভীরে শত্রুপক্ষের সাবমেরিনকে চিহ্নিত করে ধ্বংস করে দেবে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রের খবর, আন্দামান ও নিকোবর সেনাঘাঁটি থেকে সাবমেরিন হান্টার ব্যবহার করা হবে। ভারতের হাতে বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক সাবমেরিন কিলার রয়েছে। সেগুলিকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি নৌসেনা ও বিমানবাহিনী ইসরাইলি সার্চার-টু এরিয়াল ভেহিকলও ব্যবহার করবে।
২০০৯ সালের জানুয়ারিতে ২১০ কোটি মার্কিন ডলার খরচ করে ৮টি সাবমেরিন কিলার এয়ারক্রাফ্ট কিনেছিল ভারত। অত্যাধুনিক এই এয়ারক্রাফ্টের গতি ঘণ্টায় ৯০৭ কিলোমিটার। সমুদ্রের গভীরে থাকা সাবমেরিন সহজেই ধরে ফেলে। এবং ধ্বংস করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।
সূত্রঃ http://www.bdnews21.com/browse.php?link=dailynayadiganta.com/

অ্যান্ড্রয়েডে এল মাইক্রোসফটের কিবোর্ড




মাইক্রোসফট সম্প্রতি অ্যান্ড্রয়েড ফোন ও আইওএস প্ল্যাটফর্মের জন্য তাদের ওয়ার্ড ফ্লো ভারচুয়াল কিবোর্ডটি ছেড়ে দিয়েছে। এটি মাইক্রোসফটের দরকারি ও দারুণ একটি ফিচার ছিল। 
এই ভারচুয়াল কিবোর্ড দিয়ে দ্রুতগতিতে টাইপ করা যাবে। এএফপির এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, লুমিয়া স্মার্টফোন বিক্রিতে মাইক্রোসফটকে নানা সমস্যা পড়তে হচ্ছে। তাই ধীরে ধীরে মাইক্রোসফটের বেশ কিছু ফিচার যেমন করটানা, অফিস, স্কাইপ প্রভৃতি অন্য মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমে উন্মুক্ত করে দিচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় ওয়ার্ড ফ্লো কিবোর্ডটিও পেয়ে যাচ্ছেন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা।
সূত্রঃ এএফপি

Monday, January 18, 2016

থাই রান্না নিজের বাড়িতে





থাই বারবিকিউ চিকেন
উপকরণ : মোরগ ১টি। রসুন ১০ কোয়া। শুকনা-মরিচ ৪টি। চিনি ১/৩ কাপ। সিরকা ১/৪ কাপ। লবণ ১/৪ চা-চামচ। গোলমরিচ ২০ দানা। ধনেপাতার ডাটা প্রয়োজনমতো।
পদ্ধতি : শুকনা-মরিচ পানিতে ভিজিয়ে রেখে গরম করুন। সসপ্যানে আধা কাপ পানিতে মরিচ ও রসুন একসঙ্গে মিহি করে বেটে মেশান। মাঝারি আঁচে জ্বাল দিন। চিনি গলে গেলে বাটা মসলা, সিরকা ও লবণ দিন। নেড়ে ১ মিনিট পরে নামান। মোরগের চামড়া ছাড়িয়ে বুকের মাংসের মাঝে দিয়ে কেটে ফ্ল্যাট করে বিছিয়ে দিন। রসুন, গোলমরিচ, ধনেপাতার ডাটা, লবণ একসঙ্গে মিহি করে বাটুন। মোরগের মাংসে ভালো করে বাটা মসলা মাখিয়ে ১ ঘন্টা রাখুন। কাঠ কয়লার আগুনে বা গ্রিলে মোরগের দুইপিঠ ঝলসে নিন। ছোট ছোট টুকরা করে সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

ফ্রাইড ফিশ উইথ জিঞ্জার সস

মাছ ভাজার উপকরণ : মাছ ৬০০ গ্রাম। সয়াবিন তেল ২ টেবিল-চামচ। কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল-চামচ। লবণ ১ চা-চামচ।
সস তৈরির উপকরণ : সাদা সিরকা ২ টেবিল-চামচ। আদাঝুরি ২ টেবিল-চামচ। চিনি ২ টেবিল-চামচ। শুকনা-মরিচ, মিহিকুচি ১টি। কচি পেঁয়াজ কুচি ৪টি।
পদ্ধতি : রুই, কাতল, আইড়, বোয়াল, ভেটকি, শোল বা গজার মাছের ফিলে কেটে নিন। অথবা বড় আকারের তেলাপিয়া বা পমফ্রেট মাছের পেট পরিষ্কার করে গোটা মাছ নিন। মাছ ধুয়ে কাপড় দিয়ে মুছে পানি শুকিয়ে নিন। মাছে তেল ও লবণ মাখান। কর্নফ্লাওয়ারে মাছ গড়িয়ে নিন। ডুবোতেলে মাছ হালকা বাদামি ও মচমচে করে ভেজে পরিবেশনের ডিশে সাজিয়ে রাখুন। মাছ গরম রাখতে হবে।
সসপ্যানে সিরকা, আদা, চিনি, লবণ দিন। আধা কাপ পানি দিয়ে মেশান। চুলায় দিয়ে জ্বাল দিন। ফুটে উঠলে মাঝারি আঁচে রেখে আরও ৪-৫ মিনিট ফুটান। ফ্রাইপ্যানে ১ টেবিল-চামচ তেল গরম করে শুকনা-মরিচ ও কচি পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভাজুন। সসপ্যান ঢেলে দিন। পানিতে অল্প কর্নফ্লাওয়ার গুলে সসে এমন আন্দাজে দিন যেন স্বচ্ছ ও সামান্য ঘন দেখায়।
রাইস ডিশে সাজিয়ে রাখা মাছে গরম সস ঢেলে সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশন করুন।

থাই চিলি বিফ
উপকরণ : গরুর মাংস (হাড় ছাড়া) ৩৭৫ গ্রাম। কাঁচামরিচ ফলি ২টি। শুকনা-মরিচ ফালি ১টি। গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ। চিনি ১ চা-চামচ। সয়াবিন তেল ২ টেবিল-চামচ। ফিশ সস ১ টেবিল-চামচ। রসুন ছেঁচা ৬ কোয়া। ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল-চামচ। লবণ স্বাদমতো।
পদ্ধতি : হাড় ও চর্বি ছাড়া মাংস নিন। ১ আঙুল সমান লম্বা ও মোটা করে টুকরা করুন। মাংসে লবণ, গোলমরিচ মাখিয়ে রাখুন। ফ্রাইপ্যানে তেল গরম করে রসুন দিয়ে ভাজুন। রসুন হালকা ভাজা হলে মাংস দিন। নেড়ে নেড়ে মাংস হালকা বাদামি রং হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। মাংস সেদ্ধ না হলে ১ কাপ পানি দিন, না ফুটে ওঠা পর্যন্ত রাখুন। মরিচ, চিনি, ফিশসস বা সয়াসস দিন। নেড়ে মাঝারি আঁচে ৫ মিনিট সিদ্ধ করুন। মাঝে মাঝে মাংস উল্টে দেবেন। ধনেপাতা দিয়ে নেড়ে নামান। গরম গরম পরিবেশন করুন।
সূত্রঃ http://bangla.bdnews24.com/lifestyle/article729947.bdnews

Saturday, January 16, 2016

বাসায় বানান




ভাত, পোলাও বা পরোটা নয়। এসব ছাড়াও বানাতে পারেন দারুণ স্বাদের দাওয়াতের মেনু। দেখুন  রেসিপিগুলো।

চিজকেক

উপকরণ ১: মেরি বিস্কুটের মিহি গুঁড়া ২ কাপ, তরল মাখন ২০০ গ্রাম, আইসিং সুগার ১ কাপ, এগুলো একসঙ্গে মিশিয়ে বেকিং ট্রেতে চেপে চেপে বসিয়ে কমপক্ষে ১০ মিনিট ফ্রিজে রাখতে হবে।
উপকরণ ২: ছানা ২ কাপ, ১ কৌটা কনডেন্সড মিল্ক (৪০০ গ্রাম), ক্রিম ১ কৌটা (১৭০ গ্রাম), মিষ্টি দই আধা কাপ, আইসিং সুগার আধা কাপ, স্ট্রবেরি ফ্লেভার আধা চা-চামচ, গোলাপি খাবার রং ১ ফোঁটা
প্রণালি: সবকিছু ভালো করে ব্লেন্ড করে মিহি করে নিতে হবে। এবার বিস্কুটের স্তরের ওপর ছড়িয়ে কমপক্ষে ৫-৬ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখতে হবে। ভালো হয় ১২ ঘণ্টা বা আরও বেশি সময় রাখলে। এবার ফ্রিজ থেকে বের করে টপিং হিসেবে ইচ্ছেমতো ফল কেটে কেটে সাজিয়ে দিলেই হবে।

রোস্টেড মুরগি

উপকরণ: চামড়াসহ গোটা ব্রয়লার মুরগি একটা, লবণ দেড় চা-চামচ, রসুন ৪-৫ কোয়া, লেবুর খোসা কুচি ১ টেবিল চামচ, সেদ্ধ আলু ছোট ১০টি, ব্রকলি মাঝারি ১টি (টুকরা করা), অরিগেনো আধ চা-চামচ
প্রণালি: মুরগি ভালো করে ধুয়ে মুছে নিতে হবে। এর ভেতরে ও বাইরে ভালোভাবে লবণ মেখে নিতে হবে। রসুন থেতো করে মুরগির ভেতরে ও বাইরে মেখে নিতে হবে। অর্ধেক পরিমাণ লেবুর খোসা কুচি মুরগির ওপর ছড়িয়ে দিতে হবে। এবার প্রিহিটেড ওভেনে ২১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ৫৫ মিনিট বেক করতে হবে। সেদ্ধ আলু ও ব্রকলি মাখনে ভেজে নিতে হবে। এতে অরিগেনো ছড়িয়ে দিয়ে মুরগি বের করার ১০ মিনিট আগে বেকিং ট্রেতে মুরগির সঙ্গে দিয়ে দিতে হবে। বের করে লেবু-মাখন সস বা পছন্দের যেকোনো সস দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

লেবু-মাখন সস

উপকরণ: একটি লেবুর রস, গরম পানি আধা কাপ, মাখন ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি: চুলায় মৃদু আঁচে সব উপকরণ দিয়ে তিন-চার মিনিট রেখে দিতে হবে। নামিয়ে মুরগির সঙ্গে পরিবেশন করুন।

সল্টেড কমলার রস

উপকরণ: কমলালেবু ৪টি, পানি এক কাপ, লবণ আধা চা-চামচ, বিট লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া সামান্য।
প্রণালি: কমলার খোসা ছড়িয়ে নিতে হবে। কোয়ার ওপরের স্বচ্ছ পর্দা ও বিচি ফেলে নিতে হবে। এরপর এক কাপ খাওয়ার পানিতে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। এবার এই পানিসহ ব্লেন্ড করে নিতে হবে। রস ছেঁকে নিয়ে আধা চা-চামচ লবণ, সামান্য বিট লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া মিশিয়ে নিতে হবে। এবার গ্লাসে ঢেলে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করতে হবে।

ফলের সালাদ

উপকরণ: খোসা ও বিচি ছাড়া কমলা ৪টি, ড্রাগন ফল কাটা ১টি, ভিনেগার সিকি কাপ, লেটুসপাতা ১০টি, জলপাই তেল ৩ কাপ, লবণ আধা চা-চামচ, মধু ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, পেঁয়াজপাতা কুচি আধা কাপ।
প্রণালি: লেটুসপাতা হাত দিয়ে ছিঁড়ে নিতে হবে। বাকি সব উপকরণের সঙ্গে মিশিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
সূত্রঃ http://www.prothom-alo.com/life-style/article/391990/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC-%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87

Monday, January 11, 2016

কমলার স্বাদ





কমলা সারা বছরই পাওয়া যাচ্ছে, তবু শীতকালে কমলার স্বাদই ভিন্ন। দেখে নিন কমলার কয়েক
বেকড কোরাল উইথ অরেঞ্জ সস

উপকরণ: কোরাল মাছ গোটা একটি ৫০০ গ্রাম, কমলার রস ১ কাপ, ফিশ সস ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ, আদা বাটা আধা চা-চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, জিরা বাটা আধা চা-চামচ, শুকনা মরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, টমেটো সস ৪ টেবিল চামচ, সিরকা ১ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ কুচি ১ চা-চামচ, টমেটো কুচি আধা কাপ, তেল ৬ টেবিল চামচ।
প্রণালি: মাছ পরিষ্কার করে ছুরি দিয়ে দুই পাশে দাগ কেটে নিতে হবে। ফিশ সস, সিরকা, গুঁড়া মসলা, লবণ, ২ টেবিল চামচ তেল, ৪ টেবিল চামচ কমলার রস একসঙ্গে মিলিয়ে মাছের গায়ে ভালো করে লাগিয়ে ২ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। এবার মসলা থেকে তুলে ওভেনে মাছটি ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ২৫-৩০ মিনিট বেক করতে হবে। চুলায় প্যানে বাকি তেল দিয়ে গরম করে পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, টমেটো দিয়ে ভুনে নিতে হবে। এতে মাছ মাখানো মসলা, টমেটো সস, কমলার রস দিয়ে ভুনে নিতে হবে। ওভেন থেকে মাছ বের করে কিছুক্ষণ এই মসলায় নাড়া চাড়া করে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।

কমলার জরদা

উপকরণ: পোলাওয়ের চাল ১ কাপ, চিনি দেড় কাপ, কমলার রস আধা কাপ, কমলার কোয়া আধা কাপ। কিশমিশ, পেস্তা, আমন্ড, কাজুবাদাম কুচি আধা কাপ, মোরব্বা আধা কাপ, জরদার ছোট মিষ্টি আধা কাপ, ঘি ৪ টেবিল চামচ, জরদার রং সামান্য, গরম পানি ২ কাপ।
প্রণালি: চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। ক্যাসারোলে চাল, রং ও পানি দিয়ে ওভেনে মাঝারি তাপে ১২ মিনিট রান্না করতে হবে। মাঝে দুবার নেড়ে দিতে হবে। এবার মাঝের তাকে ডিশটি ৬ মিনিট রেখে দিতে হবে। চিনি, কমলার রস, ঘি দিয়ে মাঝারি তাপে আরও ১০ মিনিট রান্না করতে হবে। এবার কিশমিশ, বাদাম, মোরব্বা দিয়ে মাঝারি তাপে ৫ মিনিট রেখে দিতে হবে। বাকি উপকরণ দিয়ে সাজিয়ে বন্ধ ওভেনে ৮-১০ মিনিট রেখে বের করতে হবে।

অরেঞ্জ অর্কেস্ট্রা

উপকরণ: কমলার রস ২ কাপ, মুসুম্বির রস ১ কাপ, মধু ৪ টেবিল চামচ, পাতি লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, লবণ সিকি চা-চামচ, অরেঞ্জ স্কোয়াশ ১ কাপ, সোডা ওয়াটার ১ কাপ।
প্রণালি: সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

কমলার রসে বেকড সবজি

উপকরণ: ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি, গাজর, মটরশুঁটি, শিম, বেবিকর্ন, মাশরুম, পেঁয়াজপাতা ইত্যাদি সব সবজি মেলানো ৪ কাপ, কমলার রস ১ কাপ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, কাঁচামরিচ ৪-৫টি, মাখন ২ টেবিল চামচ।
প্রণালি: প্যানে মাখন গরম করে সমস্ত সবজি, কাঁচামরিচ, গোলমরিচ, লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। বেকিং ট্রেতে সবজি ঢেলে কমলার রস দিয়ে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ২০-২৫ মিনিট বেক করে নিতে হবে। পছন্দমতো যেকোনো সবজি দেওয়া যায়।

কমলা পান্না কোটা

উপকরণ: কমলার রস ১ কাপ, জেলাটিন ৩ টেবিল চামচ, ঘন দুধ ১ কাপ, ক্রিম ১ কাপ, চিনি আধা কাপ।
প্রণালি: দুধ ও চিনি জ্বাল দিয়ে রাখতে হবে। কমলার রসের সঙ্গে জেলাটিন মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে নিতে হবে। ঠান্ডা হলে সব উপকরণ একত্রে মিশিয়ে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। ৪-৫ ঘণ্টা পর বের করে পছন্দমতো সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

কমলা মুরগির দোপেয়াজি

উপকরণ: হাড় ছাড়া মুরগির বুকের মাংস জুলিয়ান করে কাটা ২ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, কাজুবাদাম আধা কাপ, কমলার রস ১ কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, কাঁচামরিচ ৪-৫টি, কিশমিশ বাটা ১ চা-চামচ, সয়া সস ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, চিনি ১ চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, তেল আধা কাপ, গরম মসলার গুঁড়া ১ চা-চামচ।
প্রণালি: মাংসে সয়া সস মাখিয়ে ২৫ মিনিট রাখতে হবে। তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ ভেজে সমস্ত বাটা মসলা ও গুঁড়া মসলা দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। এতে মাংস দিয়ে কিছুক্ষণ ভুনে কমলার রস দিতে হবে। ঝোল কমে এলে বাকি উপকরণ দিয়ে একটু নেড়ে নামিয়ে নিতে হবে।
সূত্রঃ http://www.prothom-alo.com/life-style/article/435244/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A6%A6

ali