Tuesday, May 30, 2017

লজ্জা নয় জানতে হবে丨Medical Science

না জানলে ক্ষতি . . . . . .
১. আপনি যখন মোবাইলে কোন নাম্বার ডায়াল করেন তখন কানেকশন পাওয়ার আগ পর্যন্ত মোবাইল তার সর্বোচ্চ শক্তি ব্যাবহার করে, এসময় মোবাইল থেকে সর্বোচ্চ রেডিয়েশন হয় যা মানব দেহের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর। তাই এই রেডিয়েশন থেকে বাঁচতে এসময় মোবাইল কানের কাছে না ধরে রাখাই ভালো।
২. চা পানের পর পর পানি পান করা উচিত নয়। এতে দাতেঁর মধ্যকার ফাঁক বেড়ে যায়।
৩. দরজার পাশে দাড়িয়ে কান খুচাবেননা। অপরপাশ থেকে যেকারো ধাক্কা লেগে বিপদ হতে পারে৷
৪. এক টুথব্রাশ তিনমাসের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়৷ তাই প্রতি তিন মাস অন্তর টুথব্রাশ বদলান।
৫. খালি পেটে কলা খাওয়া উচিত নয়৷ এটি গ্যাসের জন্য ক্ষতিকর৷
৬. টি.ভি দেখার সময় বাতি বন্ধ করবেননা। বাতি বন্ধ থাকলে টি.ভি হতে নিক্ষিপ্ত ইলেকট্রন সোজা-সুজি চোখে আঘাত করে যা চোখের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর৷
√ বিঃদ্রঃ- পোষ্টটা কেমন লেগেছে আপনার? কমেন্ট (Comment) করতে ভূলবেন না। আপনার যদি লিখতে কষ্ট হয়, তাহলে সংক্ষেপে
T= (Thanks)
G= (Good)
V= (Very good)
E= (Excellent)
T, G, V কিংবা E লিখে কমেন্টস করবেন। তাহলে পরে আরও ভাল পোষ্ট নিয়ে হাজির হব।
নিয়মিত স্বাস্থ্যতথ্য পেতে অামার পেইজে লাইক দিন৷
ভালো লাগলে পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের জানান৷

বড় অভিমানী মেয়ে

মায়ের চেয়ে বাবার প্রতিই টান বেশি মেয়ের। বাবা বাইরে থেকে ঘরে ফিরলে দরজায় ছুঁটে আসে। কোলেচড়ার জন্য পাগল হয়ে যায়। কাপড় বদলে নেয়ার সুযোগও দেয় না। তাকে কোলে নিয়েই বাকি কাজ করতে হয়।
মেয়েকে নিয়ে গল্পের ছলে ঢাকাটাইমসকে বলছিলেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। ‘মেয়ে আমার চাঁদের টুকরা। বাবা-মা ছাড়া কিছু বোঝে না। তবে বাবার প্রতি টানটা একটু বেশিই।’ বলেই একগাল হাসলেন একদিন বাদে সত্তুরে পা দিতে যাওয়া মানুষটি।
একদিন আগে ঘরোয়া আয়োজনে মেয়ের জন্মদিন উদযাপন করলেন মুজিবুল-হনুফা দম্পতি। রাজ্যের ব্যস্ততার মাঝেও মেয়েকে সময় দিয়েছেন বাবা। কোলে পিঠে রেখেছেন। কাঁধে তুলে ছবি তুলেছেন। অনেকটা সময় বাবাকে কাছে পেয়েও মেয়ের সেকি আহ্লাদ। ‘মেয়েটা বড় অভিমানী বুঝলেন। খুব অভিমানী। বাবার মতো।’ বলছিলেন মুজিবুল হক।
জন্মদিনে মেয়ের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তে কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বললেন, কোন আত্মীয় তুলে দিয়ে দিয়েছে ফেসবুকে। অনেকে শুভকামনা করেছেন। কেউ ফুটফুটে শিশুটাকে দেখে কমেন্টে লিখেছেনÑ ‘বাবার মতো মেয়ে।’ রেলমন্ত্রী নিজেই হেসে জবাব দিলেন, ‘হবে না? বাবার মেয়ে তো।’
রাজনীতিতে ব্যস্ত ছিলেন জীবনের সিংহভাগ সময়। কোথা দিয়ে ৬৭টি বসন্ত জীবন থেকে কেটে গেছে বুঝতে পারেননি কুমিল্লার ছেলে মুজিবুল হক। বুঝলেন কিনা শেষান্তে এসে! আফসোসও করেন এখন। আগে জানলে এতটা বসন্ত অগোচরে চলে যেতে পারতো না। গত ২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর বেশ ঘটা করেই বিয়ে করেন হনুফা আক্তার রিক্তাকে। মন্ত্রীর বিয়ে বলে কথা। অনেকে মন্তব্য করেছেন, রাজকীয় আয়োজন এমনই হয়। হনুফার বাড়ি একই জেলার চান্দিনা উপজেলার মিরাখলা গ্রামে। 

Wednesday, April 27, 2016

মুখের দুর্গন্ধ দূর করুন- fitness tips



মুখে বা নিশ্বাসের দুর্গন্ধ বা হ্যালিটোসিস একটি বিব্রতকর সমস্যা। এ থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য কী কী করতে হবে, জেনে নিন:
১. বাজারে অনেক ধরনের মাউথ ওয়াশ পাওয়া যায়। তবে অ্যালকোহলযুক্ত মাউথওয়াশ ব্যবহার করা উচিত নয়। এটা মুখগহ্বরকে শুষ্ক করে তোলে এবং এতে ব্যাকটেরিয়া বেশি জন্মায়। বরং প্রাকৃতিক মাউথওয়াশ হালকা গরম লবণ মেশানো পানি দিয়ে কুলিকুচি করতে পারেন।
২. সজীব নিশ্বাসের জন্য দাঁত ব্রাশ করার সময় টুথব্রাশে যোগ করা যেতে পারে কয়েক ফোঁটা চা পাতার তেল অথবা পুদিনার তেল।
 
৩. যাঁরা মুখের দুর্গন্ধে ভুগছেন, প্রতিবার খাওয়ার পর ভালোভাবে কুলকুচি করুন। তাহলে মুখের ভেতরে জমে থাকা খাবারের কণাগুলো বেরিয়ে যাবে।
৪. বেশির ভাগ মানুষ শুধু তাঁদের দাঁত পরিষ্কার করেন, কিন্তু জিব পরিষ্কার করেন না। কিন্তু সেটাও জরুরি।
৫. যাঁদের মুখগহ্বর বেশি শুষ্ক, তাঁরা মুখের দুর্গন্ধের সমস্যায় বেশি ভোগেন। এ ক্ষেত্রে অল্প অল্প করে বারবার প্রচুর পানি পান করতে হবে।
 
৬. ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহলও মুখের শুষ্কতার জন্য দায়ী।
৭. নিকোটিন হচ্ছে সবচেয়ে বড় শত্রু। এটি দাঁত ও জিহ্বাতে জমে যায়। ধূমপান মুখের ভেতরটাকে বেশি শুষ্ক করে তোলে। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে লালাও তৈরি হতে পারে না।
ওরাল থ্রাশ
ক্যানডিডা ইস্টের কারণে ওরাল থ্রাশের সৃষ্টি হয়ে থাকে। কিন্তু দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, অ্যান্টিবায়োটিক, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা রোগে কর্টিকোস্টেরয়েড স্প্রে নেয়ার কারণে ক্যানডিডা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। জিহ্বার উপরে যে প্যাচের সৃষ্টি হয়ে থাকে সেগুলো ঘষে উঠাতে যাবেন না। কারণ এতে করে ওই স্থানে ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে। একজন ডাক্তার দেখিয়ে সঠিক রোগ নির্ণয় করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
মুখের অভ্যন্তরে আলসার বা ঘা এর স্থান যদি শুধুমাত্র স্পর্শ করার কারণে রক্তপাত হয় তাহলে এ ধরনের আলসার ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা উচিত। কারণ এটি ম্যালিগন্যান্ট আলসার এর একটি সচরাচর বৈশিষ্ট। এ বিষয়ে সবার সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে এবং দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। আলসারের মধ্যে দৃশ্যমান স্থানকেই আলসার ফ্লোর বলা হয়। বেস বলতে বুঝায় যার উপরে আলসার বা ক্ষতস্থান অবস্থান করছে। যদি আলসারের বেস শক্ত গোটার মতো হয়ে থাকে বা শক্ত অনুভূত হয় তবে সেক্ষেত্রে দেরি না করে দ্রুত কার্যকর চিকিৎসা প্রদান করতে হবে।
ওরাল থ্রাশ এবং আলসারের চিকিৎসায় আমাদের দেশে প্রায়ই মুখস্ত ওষুধ প্রদান করা হয়, কিন্তু উপরের আলোচনা থেকে এটা স্পষ্ট যে কোনো রোগই সহজ থেকে জটিল আকার ধারণ করতে পারে। জটিল অবস্থায় চিকিৎসা বিলম্ব হলে অথবা ভুল চিকিৎসা হলে আসল ক্ষতি হয় রোগীর এবং তার আত্মীয় স্বজনের। অতএব, যে কোনো রোগের চিকিৎসা প্রদানের আগে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা প্রদান করা উচিত।
হাতের কব্জির ব্যথা

কব্জির ব্যথা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। হঠাৎ ইনজুরির কারণে কব্জিতে বিভিন্ন ধরনের ব্যথা হয়ে থাকে। মচকে গেলে কিংবা হাড় ভাঙলে কব্জিতে বেশ ব্যথা হয়। তবে অনেক দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার জন্য কব্জিতে ব্যথা হতে পারে। যেমন- বারবার কব্জিতে চাপ, বাত ও কারপাল টানেল সিনড্রোম। যেহেতু অনেক কারণে কব্জিতে ব্যথা হতে পারে, তাই কখনো কখনো দীর্ঘমেয়াদি কব্জির ব্যথার সঠিক কারণ নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়ে। সঠিক রোগ নির্ণয় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তার ওপর নির্ভর করে আপনার কব্জির ব্যথার সঠিক চিকিৎসা।
কব্জির ব্যথার উপসর্গ
কব্জির ব্যথার উপসর্গ বিভিন্ন ধরনের হয়। এটি নির্ভর করে ঠিক কী কারণে ব্যথা হচ্ছে তার ওপর। যেমন- অস্টিও আর্থ্রাইটিসের ব্যথা ঠিক ভোঁতা ধরনের দাঁত ব্যথার মতো, অথচ টেনডনের প্রদাহ বা টেনডিনাইটিসের ব্যথা সাধারণত তীক্ষ্ণ ও ধারালো ধরনের।
আপনার কব্জির ব্যথার স্থানটি নির্ভুলভাবে দেখাতে পারলে ব্যথার কারণ খুঁজে বের করা সহজ হবে।
কব্জির ব্যথার কারণ
আপনার কব্জি বা রিস্টজয়েন্ট হলো একটি জটিল সন্ধি, যা তৈরি হয়েছে কয়েকটি হাড়ের সমন্বয়ে, যেমন- রেডিয়াস ও আলনা হাড়ের নিম্নাংশ এবং আটটি ছোট ছোট কারপাল হাড়। এই কারপাল হাড়গুলো দুই সারিতে সাজানো। লিগামেন্টের শক্ত ব্যান্ড আপনার কব্জির হাড়গুলোকে একে অন্যের সাথে, আপনার রেডিয়াম ও আলনা হাড়ের নি¤œাংশ এবং আপনার হাতের হাড়গুলোকে সংযুক্ত করে। টেনডনগুলো হাড়ের সাথে মাংসপেশিকে সংযুক্ত করে। আপনার কব্জির যেকোনো অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে ব্যথা হতে পারে এবং আপনার হাত ও কব্জির ব্যবহারের সক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
কব্জির ব্যথার সাধারণ কারণগুলো
ইনজুরি
- 
হঠাৎ সংঘর্ষ : হাতের ওপর ভর দিয়ে সামনের দিকে পড়ে গেলে আপনার কব্জিতে খুব বেশি ইনজুরির ঘটনা ঘটে। এ ক্ষেত্রে কব্জি মচকে যায়, কব্জিতে টান পড়ে এবং কব্জির হাড় ভেঙেও যায়।
হাতের ওপর ভর দিয়ে পড়ে গেলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কলিস ফ্রাকচার হয়। এ ক্ষেত্রে রেডিয়াসের নিচের অংশ ভেঙে যায়। কব্জি ফুলে যায়।
- 
বারবার চাপ : কব্জি বারবার নাড়াতে হয় এমন যেকোনো কাজে- টেনিস বল খেলা থেকে শুরু করে কিংবা বেহালা বহন করতে করতে কব্জির সন্ধির চার পাশের টিস্যুতে প্রদাহ হতে পারে কিংবা হাড় ভেঙে যেতে পারে। বিশেষ করে কোনো বিরতি ছাড়া ঘণ্টার পর ঘণ্টা কব্জির কাজ করলে। বারবার চাপের ফলে হাতের কব্জির ব্যথার আরেকটি কারণ হলো ডি কোয়ার ভেইনস ডিজিজ। এ ক্ষেত্রে কব্জির বাইরের দিকে অর্থাৎ রেডিয়াসের ওপর দিয়ে যে দুটো টেনডন বিন্যস্ত রয়েছে তাদের আবরণীতে প্রদাহ হয়। ব্যথা বুড়ো আঙুলের মূলে অনুভূত হয়।
ডি কোয়ার ভেইনস ডিজিজে কব্জি নাড়াতে খুব ব্যথা হয়, কাজ করতে অসুবিধা হয় এবং অনেক সময় কাজের পর ব্যথা বেশ বেড়ে যায়। বুড়ো আঙুলে চাপ দিলে প্রচণ্ড ব্যথা হয়।
আর্থ্রাইটিস বা বাতের ব্যথা
- 
অস্টিও আর্থ্রাইটিস : সাধারণত কব্জিতে অস্টিও আর্থ্রাইটিস খুব কম হয়। কোনো লোকের কব্জিতে আগে ইনজুরি হয়ে থাকলে পরে অস্টিও আর্থ্রাইটিস হয়। এ ক্ষেত্রে কার্টিলেজ বা তরুণাস্থি ছিঁড়ে যায় বা ক্ষয় হয়। বুড়ো আঙুলের মূলে ব্যথা হয়।
- 
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস : এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা তার নিজস্ব টিস্যুগুলোকে আক্রমণ করে। কব্জিতে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস খুব বেশি পরিলক্ষিত হয়। যদি একটি কব্জি আক্রান্ত হয়, তাহলে সাধারণত অন্য কব্জিতেও এটি ঘটে।
অন্যান্য রোগ ও অবস্থা
- 
কারপাল টানেল সিনড্রোম
- 
গ্যাংলিয়ন সিস্ট
- 
কিয়েনবক্স ডিজিজ
কব্জি ব্যথার ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলো
যে কারো হাতের কব্জিতে ব্যথা হতে পারে- তা আপনি অল্প কাজ করুন কিংবা বেশি কাজ করুন না কেন। কিন্তু কিছু ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়ের কারণে এ ব্যথা বেড়ে যেতে পারে। যেমন- খেলাধুলা করা : বিভিন্ন খেলাধুলায় কব্জিতে ইনজুরি হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে বোলিং, গলফ, জিমন্যাস্টিক, টেনিস প্রভৃতি।
বারবার কাজ করা : বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হাত ও কব্জির যেকোনো কাজ বারবার করলে কব্জির ব্যথা বেড়ে যেতে পারে। যেসব মহিলা হাঁড়িপাতিল ধোয়াধুয়ি করেন বা বুননের কাজ করেন (যেমন সোয়েটার বোনা) তাদের কব্জির ব্যথা বেশি হয়। যারা চুল কাটার কাজ করেন তাদেরও কব্জির ব্যথা বেশি হয়।
যারা কম্পিউটার কিবোর্ডে টাইপ করেন, কম্পিউটার মাউস ব্যবহার করেন, হ্যান্ডবল খেলেন, সেলাই করেন, আঁকাআঁকি করেন, লেখালেখি করেন বা ভাইব্রেটিং যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেন তাদের কব্জির ব্যথা বেড়ে যায়।
রোগ : যদি আপনার ডায়াবেটিস, লিউকেমিয়া, স্কে¬রোডার্মা, লুপাস থাকে কিংবা থাইরয়েড গ্রন্থি ঠিকমতো কাজ না করে তা হলে আপনার কব্জির ব্যথা বেড়ে যেতে পারে।
কী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাবেন
আপনার কব্জিতে ব্যথা হলেই প্রথমত আপনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন। তিনি আপনাকে প্রথমে শারীরিক পরীক্ষা করবেন। আপনি কব্জির কোথায় চাপ দিলে ব্যথা অনুভব করেন তা পরীক্ষা করে দেখবেন। কোনো ফোলা আছে কি না তা দেখবেন। চিকিৎসক আপনার কব্জির নাড়াচাড়ার মাত্রাটা দেখবেন। আপনি শক্ত হাতে ধরতে পারেন কি না দেখবেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তিনি আপনাকে কব্জির এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, বোন স্ক্যান ও এমআরআই করতে দিতে পারেন। যদি এসব পরীক্ষায় কোনো সিদ্ধান্ত না আসে তাহলে আপনার চিকিৎসক আপনাকে আর্থ্রােস্কপি ও নার্ভটেস্ট করে দেখতে পারেন।
কী চিকিৎসা নেবেন
হাতের কব্জির ব্যথার চিকিৎসাপদ্ধতি নির্ভর করে ইনজুরির ধরন, স্থান ও তীব্রতা সর্বোপরি আপনার বয়স ও সার্বিক স্বাস্থ্যের ওপর। প্রথমত, আক্রান্ত হাতের কব্জিকে বিশ্রামে রাখতে হবে এবং যদি কোনো নির্দিষ্ট রোগের কারণে কব্জিতে ব্যথা হয়ে থাকে তাহলে তার উপযুক্ত চিকিৎসা দিতে হবে। ব্যথানাশক ওষুধ যেমন- আইবুপ্রফেন ও অ্যাসিটামিনোফেন কব্জির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। প্রয়োজনে শক্তিশালী ব্যথানাশক ওষুধ দেয়া যেতে পারে। হাড় ভাঙলে হাড়ের টুকরোগুলো সঠিক বিন্যাসে রাখতে হবে যাতে ঠিকমতো জোড়া লাগে; এ ক্ষেত্রে কাস্ট বা স্প্লিন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। কব্জিতে টান লাগলে বা মচকে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত টেনডন বা লিগামেন্ট যাতে সুরক্ষা পায় সে জন্য স্প্লিন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। আক্রান্ত হাতের কব্জিকে নড়াচড়া থেকে রক্ষা করার জন্য রিস্টব্যান্ড ব্যবহার করা যেতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অপারেশনের প্রয়োজন হয়। যেমন- মারাত্মকভাবে হাড় ভাঙলে, কারপাল টানেল সিনড্রোমের উপসর্গ তীব্র হলে এবং টেনডন বা লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেলে।
একটি কথা মনে রাখা প্রয়োজন, সব ধরনের কব্জির ব্যথায় কিন্তু মেডিক্যাল চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। কব্জিতে সামান্য আঘাত পেলে আপনি আঘাতের স্থানে বরফের সেঁক দিলে দারুণ উপকার পাবেন এবং আক্রান্ত কব্জিতে ইলাস্টিক ব্যান্ডেজ পরে থাকবেন।
হাতের কব্জির ব্যথা কিভাবে প্রতিরোধ করবেন
হাতের কব্জিতে ব্যথা ঘটায় এমন কোনো কোনো বিষয় প্রতিহত করা বেশ মুশকিল, তবে কিছু সুরক্ষার জন্য কিছু টিপস মেনে চললে উপকার পাবেন।
- 
হাড় শক্ত করে গড়ে তুলুন
- 
পড়ে যাওয়া ঠেকান
- 
খেলাধুলা করার জন্য সুরক্ষাকর ব্যবস্থা নিন
- 
পেশাগত ব্যাপারে সতর্ক হোন : যারা দীর্ঘ সময় কিবোর্ডে কাজ করেন তারা নিয়মিত বিশ্রাম নেবেন। টাইপ করার সময় আপনার কব্জিকে রিল্যাক্স রাখবেন, নিউট্রাল পজিশনে রাখবেন। আর্গোনোমিক কিবোর্ড এবং ফোম বা জেল রিস্ট সাপোর্ট ব্যবহার করুন। বারবার কাপড় মোচড়ানো, হাতপাখা দিয়ে বাতাস করা কিংবা হাতের কব্জিকে বারবার ঘুরাতে হয় এমন সব কাজ থেকে বিরত থাকুন।

Monday, April 25, 2016

বাচ্চার কানে ব্যথা হলে করণীয় - bangladeshi newspaper



বাচ্চার কানে ব্যথা হলে করণীয়

শিশুদের কানে ব্যথাকে অবহেলা করা উচিত নয়। কারণ, অতি সাধারণ কারণে যেমন কানে ব্যথা হতে পারে, তেমনি এটা থেকে শুনতে সমস্যা কিংবা কানে সংক্রমণ হয়ে তা মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও থাকে। কানে কিছু ঢুকলে, আঘাত পেলে কিংবা সংক্রমণের কারণে সাধারণত কানে ব্যথা হয়। আবার টনসিলের সমস্যা বা সর্দি-কাশি থেকেও কানব্যথা হতে পারে।
diet for men 
লক্ষণ
খুব ছোট শিশুরা বারবার কান চুলকাতে থাকে এবং প্রচণ্ড অস্বস্তিতে ভোগে। অনবরত কাঁদতে থাকে। তাদের কানের বাইরের অংশ ফোলা ও লালচে দেখাতে পারে, কান গরমও হতে পারে। কখনো কখনো কান দিয়ে পুঁজ বা পানি পড়তে দেখা যায়। কানে সংক্রমণ হলে ব্যথার সঙ্গে জ্বরও হতে পারে।
করণীয়
* শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানো কিংবা গোসল করানোর সময় যেন কানে কিছু ঢুকে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।
* পুকুর বা সুইমিংপুলের পানিতে নামার আগে কানে ইয়ার প্লাগ কিংবা তেলে ভেজানো তুলা গুঁজে দিন। তবে অতিরিক্ত তেল আগেই চিপে ফেলে দিতে হবে।
* কটন বাড, ক্লিপ, কাঠি, সেফটিপিন ইত্যাদি দিয়ে শিশুর কান পরিষ্কার করবেন না।
* ঠান্ডা লাগার পর যদি কানে ব্যথা হয় বা কান থেকে রস বেরোয়, কানে তুলা গুঁজে দেবেন না।
* পাতলা কাপড় দিয়ে কানের বাইরে দিকের ময়লা পরিষ্কার করে দিন কিন্তু ভেতরের ময়লা সাফ করার প্রয়োজন নেই। তবে বেশি ময়লা জমলে নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
* ব্যথা সামান্য হলে প্যারাসিটামলজাতীয় ওষুধ দিতে পারেন। তবে জ্বর ও ব্যথা বেশি হলে, কান লাল হয়ে গেলে কিংবা পুঁজ পড়লে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখান।
শিশু বুকের দুধ না পেলে কি করবেন
সন্তান জন্মানোর পর নতুন মায়েরা এমনিতেই উদ্বিগ্ন থাকেন। এই উদ্বেগ আর অস্থিরতা থেকে প্রায় সময় মায়েরা বলেন যে, তাদের সন্তান ঠিক মতো দুধ পাচ্ছে না। অনেকে আবার মনে করেন সিজারিয়ান অপারেশন করালে বুকের দুধ দেওয়া যাবে না। এটা একেবারেই ভুল ধারণা। প্রসবের পর নতুন মা ও নবজাতক শিশু উভয়ের কাছে বুকের দুধ সঠিকভাবে পান করানোর বিষয়টি রপ্ত করতে কিছুটা সময় লাগে। যথেষ্ট সময় নিয়েও যদি শিশু বুকের দুধ পান করতে না পারে, তখনই মায়েদের সাহায্য করতে হবে। যত দিন শিশু বুকের দুধ খেতে না চায়, তত দিন শিশুকে বুকের দুধ টিপে বের করে কাপে বা চামচে করে খাওয়াতে হবে।
কখনো বা দেখা যায়, শিশু কিছুতেই মায়ের বুকে যেতে চাইছে না বা মায়ের দুধ খেতে চাইছে না। মা যখনই বুকে নিতে চান, অমনি শিশু কান্নাকাটি করে। শিশুকে দুধ পান করানোর সময় মা বা অন্য কেউ যদি শিশুর মাথা পেছন থেকে বুকে চেপে রাখে বা সে চেষ্টা করে, শিশু তখন বিরক্তি বোধ করে। পরবর্তী সময়ে এই শিশু আর মায়ের বুকে যেতে চায় না। শিশুকে জোর করে খাওয়ানো থেকে কিছুক্ষণের জন্য অব্যাহতি দিতে হবে। পরে সঠিক নিয়মে চেষ্টা করতে হবে।
যদি কোনো শিশুকে চুষনি বা বোতল দেওয়া হয়, তাহলে শিশু নিপল ও স্তনের বোঁটা দিয়ে দুধপানে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগে। বোতলের নিপলে একটু চাপ লাগাতেই দুধ পেয়ে যায়। অথচ স্তনের বোঁটা চুষে টেনে পরিশ্রম করে খেতে হয়। উপরন্তু টিনের দুধ বুকের দুধের চেয়ে বেশি মিষ্টি। ফলে শিশু আর মায়ের দুধ খেতে চায় না।
diet for men 
মাকে যতটুকু সম্ভব বেশি পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার (যেমন- মাছ, ডিম, দুধ প্রভৃতি) খেতে হবে। অতিরিক্ত দুধ তৈরিতে যে খাবারগুলো সরাসরি সহযোগিতা করে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে গাজর, শিম, বাদাম (চীনাবাদাম, কাজুবাদাম), কালোজিরার ভর্তা, লাউ, ডুমুর, পালংশাক, কলমিশাক, টমেটো প্রভৃতি। বুকের দুধ বাড়ানোর জন্য লেকটোহিল নামের দুধ পাওয়া যায়।
‘হলিসিড’ নামের কালাজিরার ক্যাপসুলও পাওয়া যায়। ফার্মেসি থেকে এই দুধ কিংবা ক্যাপসুল কিনে খেলে অনেক ক্ষেত্রে উপকার পাওয়া যায়। 
diet for men
কিছু পরামর্শ
বুকের দুধ বাড়াতে আরো কিছু পরামর্শ এখানে তুলে ধরছি -
* স্তনের বোঁটাকে শিশুর জন্য পাঁচ মিনিট করে চুষতে দিতে হবে, একেবারে একফোঁটা দুধ না এলেও এই কাজটা নিয়মিত করেই যেতে হবে। একবারে ১০-২০ মিনিট বা তারও বেশি সময় ধরে দুধ দেবেন।
* বাচ্চাকে যত ঘন ঘন দুধ দেবেন তত বেশি দুধ আসতে থাকবে। বাচ্চা যদি খুব কম দুধ পান করে সে ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে দুধ চিপে ফেলে দেবেন।
* একবারে এক স্তন থেকেই দুধ খাওয়াতে হবে। দুই দিক থেকে খাওয়াবেন না। কারণ, প্রথম দিকের দুধে পানির পরিমাণ বেশি থাকে আর শেষ দিকের ঘন দুধে পুষ্টি বেশি থাকে। এতে বাচ্চার পেটও ভরে। কিন্তু অর্ধেক খাওয়ানোর পর পরিবর্তন করে আরেক দুধে চলে গেলে বাচ্চা শেষ দিকের পুষ্টিকর দুধ থেকে বঞ্চিত হয়।
* শিশু স্তন চুষবার সময় মাকে অবশ্যই নিরুদ্বিগ্ন এবং চিন্তামুক্ত থাকতে হবে। শিশু যদি মায়ের বুক না টানতে চায় তবে জোরাজুরি করা উচিত নয়। বরং নিরিবিলি ঘরে বসে মা আস্তেআস্তে তার মাথায় হাত বুলিয়ে কথা বলে ধৈর্যের সাথে চেষ্টা করবেন। যখন সে মুখ হা করবে তখন শিশুকে বুকের সাথে মিশিয়ে ধরতে হবে। মায়ের শিশুর দিকে ঝুঁকে যাওয়ার দরকার নেই।
*কোনো কারণে যদি বুকের দুধ খাওয়ানো সাময়িকভাবে বন্ধ থাকে তবে মা যখনই আবার খাওয়াতে চাইবেন তখনই শিশুকে বুকের দুধ টানাতে হবে। শিশু চুষলেই আস্তে আস্তে আবার আগের মতো দুধ আসবে।
* কোনো অবস্থাতেই শিশুর মুখে বোতল বা চুষনি দেওয়া উচিত নয়। তাহলে শিশু তার মায়ের স্তনের বোঁটা মুখে নিতে চাইবে না। সে ওই নরম রাবারের বোঁটা বেশি পছন্দ করবে।
* মাকে পর্যাপ্ত খাবার দিতে  হবে। তার ঘুম ও বিশ্রামের ব্যাঘাত ঘটানো যাবে না। স্তন্যদানের ১৫ মিনিট আগে মা দুই গ্লাস পানি পান করে নিলে স্তন্যদান সহজ হবে।
* বেশি পরিমাণে জোরে দুধ এলে খাওয়ানোর সময় চোখেমুখে দুধ ছিটিয়ে পড়ে, তাই শিশুকে খাওয়ানোর আগে কিছুটা দুধ টিপে ফেলে নিতে পারেন। এতে বোঁটাও তার নিজের আকার ফিরে পাবে। শিশুর বোঁটাসহ কালো অংশ ধরতে সুবিধা হবে।
* মাকে সম্পূর্ণ নিশ্চিত করা অভিভাবকদের দায়িত্ব হিসেবে নিতে হবে। তাকে কখনোই তিরস্কার বা হতাশ করা যাবে না।
* ডেলিভারির দুই সপ্তাহ পর এসব ব্যবস্থা নেওয়ার পরও যদি মায়ের বুকে পর্যাপ্ত দুধ না আসে বা কম আসে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তবে প্রায় সময় দেখা যায় ওপরের নিয়মগুলো পালন করলে আর এক থেকে দুই সপ্তাহ ধৈর্য ধরলে এমনিতেই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। এ সময় শিশু কম দুধ পাচ্ছে বলে উদ্বিগ্ন হয়ে কৌটার দুধ দেওয়া হবে আত্মঘাতী। কারণ, প্রথম দিকে এমনিতেই শিশুর চাহিদা কম থাকে আর একবার কৌটার দুধ দিলে তাকে বুকের দুধ খাওয়াতে খুব কষ্ট হয়। আজকাল সরকারি হাসপাতালগুলোতে এবং ক্লিনিকেও ‘ব্রেস্ট  ফিডিং কাউন্সেলিং’-এর জন্য আলাদা সেন্টার বা বুথ থাকে। এসব স্থানে গিয়ে মায়েরা সাহায্য চাইতে পারেন।

শীতে শিশুর পরিচর্যা

দ্রুতগতির এই পৃথিবীতে আপনার সন্তান বেড়ে উঠছে প্রতিনিয়ত একরাশ পরিবর্তনকে চোখের সামনে দেখে দেখে। অনেক সময় আপনার ছোট্ট সন্তানটি হয়তো তার ছোট্ট ভাবনার পৃথিবীতেই সম্মুখীন হয় অনেক জটিলতার। যা হয়তো সে কারো সাথে বলতে পারে না। ক্রমাগত চেপে রাখতে রাখতে হয়তো সে হয়ে ওঠে কিছুটা অন্তর্মুখী। অথবা চারদিকের নানা অসুস্থ প্রতিযোগিতার মাঝে বেড়ে উঠতে গিয়ে হয়তো কখনো একরাশ হতাশা কাজ করে তার মাঝে। অনেক সময় এসবের সমাধান করতে না পেরে হয়তো আপনার সন্তানটি পা বাড়ায় কোন ভুল পথে, হয়ে পড়ে মাদকাসক্ত বা বেছে নেয় আত্মহত্যার পথ। এসব থেকে সুরক্ষিত রাখুন আপয়ার সন্তানকে। ছোটবেলা থেকে তার বন্ধু হয়ে উঠুন।
প্রতিদিন তাকে বলুন এই ১০ টি কথা। এগুলো তাকে অনুপ্রেরণা যোগাবে আর কখনোই দূরত্ব বাড়তে দেবে না আপনার সাথে।

১। আমি তোমাকে বিশ্বাস করিঃ

প্রতিদিন একবার বলুন এ কথাটা। এই কথাটার ভেতরে লুকিয়ে থাকা অপূর্ব এক শক্তি আপনার সন্তানকে কখনোই আপনার বিশ্বাস ভেঙে দেবার মতন খারাপ কাজগুলো করতে দেবে না।
কোন ভুল পথে পা দেবার আগে একবার হলেও তার কানে বাজবে আপনার আস্থার এই কথাটি। সে ফিরে আসবেই!

২। তোমাকে আমি ভীষণ ভালোবাসিঃ

সন্তানকে ভালোবাসেন সব বাবা মাই! কিন্তু আমাদের সমাজে এ কথাটা বলার প্রচলন একেবারেই নেই। আমাদের সন্তানেরা তাদের মা বাবার কেবল শাসনের রূপটিই তাই দেখে, ভালোবাসাটা অনুভব করতে পারে না সেভাবে। ভালোবাসা প্রকাশ খারাপ কিছু নয়। তাই রোজ রাতে ঘুমুতে যাবার আগে সন্তানের মাথায় হাঁট বুলিয়ে একবার বলুন কথাটা। দেখবেন কি অসাধারণ প্রভাব পড়ছে এতে!

৩। তুমি পারবেঃ

আপনার সন্তানের মাঝে আত্মবিশ্বাস তৈরী করতে সবচেয়ে মূখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে আপনার এই ছোট্ট একটি কথা। তাই যখনই আপনার সন্তান কোন কাজ করতে যাচ্ছে বা কোন কিছুতে সাময়িক ব্যর্থ হয়েছে, তাকে এ কথাটি বলুন। আপনার সন্তান আসলেই তা করে দেখাবে!

৪। হাল ছেড়ে দিও নাঃ

মাঝে মাঝে হয়তো আপনার সন্তান হতাশ হয়ে পড়তে পারে কোন কাজে আশানুরূপ ফল না পেয়ে। কিন্তু এতে তাকে বকা ঝকা না দিয়ে তার হারানো উদ্যম ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করুন। তার অনুভূতি জানতে চান, এবং এ কথাটি বলুন।

৫। সবাই শিখতে শিখতেই বিখ্যাত হয়, ঠিক তোমার মতঃ

সন্তানের সামনে কোন একজন আদর্শ সফল ব্যক্তিকে রাখুন। যেমন স্টিফেন হকিংস। তার জীবনের চেষ্টা, পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জিত সাফল্যের কথা সন্তানকে শোনান। উৎসাহ দিন যে একদিন সেই উচ্চতায় তার পক্ষেও পৌঁছানো অসম্ভব কিছু নয়!

৬। তুমি নিরাপদে আছো, তোমাকে সবাই পছন্দ করেঃ

বিশেষত কৈশোরে সন্তানেরা এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে, তাদের মনে হয়, কেউ তাদের ভালোবাসে না। এই নিরাপত্তাহীনতার জায়গা থেকে তারা ভুল ভাল প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, হতে পারে মাদকাসক্তও। তাই এই নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি থেকে বের করে আনতে এই কথাটি বলুন।

৭। আমি তোমার বন্ধু, যেমনটা তুমি আমারঃ

সন্তানের বন্ধু হতে হলে আগে তাকে এটা বুঝতে দিন যে আপনিও তাকে বন্ধু মনে করেন। দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট কাজে তার পরামর্শ জানতে চান। তাকে বলুন, আপনি তাকে বন্ধু ভাবেন এবং আপনি নিজেও তার বন্ধু। এতে সন্তান কোন অপরাধ করে এলেও আপনার কাছে স্বীকার করবে সহজেই!

৮। আমি তোমাকে বুঝতে পারিঃ

এটা খুব জরুরী! পৃথিবীর প্রতিটা মানুষই চায় যে, তাকে কেউ না কেউ বুঝুক। তাই এই চাওয়ার জায়গাটাকে গুরুত্ব দিন। সন্তানও ভবিষ্যতে আপনার চাওয়াকে গুরুত্ব দেবে নিঃসন্দেহে!

৯। চর্চা করো, তোমাকে দিয়ে সব সম্ভবঃ

আপনার সন্তান হয়তো কোন একটি বিষয়ে ভালো করতে পারছে না। এক্ষেত্রে তাকে হতাশ করে এমন কণ কথা না বলে চর্চার পরামর্শ দিন।

১০। তুমি পারবে না এমন কোন কাজ নেইঃ

একজন মানুষকে দিয়ে কখনোই সব কিছু হওয়া সম্ভব না। কিন্তু সন্তানকে এ কথাটি বলুন তার সাহস বাড়াতে। এতে তার চেষ্টার পরিমাণ বেড়ে যাবে হাজারগুণে।
আপনার ও আপনার সন্তানের মাঝে কখনোই দূরত্ব সৃষ্টি না হোক। রক্তের বন্ধন হোক অমলিন।

ali