ক্যান্সার ঠেকাবে পুদিনা পাতা
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে পুদিনা পাতা খুবই কার্যকর ভেষজ। শুধু হজমে সাহায্য করা বা ঠাণ্ডা লাগা
কমাতে নয়, ক্যান্সার
প্রতিরোধের ওষুধ হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে পুদিনা পাতা। ভারতের
লক্ষ্ণৌর সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অব মেডিসিনাল অ্যান্ড
অ্যারোমেটিক প্লান্টসের বিজ্ঞানীরা বলেছেন, পুদিনা গাছে পাওয়া যায় এল-মেনথল,
যা
অ্যান্টিক্যান্সার ড্রাগ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই
এল-মেনথল
যেমন ক্যান্সার কোষের বিভাজন
ঠেকাতে
পারে, তেমনই
শরীরের অন্যান্য
অংশে
ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়াও ঠেকাতে পারে। পুদিনা
গাছের বিন্দুমাত্র ক্ষতি
না
করেই এই এল-মেনথল বের করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
ডাবের পানিতে অনেক উপকার
গরমের
মধ্যে এক গ্লাস ডাবের পানির থেকে ভালো আর কিছু হতে পারে না। তবে এছাড়াও ডাবের পানির বেশ কিছু উপকারিতা আছে।
অনেকেই
জানেন না অ্যাসিডিটিতে ডাবের পানি খুব তাড়াতাড়ি রিলিফ দেয়। অ্যাসিডিটি
তো সারবেই তার সঙ্গে বুক জ্বালা থেকেও সঙ্গে সঙ্গে আরাম পাবেন।
নিয়মিত ডাবের পানি পান করলে আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ডাবের পানি খেলে রক্ত চলাচল ঠিক থাকবে এবং তার ফলে রক্তচাপ কম হবে। এবং আপনার হার্টও ভালো থাকবে। নিয়মিত ডাবের পানি খেলে রক্তে চিনির মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
আপনি যদি শরীরের ওজন কমানোর কথা ভাবেন তাহলে আপনার ডায়েটে অবশ্যই ডাবের পানি রাখবেন। এতে ফ্যাটের মাত্রা খুব কম থাকে। এবং পেট ভরিয়ে রাখে অনেকক্ষণ। তার ফলে অন্য কিছু খেতে ইচ্ছা হবে না আপনার।
ডাবের পানিতে অনেক রকমের নিউট্রিয়েন্টস এবং ভিটামিন আছে। অ্যান্টি ভাইরাল এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টিও আছে এতে। এর ফলে আপনার ইমিউন সিস্টেম এর উন্নতি ঘটবে। ফ্লু এর মতো ভাইরাল ইনফেকশনের প্রকোপও কমিয়ে দেবে।
নিয়মিত ডাবের পানি পান করলে আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ডাবের পানি খেলে রক্ত চলাচল ঠিক থাকবে এবং তার ফলে রক্তচাপ কম হবে। এবং আপনার হার্টও ভালো থাকবে। নিয়মিত ডাবের পানি খেলে রক্তে চিনির মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
আপনি যদি শরীরের ওজন কমানোর কথা ভাবেন তাহলে আপনার ডায়েটে অবশ্যই ডাবের পানি রাখবেন। এতে ফ্যাটের মাত্রা খুব কম থাকে। এবং পেট ভরিয়ে রাখে অনেকক্ষণ। তার ফলে অন্য কিছু খেতে ইচ্ছা হবে না আপনার।
ডাবের পানিতে অনেক রকমের নিউট্রিয়েন্টস এবং ভিটামিন আছে। অ্যান্টি ভাইরাল এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টিও আছে এতে। এর ফলে আপনার ইমিউন সিস্টেম এর উন্নতি ঘটবে। ফ্লু এর মতো ভাইরাল ইনফেকশনের প্রকোপও কমিয়ে দেবে।
ডাক্তার
অনেক সময় গর্ভবতী মহিলাদের ডাবের পানি খাওয়ার পরামর্শ দেন। কারণ
নিয়মিত
ডাবের পানি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় আর বদহজমও ঠিক হয়ে যায়।
প্রচণ্ড গরমে যত অসুখ
খর
চৈত্রের গরম এ বছর মাত্রা ছাড়াচ্ছে। চারদিকে
অসুস্থ হচ্ছে মানুষ। খুব ছোট শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ, বাইরে দীর্ঘ
সময় কাজ করেন—এমন ব্যক্তি বা স্থূলকায়
ব্যক্তি, মানসিক রোগী এবং হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস ও
কিডনি রোগে আক্রান্ত মানুষেরা বেশি ঝুঁকির মধ্যে
আছেন।
পরিবেশের তাপমাত্রা বেশি বাড়লে শরীরে পানিশূন্যতা, হিট ক্রাম্প, অবসাদ, হিটস্ট্রোক ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। গরমে ঘামের মাধ্যমে প্রচুর লবণ ও পানি হারায় আমাদের ত্বক। এই পানির ঘাটতি পূরণ না করলে পানিশূন্যতা হতে পারে। এর লক্ষণ হিসেবে মাথা ঝিমঝিম করে, ক্লান্তি লাগে, মেজাজ খারাপ হয়, প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়ে যায়। এ রকম পরিস্থিতিতে বারবার পানি পান করতে হবে। আর শসা, লেবু-পানি, ডাব ইত্যাদি ফল বেশি বেশি খাওয়া উচিত। অ্যালকোহল, চা-কফি বরং এড়িয়ে যাওয়া ভালো। কেননা, এগুলো শরীরে পানিশূন্যতা বাড়ায়।
সরাসরি রোদ ও গরমের মধ্যে কাজ করলে অনেক সময় হাত-পায়ের মাংসপেশি খুব ব্যথা করে বা খিঁচে। এ রকম হলে কাজ বন্ধ করে ঘরের ঠান্ডা জায়গায় পা ছড়িয়ে বসুন, হাত-পায়ে মালিশ করুন অথবা আইসপ্যাক বা ঠান্ডা পানিতে কাপড় ভিজিয়ে সেটা শরীরে বুলিয়ে দিন। অল্প অল্প করে বারবার পানি বা ফলের রস পান করুন। সম্ভব হলে গোসল করুন।
শরীর থেকে বেশি পানি ও লবণ হারালে শারীরিক অবসাদে আক্রান্ত হতে পারেন। এতে মাথা ঘোরে, শিরা দুর্বল হয়ে পড়ে বা বুক ধড়ফড় করে এবং মাথাব্যথা ও বমিও হতে পারে। এরই পরবর্তী ধাপের নাম হিটস্ট্রোক। এর ফলে দেহের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে ৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড অবধি উঠতে পারে। ত্বক ঘামে ভেজার বদলে বরং শুকনো খটখটে হয়ে যায়, রোগী আবোলতাবোল বকে, এমনকি সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলতে পারে।
পরিবেশের তাপমাত্রা বেশি বাড়লে শরীরে পানিশূন্যতা, হিট ক্রাম্প, অবসাদ, হিটস্ট্রোক ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। গরমে ঘামের মাধ্যমে প্রচুর লবণ ও পানি হারায় আমাদের ত্বক। এই পানির ঘাটতি পূরণ না করলে পানিশূন্যতা হতে পারে। এর লক্ষণ হিসেবে মাথা ঝিমঝিম করে, ক্লান্তি লাগে, মেজাজ খারাপ হয়, প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়ে যায়। এ রকম পরিস্থিতিতে বারবার পানি পান করতে হবে। আর শসা, লেবু-পানি, ডাব ইত্যাদি ফল বেশি বেশি খাওয়া উচিত। অ্যালকোহল, চা-কফি বরং এড়িয়ে যাওয়া ভালো। কেননা, এগুলো শরীরে পানিশূন্যতা বাড়ায়।
সরাসরি রোদ ও গরমের মধ্যে কাজ করলে অনেক সময় হাত-পায়ের মাংসপেশি খুব ব্যথা করে বা খিঁচে। এ রকম হলে কাজ বন্ধ করে ঘরের ঠান্ডা জায়গায় পা ছড়িয়ে বসুন, হাত-পায়ে মালিশ করুন অথবা আইসপ্যাক বা ঠান্ডা পানিতে কাপড় ভিজিয়ে সেটা শরীরে বুলিয়ে দিন। অল্প অল্প করে বারবার পানি বা ফলের রস পান করুন। সম্ভব হলে গোসল করুন।
শরীর থেকে বেশি পানি ও লবণ হারালে শারীরিক অবসাদে আক্রান্ত হতে পারেন। এতে মাথা ঘোরে, শিরা দুর্বল হয়ে পড়ে বা বুক ধড়ফড় করে এবং মাথাব্যথা ও বমিও হতে পারে। এরই পরবর্তী ধাপের নাম হিটস্ট্রোক। এর ফলে দেহের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে ৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড অবধি উঠতে পারে। ত্বক ঘামে ভেজার বদলে বরং শুকনো খটখটে হয়ে যায়, রোগী আবোলতাবোল বকে, এমনকি সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলতে পারে।
গরমে খান পুষ্টিগুণে ভরা কাঁচা আম
ফলের
রাজা
আম। আম খেতে ভালোবাসেনা এমন মানুষ খোঁজে
পাওয়া অসম্ভর। তাই পুষ্টিতে ভরা এই ফলকে
ভালোবাসেন সবাই। এখন মৌসুম
এসেছে আমের। এসময় বাজারে
পাওয়া যাচ্ছে
কাঁচা আম। মজাদার স্বাদ
ছাড়াও শরীর সুস্থ রাখতে কাঁচা আম কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এই
গরমে কাঁচা আম আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী। তাই এই
গরমে
বেশি বেশি কাঁচা আম খান,
সুস্থ
থাকুন।
কাঁচা আমের রয়েছে অসাধারণ কিছু গুণাগুণ। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে, কিডনির সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে, অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও ত্বক উজ্জ্বল করে, দাঁতের রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
ক্যারোটিন ও ভিটামিন সমৃদ্ধ কাঁচা আম চোখ ভালো রাখে। বিটা ক্যারোটিন থাকায় হার্টের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। কাঁচা আমে থাকা আয়রন রক্তসল্পতা সমস্যা সমাধানে বেশ উপকারী।
গরমে কাঁচা আম বিভিন্ন ভাবে খাওয়া যেতে পারে। ভর্তা, চাটনি, আচার ছড়াও নানান পদের খাবার তৈরি করে খাওয়া যেতে পারে। জুস বানিয়েও খেতে পারেন। এতে করে গরমের ক্লান্তি ভাব দূর হবে।
কাঁচা আমে রয়েছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন সি যা ঠাণ্ডাজাতীয় রোগ প্রতিরোধ করে। শরীরে পটাসিয়ামের অভাব পূরণ করে লিভার ভালো রাখে।
কাঁচা আমের রয়েছে অসাধারণ কিছু গুণাগুণ। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে, কিডনির সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে, অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও ত্বক উজ্জ্বল করে, দাঁতের রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
ক্যারোটিন ও ভিটামিন সমৃদ্ধ কাঁচা আম চোখ ভালো রাখে। বিটা ক্যারোটিন থাকায় হার্টের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। কাঁচা আমে থাকা আয়রন রক্তসল্পতা সমস্যা সমাধানে বেশ উপকারী।
গরমে কাঁচা আম বিভিন্ন ভাবে খাওয়া যেতে পারে। ভর্তা, চাটনি, আচার ছড়াও নানান পদের খাবার তৈরি করে খাওয়া যেতে পারে। জুস বানিয়েও খেতে পারেন। এতে করে গরমের ক্লান্তি ভাব দূর হবে।
কাঁচা আমে রয়েছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন সি যা ঠাণ্ডাজাতীয় রোগ প্রতিরোধ করে। শরীরে পটাসিয়ামের অভাব পূরণ করে লিভার ভালো রাখে।



No comments:
Post a Comment