পৃথিবী আল্লাহর সৃষ্টি। পৃথিবীর
যাবতীয় সকল বিষয়-বস্তুও আল্লাহ মহানের সৃষ্টি। তিনিই একমাত্র স্রষ্টা। তিনি
ছাড়া আর কোনো সৃষ্টিকর্তা নেই। কাল
আল্লাহ মহানের সৃষ্ঠি এবং কালের আবর্তন ও বিবর্তনও আল্লাহ মহানের কুদরতি সৃষ্টি। সুতরাং একইভাবে বলা যায়, কালে
সকল আবিস্কারই আল্লাহমহানের কুদরতি সৃষ্টির সহায়তায় সৃষ্ট। বর্তমান বিশ্বে যত সব আবিস্কার ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন সবই মহান
আল্লাহর সৃষ্টিকে কেন্দ করেই সৃষ্ট। আর
আল্লাহ মহানের সৃষ্টিকে কেন্দ্র করে যার আবিস্কার, অবশ্যই সেটা
ইসলাম ও মুসলমানের জন্য সহায়ক ও উপকারি, যদি তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়। বর্তমান যুগকে বিনা দ্বিধায় প্রযুক্তির
যুগ বলা হয়। বিভিন্ন
প্রযুক্তি পণ্য ও মাধ্যম আবিস্কৃত হয়ে গোটা পৃথিবী এখন একটি প্লাটফর্ম। মুহূর্তের মাছে এক দেশের খবর চলে আসে
অন্য দেশে। হাজার হাজর
মাইল দুরে অবস্থানরত মানুষের সাথে কথা বলা যায় অনায়েশে। পৃথিবীর এই তাবৎ আবিস্কার, প্রযুক্তির
এই সব উন্নয়ন সবই ইসলাম ও মুসলমনাদের জন্য মহান আল্লাহ প্রদত্ত বিশেষ নেয়ামত। এমন কোনো প্রযুক্তি পণ্য বা প্রযুক্তিগত
উন্নয়ন নেই, সেটা ইসলামের খেদমেত ব্যবহারযোগ্য নয়। তবে আমাদের একটি কথা মনে রাখা দরকার, প্রতিটি
জিনিসকে ভালো কাজেও ব্যবহার করা যায়, আবার মন্দ কাজেও ব্যবহার করা যায়।
পয়সার এপিট
ওপিটের মতো প্রতিটি প্রযুক্তি পণ্য বা প্রযুক্তিগত উন্নয়নকে ভালো হিসেবে, ইসলামের
খেদমতেও ব্যবহার করার যায় আবার খারপ পথেও ব্যবহার করা যায়। দোষ কিন্তু জিনিসের আর প্রযুক্তির নয়, বিষয় হচ্ছে
সেটিকে কোন কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। একটি
টেলিভিশনের মাধ্যমে মন্দ ছবিও আপনি দেখতে পারেন আবার সারাদিন ইসলামিক অনুষ্ঠানও
দেখতে পারেন। মূল বিষয়
হচ্ছে, প্রযুক্তিকে আমরা কোন কাজে ব্যবহার করছি। আমরা যদি প্রযুক্তিকে ইসলাম প্রচারের কাজে লাগাই তাহলে সব
ধরনের প্রযুক্তিই কল্যাণের মাধ্যম হবে। আর
যদি এই কথা বলে পিছিয়ে থাকি যে, এগুলো ব্যবহার করা হারাম। সব নবী-রাসূলই তাদের জমানায় তৎকালীন
প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়েছেন এবং নিজস্ব ধর্মের প্রচার-প্রসার করেছেন। তারা প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করেছেন। আমরাও যদি প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে ব্যবহার
করি তাহলে তা হবে ইসলাম ও মমুসলমানের জন্য কল্যাণকর। আল্লাহ আমাদের সবাইকে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করার মাধ্যমে
ইসলামের খেদমত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
http://islam.priyo.com/







