Wednesday, April 13, 2016

কোন দেশের মেয়েরা বেশী সুন্দরী? daily bangla newspaper






সৌন্দর্যের নির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা নেই৷ তার পরও সৌন্দর্যের কিছু মানদণ্ড ঠিক করে সেরা
সুন্দরীদের পুরস্কৃত করা হয়৷ সেই হিসেবে কোন কোন দেশের মেয়েদের বেশি সুন্দর বলা
যায়? daily bangla newspaper
৬. যুক্তরাজ্য
কোন দেশের মেয়েরা বেশি সুন্দর তা কীভাবে নিরূপণ করা যায়? ওয়ার্ল্ডঅ্যাটলাস ডটকম
খুব সহজ অথচ সর্বজনস্বীকৃত একটি পথ বেছে নিয়েছে৷ যেসব দেশের মেয়েরা ‘মিস ওয়ার্ল্ড’
ও ‘মিস ইউনিভার্স’ প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে বেশিবার জয়ী হয়েছে, তাদেরই এই স্বীকৃতি
দিয়েছে তারা৷ তাতে ছয় নম্বর স্থানটি পেয়েছে যুক্তরাজ্য৷ এ পর্যন্ত পাঁচবার মিস ওয়ার্ল্ড
জিতেছে যুক্তরাজ্যের মেয়েরা৷
৫. সুইডেন
বিশ্বের প্রায় সব বিষয়েই পরিসংখ্যান এবং তুলনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করে
ওয়ার্ল্ডঅ্যাটলাস ডটকম৷ বেশি সুন্দরীদের দেশ হিসেবে তাদের বিবেচনায় যুক্তরাজ্যের
পরেই রয়েছে সুইডেন৷ সুইডেনের মেয়েরা এ পর্যন্ত ছ’বার সুন্দরীদের বিশ্ব শিরোপা
জিতেছে৷ তিনবার জিতেছে মিস ওয়ার্ল্ড আর বাকি তিনবার মিস ইউনিভার্স৷
daily bangla newspaper
৪. পুয়ের্তো রিকো
মাত্র ৯ হাজার ১০৪ বর্গ কিলোমিটারের দেশ পুয়ের্তো রিকোর সুন্দরীদের খ্যাতি বিশ্বের অনেক বড় এবং শক্তিশালী দেশের মেয়েদের চেয়ে বেশি৷ মিস ওয়ার্ল্ড এবং মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতা জয়ের মানদণ্ডে পুয়ের্তো রিকো বিশ্বের চতুর্থ সেরা সুন্দরীদের দেশ৷ এ পর্যন্ত পাঁচবার মিস ইউনিভার্স এবং একবার মিস ওয়ার্ল্ড মিলিয়ে মোট ছ’বার সেরা সুন্দরী হয়েছেন পুয়ের্তো রিকোর মেয়েরা৷
daily bangla newspaper
৩. ভারত
রিটা ফারিয়া (১৯৬৬) থেকে শুরু করে ঐশ্বরিয়া রাই (১৯৯৪), ডায়না হেডেন (১৯৯৭), যুক্তামুখি (১৯৯৯) এবং প্রিয়াঙ্কা চোপড়া (২০০০) পর্যন্ত মোট পাঁচজন ভারতীয় সুন্দরী এ পর্যন্ত ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ হয়েছেন৷ ‘মিস ইউনিভার্স’ হয়েছেন দু’জন – সুস্মিতা সেন (১৯৯৪) ও লারা দত্ত (২০০০)৷ সেরা সুন্দরীদের প্রতিযোগীতায় সাতবার যে দেশের মেয়েরা সেরা হয়েছেন, সে দেশকে তৃতীয় সেরা অনিন্দ্য সুন্দরীদের দেশ না বলে উপায় আছে কি?
২. যুক্তরাষ্ট্র
পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের মেয়েরাও সৌন্দর্যের শক্তিতে অনেক এগিয়ে৷ আটবার মিস ইউনিভার্স এবং তিনবার মিস ওয়ার্ল্ড হয়েছেন সে দেশের মেয়েরা৷ তাই বেশি সুন্দরীদের দেশের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র৷
১. সবার সেরা ভেনেজুয়েলা
সেরা সুন্দরীদের সভা সবচেয়ে বেশিবার আলোকিত করেছেন ভেনেজুয়েলার মেয়েরা৷ দক্ষিণ অ্যামেরিকার এই দেশের মেয়েরা এ পর্যন্ত সাতবার মিস ইউনিভার্স এবং ছ’বার জিতেছেন মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব৷ মোট ১৩ বার সুন্দরীদের আসরে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা ভেনেজুয়েলাই তাই সবচেয়ে বেশি সুন্দরীদের দেশ৷
সূত্র : ডয়েচে ভেল

রঙিন শাড়ি

সারা দিন মেলায় ঘুরে ডুগডুগি, মাটির পুতুল—কত কিছুই না কেনা হলো। তবু মন ভরল না ছোট্ট মেয়েটির। কারণ, পয়লা বৈশাখে শাড়ি পরার যে বায়না ছিল, তা পূরণ হয়নি। ঝামেলা হবে বলে মা এড়িয়ে গেছেন। শাড়ি সামলানো ছোটদের জন্য একটু সমস্যাই বটে। তবে আজকাল বাজারে ছোটদের জন্য তৈরি (রেডিমেড) শাড়ি কিনতে পাওয়া যাচ্ছে। কুচি সেলাই করা এই শাড়িগুলো স্কার্টের মতো পরে নেওয়া যায়। সঙ্গে ব্লাউজও থাকে।
বাজার ঘুরে দেখা গেল, ছোটদের শাড়িতে লাল, সাদা, বেগুনি, সবুজ, নীল, কমলা, ম্যাজেন্টা রং প্রাধান্য পেয়েছে। বেশির ভাগ তাঁতের সুতি ও কোটা শাড়ির ওপর ব্লক প্রিন্ট করা হয়েছে। এ ছাড়া গামছা প্রিন্টের শাড়িও আছে এবার।
কথা হলো অভিনেত্রী রুনা খানের সঙ্গে। ছয় বছরের মেয়ে রাজেশ্বরীকে প্রতিবছর পয়লা বৈশাখে শাড়ি পরান। এক বছর বয়স থেকেই নাকি মেয়েকে শাড়ি পরিয়ে আসছেন তিনি। মেয়েরও দারুণ শাড়ি পরার শখ। জানালেন, ‘ওকে সব সময় রেডিমেড শাড়ি পরানো হতো। তবে যেহেতু সে একটু বড় হয়েছে, তাই এবার সাধারণ শাড়িই পরাব। সাজ বলতে কপালে থাকবে শুধু একটা ছোট গোল টিপ আর হাতে রংবেরঙের কাচের চুড়ি।’
daily bangla newspaper
ছোটদের বাড়তি সাজের প্রয়োজন নেই। বরং সাজলে যেন শিশুর মুখের স্বাভাবিক মিষ্টতাটাই হারিয়ে যায়। এ জন্য বাচ্চার বয়সের সঙ্গে বেমানান কোনো সাজ না দেওয়াই ভালো। শাড়ির সঙ্গে কেউ যদি চায় তাহলে শখ করে পুঁতি, কাপড় ও সুতার তৈরি মালা, হাতের ব্রেসলেট বা চুড়ি পরাতে পারেন। পায়ে থাকতে পারে নূপুর। ধাতব গয়নায় বাচ্চাদের ব্যথা পাওয়ার আশঙ্কা থাকায় এড়িয়ে যাওয়া উচিত। আবার খুব ছোট বাচ্চা হলে কাচের চুড়ি পরানো ঠিক হবে না।

বৈশাখী সাজে সারা দিন

 

বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিনটি এখন বাঙালির বড় এক উৎসব। নববর্ষে নিজেকে তুলে ধরতে পারেন নতুনভাবে। প্রতিবছরই সাজে আসে নতুনত্ব। এবার সাজসজ্জায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বিভিন্ন রকমের চুলের সাজ। সঙ্গে মেকআপ করার চলতি ধারা তো আছেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, চুল বাঁধা ও মেকআপ—দুটোই বেছে নেওয়া উচিত পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে। নকশার এই আয়োজনে তুলে ধরা হলো তেমনই কিছু বৈশাখী সাজ।
উজ্জ্বল ও ন্যাচারাল—দুই ধরনের মেকআপই এবার চলবে। সাজে দেশীয় ভাব রাখতে চাইলে তা টিপ, কাজল, খোঁপাতেই ফুটিয়ে তোলা যাবে বলে জানালেন রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন। আর যদি চলতি ধারায় সাজতে চান তাহলে উজ্জ্বল বা গাঢ় লিপস্টিক, টি জোনে একটু শিমারের ব্যবহার থাকতে পারে। চেহারার বাকি অংশে ত্বকের সঙ্গে মিলিয়েই ফাউন্ডেশন লাগান। এতে করে চেহারায় শিমারি ম্যাট ভাব আসবে।
চোখের ওপরের অংশে হালকা বাদামি রঙের আইশ্যাডো। চোখের নিচে হালকা সবুজ আইশ্যাডো। মাঝে গাঢ় ছাইরঙা কাজলের ব্যবহার। হালকা মিশিয়ে (ব্লেন্ড) নিতে পারেন। ঠোঁটে গাঢ় কফি রঙের লিপস্টিক। চুলটাকে একটু এলোমেলোভাবে সেট করে বাঁধা হয়েছে। প্রথমে বেণি করা হয়েছে। এরপর বেণিসহ চুলকে কার্লার দিয়ে কার্ল করা হয়েছে। এবার একটু এলোমেলোভাবে চুলটাকে সেট করে কালো ক্লিপ দিয়ে আটকে নিন। কিশোরীদের জন্য সাজটি মানানসই।

Tuesday, April 12, 2016

গরমে কি খাবেন ? ডাক্তার - yahoo answer



ক্যান্সার ঠেকাবে পুদিনা পাতা
 
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে পুদিনা পাতা খুবই কার্যকর ভেষজ। শুধু হজমে সাহায্য করা বা ঠাণ্ডা লাগা কমাতে নয়, ক্যান্সার প্রতিরোধের ওষুধ হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে পুদিনা পাতা।  ভারতের লক্ষ্ণৌর সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অব মেডিসিনাল অ্যান্ড অ্যারোমেটিক প্লান্টসের বিজ্ঞানীরা বলেছেন, পুদিনা গাছে পাওয়া যায় এল-মেনথল, যা অ্যান্টিক্যান্সার ড্রাগ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই এল-মেনথল যেমন ক্যান্সার কোষের বিভাজন  ঠেকাতে পারে, তেমনই শরীরের অন্যান্য অংশে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়াও ঠেকাতে পারে। পুদিনা গাছের বিন্দুমাত্র ক্ষতি না করেই এই এল-মেনথল বের করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
ডাবের পানিতে অনেক উপকার




গরমের মধ্যে এক গ্লাস ডাবের পানির থেকে ভালো আর কিছু হতে পারে না। তবে এছাড়াও ডাবের পানির বেশ কিছু উপকারিতা আছে।
অনেকেই জানেন না অ্যাসিডিটিতে ডাবের পানি খুব তাড়াতাড়ি রিলিফ দেয়। অ্যাসিডিটি তো সারবেই তার সঙ্গে বুক জ্বালা থেকেও সঙ্গে সঙ্গে আরাম পাবেন।
নিয়মিত ডাবের পানি পান করলে আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ডাবের পানি খেলে রক্ত চলাচল ঠিক থাকবে এবং তার ফলে রক্তচাপ কম হবে। এবং আপনার হার্টও ভালো থাকবে। নিয়মিত ডাবের পানি খেলে রক্তে চিনির মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
আপনি যদি শরীরের ওজন কমানোর কথা ভাবেন তাহলে আপনার ডায়েটে অবশ্যই ডাবের পানি রাখবেন। এতে ফ্যাটের মাত্রা খুব কম থাকে। এবং পেট ভরিয়ে রাখে অনেকক্ষণ। তার ফলে অন্য কিছু খেতে ইচ্ছা হবে না আপনার।
ডাবের পানিতে অনেক রকমের নিউট্রিয়েন্টস এবং ভিটামিন আছে। অ্যান্টি ভাইরাল এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টিও আছে এতে। এর ফলে আপনার ইমিউন সিস্টেম এর উন্নতি ঘটবে। ফ্লু এর মতো ভাইরাল ইনফেকশনের প্রকোপও কমিয়ে দেবে।
ডাক্তার অনেক সময় গর্ভবতী মহিলাদের ডাবের পানি খাওয়ার পরামর্শ দেন। কারণ নিয়মিত ডাবের পানি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় আর বদহজমও ঠিক হয়ে যায়।

প্রচণ্ড গরমে যত অসুখ

খর চৈত্রের গরম এ বছর মাত্রা ছাড়াচ্ছে। চারদিকে অসুস্থ হচ্ছে মানুষ। খুব ছোট শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ, বাইরে দীর্ঘ সময় কাজ করেন—এমন ব্যক্তি বা স্থূলকায় ব্যক্তি, মানসিক রোগী এবং হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগে আক্রান্ত মানুষেরা বেশি ঝুঁকির মধ্যে আছেন।
পরিবেশের তাপমাত্রা বেশি বাড়লে শরীরে পানিশূন্যতা, হিট ক্রাম্প, অবসাদ, হিটস্ট্রোক ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। গরমে ঘামের মাধ্যমে প্রচুর লবণ ও পানি হারায় আমাদের ত্বক। এই পানির ঘাটতি পূরণ না করলে পানিশূন্যতা হতে পারে। এর লক্ষণ হিসেবে মাথা ঝিমঝিম করে, ক্লান্তি লাগে, মেজাজ খারাপ হয়, প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়ে যায়। এ রকম পরিস্থিতিতে বারবার পানি পান করতে হবে। আর শসা, লেবু-পানি, ডাব ইত্যাদি ফল বেশি বেশি খাওয়া উচিত। অ্যালকোহল, চা-কফি বরং এড়িয়ে যাওয়া ভালো। কেননা, এগুলো শরীরে পানিশূন্যতা বাড়ায়।
সরাসরি রোদ ও গরমের মধ্যে কাজ করলে অনেক সময় হাত-পায়ের মাংসপেশি খুব ব্যথা করে বা খিঁচে। এ রকম হলে কাজ বন্ধ করে ঘরের ঠান্ডা জায়গায় পা ছড়িয়ে বসুন, হাত-পায়ে মালিশ করুন অথবা আইসপ্যাক বা ঠান্ডা পানিতে কাপড় ভিজিয়ে সেটা শরীরে বুলিয়ে দিন। অল্প অল্প করে বারবার পানি বা ফলের রস পান করুন। সম্ভব হলে গোসল করুন।
শরীর থেকে বেশি পানি ও লবণ হারালে শারীরিক অবসাদে আক্রান্ত হতে পারেন। এতে মাথা ঘোরে, শিরা দুর্বল হয়ে পড়ে বা বুক ধড়ফড় করে এবং মাথাব্যথা ও বমিও হতে পারে। এরই পরবর্তী ধাপের নাম হিটস্ট্রোক। এর ফলে দেহের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে ৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড অবধি উঠতে পারে। ত্বক ঘামে ভেজার বদলে বরং শুকনো খটখটে হয়ে যায়, রোগী আবোলতাবোল বকে, এমনকি সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলতে পারে।
গরমে খান পুষ্টিগুণে ভরা কাঁচা আম
 
ফলের রাজা আম। আম খেতে ভালোবাসেনা এমন মানুষ খোঁজে পাওয়া অসম্ভর। তাই পুষ্টিতে ভরা এই ফলকে ভালোবাসেন সবাই। এখন মৌসুম এসেছে আমের। এসময় বাজারে পাওয়া যাচ্ছে কাঁচা আম। মজাদার স্বাদ ছাড়াও শরীর সুস্থ রাখতে কাঁচা আম কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এই গরমে কাঁচা আম আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী। তাই এই গরমে বেশি বেশি কাঁচা আম খান, সুস্থ থাকুন।
কাঁচা আমের রয়েছে অসাধারণ কিছু গুণাগুণ। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে, কিডনির সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে, অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও ত্বক উজ্জ্বল করে, দাঁতের রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
ক্যারোটিন ও ভিটামিন সমৃদ্ধ কাঁচা আম চোখ ভালো রাখে। বিটা ক্যারোটিন থাকায় হার্টের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। কাঁচা আমে থাকা আয়রন রক্তসল্পতা সমস্যা সমাধানে বেশ উপকারী।
গরমে কাঁচা আম বিভিন্ন ভাবে খাওয়া যেতে পারে। ভর্তা, চাটনি, আচার ছড়াও নানান পদের খাবার তৈরি করে খাওয়া যেতে পারে। জুস বানিয়েও খেতে পারেন। এতে করে গরমের ক্লান্তি ভাব দূর হবে।
কাঁচা আমে রয়েছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন সি যা ঠাণ্ডাজাতীয় রোগ প্রতিরোধ করে। শরীরে পটাসিয়ামের অভাব পূরণ করে লিভার ভালো রাখে।

Sunday, April 10, 2016

তীব্র গরমে আপনার কিছু করনীয়



তীব্র গরমে শিশুর বাড়তি যত্ন নিন

এই গরমে শিশুদের জন্য চাই বাড়তি যত্ন। কেননা এ রকম তাপমাত্রায় শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। আর এ সময় খাবার ও পানিবাহিত রোগের প্রকোপও বাড়ে। শিশুদের এ সময় ঘরের টাটকা ও বিশুদ্ধ খাবার খেতে দিন। কারণ, বাইরের জুস, ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবারে এ সময় জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কা বেশি। সহজে নষ্ট হয়ে যায়—এমন খাবার টিফিনে দেবেন না। পানির বিশুদ্ধতাও নিশ্চিত করতে হবে।
গরমের সময় শিশুদের সর্দি-কাশি হতে পারে। আইসক্রিম ও ফ্রিজের ঠান্ডা পানি এবং অত্যধিক ঘাম থেকে এসব হয়। ঘাম এড়াতে শিশুকে হালকা সুতির পোশাক পরান। রোদে বের হলে মাথায় ক্যাপ এবং ছাতা ব্যবহার করুন। প্রতিদিন গোসল করান, খুব ছোট শিশুদের এক দিন পরপর করাতে পারেন। নিয়মিত গোসল করালে ঘামাচি কম হয়। তবে তেল দেওয়া একেবারে উচিত নয়। এই সময় শিশুর চুল ছোট রাখা ভালো। ছোট্ট মেয়েদের চুলে বেণি করে দিন, কিংবা ঝুঁটি বেঁধে রাখুন, এতে গরমে তারা স্বস্তি পাবে। ঘামে চুল ভিজে গেলে মুছিয়ে দিন, গোসলের পরও ভালোভাবে চুল শুকাতে হবে।
গরমে পানিশূন্যতাও হতে পারে শিশুদের। বিশেষ করে স্কুলে বা খেলাধুলার সময়। ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে ২৫০ থেকে ৪০০ মিলিলিটার পর্যন্ত পানি বেরিয়ে যায়। চোখ ভেতরে দেবে যাওয়া, অস্থিরতা, প্রস্রাব কমে যাওয়া ইত্যাদি পানিশূন্যতার লক্ষণ। শিশুকে পর্যাপ্ত পানি, লেবুর শরবত, ডাবের পানি কিংবা পানিসমৃদ্ধ ফল (যেমন তরমুজ) খাওয়ান। স্কুলব্যাগে পর্যাপ্ত পানি দিতে ভুলবেন না।


দূর হবে ঘাম

পড়েছে প্রচণ্ড গরম। বেড়েছে রোদের উত্তাপ। ফলে বাইরে বের হলেই ঘাম আর চিটচিটে ভাবের সমস্যা। কিন্তু এতে তো আর ঘরে বসে থাকার উপায় নেই। বাইরে বের হতেই হয়। তাই ঘরোয়া কিছু বুদ্ধি খাটালেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

নারিকেল তেল: 
একটি বাটিতে নারিকেল তেল নিন। তারপর এর সঙ্গে ১০ গ্রাম কর্পূর মিশিয়ে নিন। এই তেল বগলের নিচে এবং যেসব জায়গা বেশি ঘামে সে সব জায়গায় মাখুন। ৪৫ থেকে ৬০ মিনিট অপেক্ষা করে তেল-কর্পূরের মিশ্রণ পরিষ্কার পানি দিয়ে গা থেকে ধুয়ে ফেলুন। এতে শরীরে ঘাম কম হবে।
চা গাছের তেল: 
চা গাছের তেল তৈলাক্ত ত্বকের জন্যও বেশ উপকারী। দেহের যে সব জায়গায় ঘামগ্রন্থির আধিক্য রয়েছে সেখানে চা গাছের তেল মাখা যেতে পারে। নিয়মিত মাখলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে। 
লবণ: 
গরমে অতিরিক্ত ঘাম থেকে বাঁচতে লেবুর রসের সঙ্গে এক টেবিল-চামচ লবণ মিশিয়ে তা হাত দিয়ে মালিশ করতে হবে। এতে ঘাম গ্রন্থির কার্যকারীতা হ্রাস পায়।
আঙুর : 
আঙুর একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এই ফল খেলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। গরমে আঙুর খেলে বেশ আরাম পাওয়া যায়।
টমেটোর রস : 
গরমে টমেটোর রস খেলে ঘাম তুলনামূলক কম



গরমে ত্বকের যত্ন

পানি পান করুন
পানি শুধু শরীরে আর্দ্রতা জোগায় না, ত্বককে করে তোলে সজীব। তাই ত্বক সুন্দর রাখতে এ সময়ে প্রচুর পানি পান করুন।
টোনার ব্যবহার করুন
টোনার ত্বকের রোমকূপ বন্ধ ও ত্বককে শীতল রাখতে সাহায্য করে। বাজার থেকে ভালো কোম্পানির টোনার দেখে কিনুন। ঘরোয়া টোনার হিসেবে গোলাপজল ভালো কাজ করে।
ওয়াটার বেজ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন
গরমের সময়ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার বন্ধ করবেন না। কারণ ময়েশ্চারাইজার ত্বকে আর্দ্রতা জোগানোর পাশাপাশি ত্বককে নরম রাখে। তবে গরমের সময় ওয়াটার বেজ ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন ত্বকের যতেœ।
ত্বক পরিষ্কার রাখুন
সকালে ও রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই ত্বক পরিষ্কার করুন। যদি এমন হয় সারা দিন বাইরে বের হননি তবুও রুটিন করে ত্বক পরিষ্কার করতে ভুলবেন না।
এক্সফোলিয়েট করুন
গরমের সময় ত্বকের মরা কোষ দূর করে রক্ত সঞ্চালন বাড়ানোর জন্য ত্বককে এক্সফোলিয়েট করা জরুরি। কারণ এ সময় ধুলাময়লা জমে ত্বক অপরিচ্ছন্ন হয় বেশি। চার-পাঁচ চামচ বেসনের সাথে এক চামচ হলুদ, পাঁচ-ছয় ফোঁটা গোলাপজল ও দুধ মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। আধঘণ্টা পর ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন।
রোদ এড়িয়ে চলুন
বেসন ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করতে খুব কার্যকর। বেসনের সাথে টক দই ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে। রোদে পোড়া দাগ দূর করতে লেবুর রস ভালো কাজ করে। পেঁপে প্রাকৃতিক কিনজার হিসেবে ভালো কাজ করে। তাই ত্বক পরিষ্কার করতে দুই টেবিল চামচ চটকানো পেঁপের সাথে এক চা চামচ মধু ও একটা ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
ত্বককে শীতল রাখুন
গরমে ত্বক শীতল রাখা খুব প্রয়োজন। এক টেবিল চামচ কোরানো শসার সাথে এক টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। খুবই সতেজ অনুভব করবেন। এ ছাড়া পুষ্টিকর খাবার, ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুম ত্বক ভালো রাখার জন্য খুবই জরুরি। লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না

এই গরমে ছেলেদের ত্বকের যত্নে অবশ্য করণীয় কাজ

ভ্যাপসা গরমের কারণে শুধুমাত্র মেয়েরাই যে ত্বকের নানা সমস্যায় পড়ছেন তা নয়। সমস্যায় পড়ছেন ছেলেরাও। বাইরে রোদে ঘোরাঘুরি, খেলাধুলা বা কাজ কর্মের কারণে ধুলো বালিতে যাওয়া এবং ঠিক মতো ত্বকের যত্ন না নেয়ার ফলে ত্বকের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে ছেলেদেরও।
ছেলেরা নিজেদের ত্বকের প্রতি একেবারেই যত্নশীল নন। তারা সামান্য সানস্ক্রিনটুকু লাগিয়ে বাসা থেকে বের হতে চান না। অন্যান্য যত্ন নেয়া তো অনেক পরের কথা। ইদানীং কিছু কিছু ছেলেকে খানিকটা সচেতন হতে দেখা যায় অবশ্য, কিন্তু আরও বেশি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন।

স্ক্রাব করুন
প্রতিদিন ত্বক স্ক্রাব করা উচিৎ। রোদে বাইরে বেরুলে ত্বকের উপরিভাগে কালো ছোপ দাগ পরে এবং ধুলোবালি জমে। ধুলোবালি ত্বকে ব্রণের সমস্যা সৃষ্টি করে। তাই এমন স্ক্রাব ব্যবহার করা উচিৎ যা প্রতিদিন ব্যবহার করা যায়। বাইরে থেকে ফিরেই ত্বক দ্রুত স্ক্রাব করে ফেলুন।
ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করুন
ভ্যাঁপসা গরমে ত্বকের উপরিভাগ বেশিরভাগ সময় তৈলাক্ত দেখায়। তেলতেলে ত্বকে ধুলোবালি জমে ত্বকের উপরিভাগ কালচে করে ফেলে, ব্রণ বাড়ায়। এই সমস্যা থেকে বাঁচতে টমেটো পিষে মুখে ঘষে ১৫ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের তৈলাক্ততা দূর হয়ে যাবে।

ত্বকের সুরক্ষা করুন
ত্বকের সুরক্ষায় অবহেলা করবেন না কখনোই। বাসা থেকে বের হওয়ার আগে অবশ্যই ত্বকে সানস্ক্রিন লাগিয়ে বের হবেন। উচ্চ মাত্রার এসপিএফ সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন লাগাবেন। ত্বক অতিরিক্ত ঘেমে গেলে মুছে ফেলবেন। সেজন্য সাথে টিস্যু বা নরম কাপড় রাখুন।
ত্বক হাইড্রেট রাখুন
ডিহাইড্রেশনে পড়লে ত্বকের অনেক ক্ষতি হয়। ত্বকের রুক্ষতা ও শুষ্কতা বেড়ে যায়। ত্বকের উপরিভাগ ফেটে যায়। তাই ত্বককে হাইড্রেট রাখতে পরিমিত পরিমাণ পানি ও পানীয় পান করুন। দিনে ৮ গ্লাস পানি ও অন্যান্য পানীয় পান করবেন। এতে দেহ ও ত্বক হাইড্রেট থাকবে।

ali