Saturday, April 23, 2016

খুসখুসে কাশি - men’s health



খুসখুসে কাশি

কাশি তিন সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে তাকে পুরোনো কাশি বলে। আর সঙ্গে শ্লেষ্মা না থাকলে সেটাকে খুসখুসে কাশি বলে। সাধারণত হাঁপানি, বিভিন্ন রকমের ওষুধ সেবন, পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা, শ্বাসতন্ত্রে ভাইরাসজনিত সংক্রমণ-পরবর্তী জটিলতা, সাইনাসের প্রদাহ, নাক দিয়ে দীর্ঘদিন সর্দি ঝরার পরবর্তী জটিলতা, অতিরিক্ত ধূমপান ইত্যাদি কারণে খুসখুসে কাশি হয়ে থাকে।
men's health
পুরোনো কাশির সঙ্গে রক্তমিশ্রিত শ্লেষ্মা বেরোলে সেটা যক্ষ্মা বা ফুসফুসের ক্যানসারের কারণে হতে পারে। কফ ভ্যারিয়েন্ট অ্যাজমা হলে সাধারণত একটানা দীর্ঘদিন কাশি থাকে এবং বুকে কোনো ঘড়ঘড় শব্দ পাওয়া যায় না। সাইনাসের প্রদাহের কারণে কাশি হলে সঙ্গে সাধারণত মাথাব্যথাও থাকে। এই ব্যথা ঘাড় বা শরীর সামনের দিকে ঝোঁকালে বেশি হয় এবং রাতের বেলায় তীব্র রূপ নেয়।
men's health
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে বা শুয়ে থাকলে বা বেশি পরিমাণে খাবার খেলে যদি কাশি হয়, সেটার কারণ পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা। শ্বাসতন্ত্রে ভাইরাসের আক্রমণ-পরবর্তী জটিলতার কাশিতে সাধারণত একটা সংক্রমণের ইতিহাস থাকে। এতে কাশি মৃদু হয়, যা বিরতি দিয়ে আসে, এমনকি তিন বা চার মাসও থাকতে পারে। এ ছাড়া অ্যাটিপিকাল নিউমোনিয়ার কারণে কারও দীর্ঘদিন ধরে কাশি লেগে থাকতে পারে।


পানি পানের উপকারিতার কথা সবাই জানি। সুস্থতার জন্য দৈনিক অন্তত আট গ্লাস পানি পান করা দরকার। তবে আট গ্লাস পানি পান করলেও বিশেষ করে গরমকালে, খানিকটা গরম পানি পান করাটাকে খুব সচেতনভাবেই এড়িয়ে চলি আমরা। তবে এই গরমে এক গ্লাস গরম পানি আপনার শরীরকে অনেক সুফল এনে দিতে পারে। শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে গরম পানি বেশ কাজের। এটি খুব সহজেই আপনার শরীরের জমানো চর্বিকে গলতে সাহায্য করবে। তাই প্রতিদিন সকালেই এক গ্লাস গরম পানি পান করুন। ঠাণ্ডাজনিত যেকোনো সমস্যায় এক গ্লাস গরম পানি আপনাকে দিতে পারে অসম্ভব ভালো ফলাফল। গরম পানি পান করলে আপনার শরীর গরম হবে ও তাতে ঘামের জন্ম হবে।
আর এই ঘামের মাধ্যমেই নিজের যত বিষাক্ত পদার্থ বাইরে বের করে দেবে শরীর। গরম পানি ত্বকের নষ্ট হয়ে যাওয়া লাবণ্যকেও ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। তাই এক গ্লাস গরম পানি পান করলে আপনার ত্বক থেকে থেকে খুব সহজেই বয়সের ছাপকে দূরে রাখতে পারবেন আপনি। গরম পানি পান চুলের কোষগুলোকে তাজা রাখে, চুলের গোড়াকে অনেক বেশি শক্তিশালী করে চুলকে কোমল ও পরিমাণে অনেকটা বেশি হয়ে উঠতে সাহায্য করে। এছাড়াও এর মাধ্যমে চুলের বৃদ্ধিকেও ত্বরান্বিত করতে পারেন। খাবার হজম করা, কোষ্ঠকাঠিন্য রোধসহ আরো অনেকভাবে দৈনন্দিন জীবনে আমাদের সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এক গ্লাস গরম পানি।

Monday, April 18, 2016

ভূড়ি কমাবে আদার পানি - best diet for men




ভূড়ি কমাবে আদার পানি
কোমরের মেদ কমানোর পাশাপাশি বমি বমি ভাব, পেশি ব্যথা, ডায়ারিয়া, মাইগ্রেন, বাত, কোষ্ঠকাঠিন্যসহ আরও অনেক রোগের প্রতিষেধক হিসেবে এটি কাজ করে স্বাস্থ্যকর মশলা হিসেবে পরিচিত আদা। এছাড়া ক্যান্সারের কোষ মেরে ফেলতে সাহায্য করে আদা। এটি রক্তে সুগার লেভেল হ্রাস করে রক্ত চলাচল বজায় রেখে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। তাই মেদ কমাতে পান করতে পারেন আদার পানি।
আদা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, বমি বমি ভাব দূর করে, হজমশক্তি বৃদ্ধি, ঠাণ্ডা, কফ দূর করে থাকে। শুধু তাই নয়, এটি খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। আদার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান মেদ হ্রাস করে ওজন কমাতে সাহায্য করে। এমনকি এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রেখে খাবার খাওয়ার প্রতি আগ্রহ কমিয়ে দেয়। প্রতিদিন এক কাপ করে ছয় মাস এই পানীয় পান করুন। আর পেয়ে যান কাঙ্ক্ষিত কোমর।
নিচে আদা দিয়ে কীভাবে তৈরি করবেন ডিটক্স তা আলোচনা করা হলো-
দেড় লিটার পানি চুলায় দিন, এর সঙ্গে ২ ইঞ্চি লম্বা আদা কুচি মিশিয়ে নিন। কিছুক্ষণ জ্বাল দিন। ঘন হয়ে গেলে চুলা নিভিয়ে ফেলুন। ব্যস তৈরি হয়ে গেল আদার রস। স্বাদ বৃদ্ধির জন্য এতে লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। প্রতিদিন এক কাপ করে এই আদার রস পান করুন। কমপক্ষে ছয় মাস এটি পান করুন।
সাইড এফেক্টস
বেশ কিছু ডারমাটোলজিস্ট মনে করেন হেয়ার রিমুভিং ক্রিমের বেশ কিছু সাইড এফেক্টস আছে। তাই তারা এইধরণের ক্রিম ব্যবহারের বিপক্ষে। কিন্তু একই সঙ্গে এও মানেন যে বাজারে এত ধরণের হেয়ার রিমুভাল ক্রিম পাওয়া যায় যে নারীরা না কিনে পারেন না। আপনিও যদি এইধরণের ক্রিম ব্যবহারের পক্ষে হন তবে অবশ্যই প্যাচ টেস্ট করে নিন।
আজকে রইলো হেয়ার রিমুভিং ক্রিম ঘিরে কিছু সাধারণ প্রশ্ন এবং তার উত্তর।
১) হেয়ার রিমুভিং ক্রিম কীভাবে কাজ করে?
হেয়ার রিমুভাল ক্রিমের আর এক নাম depilatories। এর মানে ত্বকে উপস্থিত প্রোটিনকে ভেঙে ফেলা। প্রোটিন স্ট্রাকচারের ব্রেকডাউন হওয়াতে সহজেই লোম উঠে আসে | কিন্তু এর ফলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। এই ধরণের ক্রিম লাগানোর ফলে স্কিন ইরিটেশন বা জ্বালাও হতে পারে।
২) হেয়ার রিমুভ্যাল ক্রিমের কি সাইড এফেক্টস আছে?
এই ধরণের ক্রিমে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল থাকে যা ত্বকে লাগানোর ফলে ত্বক জ্বলতে পারে। মুখে বা গোপন জায়গায় এই ধরণের ক্রিম না লাগানো ভালো।
৩) এই ধরণের ক্রিম যদি বেশেক্ষণ লাগিয়ে রাখা হয় তাহলে ক্ষতি হবে কি?
এই ক্রিম অনেক্ষণ লাগিয়ে রাখলে অবশ্যই ত্বকের ক্ষতি হবে। এর ফলে ইচিং‚ উইজিং‚ এবং ব্লিস্টার বেরিয়ে যেতে পারে।
৪) এর ফলে কি স্কিন ডার্কনিং হতে পারে?
এই ধরণের ক্রিম লাগালে ত্বকে জ্বালা করে। ফলে ত্বক কালো হয়ে যেতে পারে। এই ধরণের সমস্যা হলে অবশ্যই ডার্মাটোলজিস্টের কাছে যান কারণ ঘরোয়া উপায় স্কিন ডার্কেনিং সারানো যাবে না।
৫) এরফলে কি বেশি হেয়ার গ্রোথ হতে পারে?
থ্রেডিং‚ ওয়্যাকশিং‚ শেভিংয়ের মতোই হেয়ার রিম্যুভাল ক্রিম লাগালে অবশ্যই বেশি লোম বেরনোর সম্ভবনা থাকে। এছাড়াও নতুন লোম আগের থেকেও অনেক বেশি ঘন এবং গাঢ় হওয়ার সম্ভবনা বেশি।
৬) ঘন ঘন এই ক্রিম ব্যবহার করা উচিত কি?
অনেকের খুব তাড়াতাড়ি লোম বেরিয়ে যায়। কিন্তু ঘ্ণ ঘন এই ধরণের ক্রিম ব্যবহার করলে ত্বক শুষ্ক‚ কালো হয়ে যায় এবং ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এক গ্লাস দুধ
দুধ পান না করলে ভালো স্বাস্থ্য পাওয়া সম্ভব নয়। তাই প্রতিদিনের ডায়েট থেকে দুধ একদম বাদ দেয়া যাবে না। দাঁত শক্ত রাখতে হলে অবশ্যই রোজ খান এক গ্লাস দুধ। দুধ যেমন ক্যালসিয়ামের জোগান দেয়, তেমনি দাঁতের ক্ষয় থেকেও রক্ষা করে। ক্যাভিটি থেকেও দাঁতকে বাঁচায়। দুধ মানেই ক্যালসিয়ামের খনি। তাই দুধ যেমন দাঁত ভালো রাখে, তেমনি হাড়ের জন্যও উপকারী। বাড়তে থাকা শিশুদের জন্য তো বটেই, বড়দের হাড় মজবুত করতেও প্রয়োজন দুধ। তাই শিশু থেকে বুড়ো সবারই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় থাকা দরকার এক গ্লাস দুধ। দুধে শুধু ক্যালসিয়ামই থাকে না, প্রচুর পরিমাণ প্রোটিনও থাকে। আর এই প্রোটিন শরীরের পেশিকে শক্ত ও পেশির বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন ছাড়াও দুধে থাকে ভিটামিন ও নিউট্রিন। ভিটামিন ও নিউট্রিন থাকার জন্য দুধ খেলে চামড়ার উজ্জ্বলতা বাড়ে। চামড়া নরম হয়। তাই ত্বক ভালো রাখতে অবশ্যই দুধ খান। সারাদিনের কাজের চাপে আপনি কি খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন? তবে ক্লান্তি দূর করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এক গ্লাস দুধ। দুধের মধ্যে থাকা ভিটামিন, মিনারেলস ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। -

Sunday, April 17, 2016

মুখে ঘা বা ক্ষত হলে কি করবেন -best diet for men




নানা কারণে মুখে ঘা হয়। তার আছে নানা ধরনও। কৃত্রিম দাঁত, ব্রিজ ক্রাউন, ফিলিং বা দাঁতে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির আঘাত বা ঘর্ষণের কারণে মুখের ভেতর, জিব বা মাড়িতে ঘা হতে পারে। ধুমপায়ীদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় মাড়ি; এ ছাড়া সাদা ক্ষত হতে পারে মুখের ভেতর, জিব ও ঠোঁটে। অধিক অ্যালকোহল পানের কারণেও হতে পারে ক্ষত; এটা বেশি হয় চিবুকের নিচের অংশের ভেতর দিকে।
ক্যানডিডা নামের ছত্রাক সংক্রমণের কারণে মুখের ভেতর অনেকেরই ঘা দেখা দেয়। এর সাদা প্রলেপের মতো অংশ গবেষণাগারে পরীক্ষা করলে ছত্রাকের উপস্থিতি প্রমাণ করা যায়। রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে গেলে (অপুষ্টি, ডায়াবেটিস, রক্তশূন্যতা, দীর্ঘমেয়াদি রোগবালাইয়ের কারণে) এই সংক্রমণ হয়।
এসব কারণ ছাড়াও নানা জটিল রোগের কারণে মুখের ভেতর ঘা হয়। যেমন: লাইকেন প্লেনাস, লুপাস, সোরিয়াসিস ইত্যাদি। মুখের ভেতর যক্ষ্মা সংক্রমণও হতে পারে। ভিটামিনের অভাব, রাসায়নিক পদার্থের প্রভাব বা গ্রন্থির রোগের কারণে সাদাটে একটু উঁচু ক্ষত দেখা দেয়, যার নাম লিউকোপ্লেকিয়া। তবে মুখে ক্ষতের বিষয়ে সতর্কতা জরুরি। কারণ, এসব ক্ষতের কোনোটি ক্যানসারও হতে পারে।
কী করবেন?
মুখের যেকোনো ঘায়ের দ্রুত চিকিৎসা দরকার। অনেক সময় কারণ দূর করাই মূল চিকিৎসা। যেমন ঘর্ষণ বা আঘাতে কারণে ঘা হলে যে বস্তু দিয়ে ঘর্ষণ হচ্ছে, তা সরাতে হবে। ছত্রাক সংক্রমণের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ছত্রাকরোধী মলম বা তরল ব্যবহার করা হয়। ধূমপান ও তামাক-জর্দা একেবারেই বর্জন করুন। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করুন, সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খান। দীর্ঘদিন ধরে মুখের ভেতর ঘা থাকলে এবং বারবার ঘা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
মুখের ভেতর নানাবিধ দন্ত্যরোগ ছাড়াও যে সমস্যাটি অহরহ দেখা দেয় তা যায় সেটা হচ্ছে মুখের ঘা। যে কোন কারণে ঠোঁট, গলা, জিভ বা তালুতে ক্ষতের সৃষ্টি হলে তাকে মুখের ঘা বলা যেতে পারে। এই ঘা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সাময়িক ও সাধারণ হলেও দীর্ঘস্থায়ী হয়ে মারাত্মক ক্যানসারেও রূপ নিতে পারে। নানা কারণেই মুখে ঘা হতে পারে, যেমন-
জীবাণু জনিত ঘা :- আলসারেটিভ জিনজিভাইটিস রোগে মাড়িতে ক্ষত ও প্রদাহের সৃষ্টি হয়। দুই ধরণের জীবাণু এই রোগ সৃষ্টি করে। এই রোগে মাড়িতে ঘা হয়ে ব্যথা ও দুর্গন্ধ হয়। শরীরে জ্বর হয়। চোয়ালের নিচে লিমফগ্ল্যান্ড ফুলে যেতে পারে।
ছত্রাকজনিত ঘা :- এক ধরণের ছত্রাক মুখের বিভিন্ন অংশে যেমন- জিভে, গালে জমে থেকে সাদা আবরণের সৃষ্টি করে। এই আবরণ উঠে গেলে ঘা দেখা যায়। মুখ অপরিষ্কার থাকলে, মুখে পুরনো অপরিষ্কার ডেনচার থাকলে ও দীর্ঘদিন অ্যান্টিবায়টিক গ্রহণের ফলেও মুখে ছত্রাক জমতে পারে। শিশু ও বয়স্কদের এই ঘা বেশি হয়।
ভাইরাসজনিত ঘা :- ভাইরাস আক্রমণে মুখে ও ঠোঁটে ঘা হয়। সাথে ব্যথা ও জ্বর হয়। আর এক প্রকার ভাইরাসের কারণে ফোস্কা পড়ে ও ফেটে গিয়ে ঘা হয়।
আঘাতজনিত ঘা :- কোন কারণে ব্রাশ করার সময় , হাড় বা মাছের কাঁটা থেকে ঠোঁট, গলা বা জিভ কেটে গিয়ে ক্ষতের সৃষ্টি হতে পারে। এটা সহজেই সেরে যায়। আবার জীবাণু আক্রান্ত হয়ে অথবা ভাঙা দাঁত, অবিন্যস্ত দাঁতের ক্রমাগত কামড় ও ভাঙা ধারালো ডেনচার দ্বারা অব্যাহত আঘাতে ঘা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে ক্যানসারের রূপ নিতে পারে।
রাসায়নিক বা ওষুধজনিত ঘা :- অম্ল ক্ষার বা কোন বিষাক্ত পদার্থ মুখে লাগালে মুখে ঘা হতে পারে। সাদা চুন খেলে ও দাঁতে গুল ব্যবহার করলে, দীর্ঘদিন অ্যান্টিবায়টিক ব্যবহার করলে, অ্যাসপিরিন জাতীয় ট্যাবলেট দাঁতের ব্যথার জন্য মুখের কোন অংশে রেখে দিলে মুখে ঘা হতে পারে। অতি উত্তপ্ত পানীয় বা খাদ্য গ্রহনেও মুখে ঘা হতে পারে।
ভিটামিনের অভাব জনিত ঘা :- ভিটামিন বি এর অভাবে মুখে নানা ধরণের ঘা হতে পারে। কোন কোন ক্ষেত্রে জিভের ত্বক মসৃণ হয়ে যায়। ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগে মাড়িতে ঘা হয় ও রক্তক্ষরণ হয়।
অজানা কারণজনিত ঘা :- অ্যাথপস ঘা ঠোঁট, জিভ, মাড়ি ও তালুতে ছোট বড় এক বা একাধিক ব্যথাযুক্ত এই ঘা হতে পারে। এর সঠিক কোন কারণ জানা না থাকলেও কিছু কিছু বিষয় এটিকে বাড়িয়ে তোলে যেমন- কোষ্ঠকাঠিন্য, ধূমপান, দুশ্চিন্তা, অনিদ্রা ইত্যাদি। ঘায়ের উপরিভাগ সাদা ও চারপাশে লাল টকটকে হয়। সাধারণত এক সপ্তাহে এই ঘা সেরে যায়। অনেক সময় ঘা দ্রুত বেড়ে গিয়ে বড় ক্ষতের সৃষ্টি হয় এবং সারতে দেরি হয়।
ক্যানসারজনিত ঘা :- মুখ ও জিভের ক্যানসার প্রথমে মুখের ঘা রুপে দেখা দেয়। কোন কোন সাধারণ ঘা অবিরত দৈহিক ও রাসায়নিক উত্তেজনা বা আঘাতে দীর্ঘস্থায়ী হয়ে ক্যানসারে রূপ নিতে পারে। মুখের ক্যানসারের সঠিক কারণ অজানা হলেও, কিছু কিছু বিষয় যেমন অত্যাধিক চুন, সাদা মিশ্রিত পান খাওয়া, দাঁতে গুল ব্যবহার করা, অত্যাধিক ধূমপান বিশেষ করে সিগার অ অত্যাদিক মদ্যপান সিফিলস রোগ, অপুষ্টি ও সাধারণ দৌর্বল্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই ক্যানসার সৃষ্টিতে সাহায্য করে

ঘরে বসে আয় - bangladeshi newspapers



ইদানিং বাংলাদেশে খুব বেশি মাতামাতি হচ্ছে আউটসোর্সিং নিয়ে। রাতারাতি বড়লোক হবার বাহারি ও
রকমারি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মানুষকে আকৃষ্ট করার পায়তারায় মত্ত আছে একটি শ্রেনী। অনলাইনে আয় করার এইসব
বাহারি বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে প্রতারিতও হচ্ছেন অনেকে। কেউ কেউ আবার এই ক্ষেত্রটিকে সদ্য সমালোচিত এমএলএম
ব্যাবসার সাথে গুলিয়ে ফেলছেন। বাস্তবে আসলে কি ?
আউটসোর্সিং শব্দটি আমাদের দেশে যে খুব বেশি পরিচিত তা নয়, তবে অসাধু ব্যাবসায়ী আর চটকদার বিজ্ঞাপনের
কল্যাণে শব্দটি এখন মানুষের মনে নানা কৌতুহলের জন্ম দিচ্ছে, এবং ইতিমধ্যে বাংলাদেশীদের কাছে অতি পরিচিত শব্দ
হিসাবে সমাদৃত হচ্ছে। আবার কারো কারো কাছে নিন্দিত হচ্ছে। কিন্তু এমনটা হবার কথা ছিল না। এখন থেকে দশ বছর আগেও আমাদের দেশের মানুষ এই শব্দটির সাথে পরিচিত ছিল না।
তখন যে আউটসোর্সিং এর কাজ হতনা তা নয়, কিন্তু এখনকার মত ছিল না। পরিবর্তনশীল এবং প্রতিযোগীতা মূলক বিশ্বায়নের এই সময়ে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে আর্থ-সামাজিক
অস্থিরতার কারনে অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং অব্যবস্থাপনার কারনে বেকার সমস্যা ক্রমেই বাড়ছে। বাংলাদেশও এই পরিস্থিতির স্বীকার। যার ফলে বেকার যুবকদের পাশাপাশি স্বল্প আয়ের
মানুষ জীবনের প্রয়োজনে বিকল্প আয়ের পথ খুজছে। এই সুযোগে আউটসোর্সিং শব্দটি বাংলাদেশের মানুষের মাঝে দ্রুত প্রসার লাভ করছে, এবং হয়তো ভবিষ্যতে আরও করবে।
কিন্তু আসলে কি এই ব্যবস্থার(আউটসোর্সিং) মাধ্যমে এইসকল সমস্যার সমাধান সম্ভব ? এর সঠিক উত্তর হল পুরোপুরি না হলেও অনেকাংশেই সম্ভব। তবে এর পেছনে অনেকগুলি কিন্তু জড়িত !!
যেমন আমাদের দেশে এখন হর হামেশাই শোনা যায় একটি কথা, সহজ উপায়ে অনলাইনে আয়। আমার কথা হল, এত সহজে যদি অনলাইনে কাড়ি কাড়ি ডলার/টাকা কামানো যেত
তাহলে পৃথিবী কোটি কোটি মানুষ স্রেফ টাকা উপার্যনের জন্য দিন রাত খাটা খাটুনি বন্ধ করে একখানা কম্পিউটার আর অনলাইন কানেকশন নিয়ে যার যার ঘরে বসে যেত, আর ডলার আয় করত।
কিন্তু বাস্তব চিত্রটা একটু ভিন্ন। আসলে আপনার যদি দক্ষতা থাকে তাহলে আউটসোর্সিং কেন অন্য যেকোন সেক্টরে আপনি সফল হতে পারেন। আউটসোর্সিংএর ভিন্নতাটুকু হল, এখানে কাজ
করা এবং কাজ পাবার স্বাধীনতাটুকু আছে যা আপনি অন্য পেশায় পাবেন না। আর একটা পার্থক্য হল আপনার পরিশ্রমের সঠিক মূল্যায়ন এখানে পাবেন এবং তার জন্য উপযুক্ত সম্মানী পাবেন,
অন্যান্য পেশায় যার জন্য প্রতিনিয়ত কর্তা ব্যাক্তিদের সাথে কর্মকর্তাদের মন কাষাকষি লেগেই থাকে, যা আউটসোর্সিং এ নেই। এক কথায় আউটসোর্সিং হল সঠিক কাজ করে সহজ
উপায়ে আয় করার একটি কঠিন মাধ্যম। যেখানে সফল হতে হলে আপনাকে প্রথমেই দক্ষতা অর্জন করতে হবে, এবং কাজ করার জন্য সঠিক প্লাটফর্মে আসতে হবে।
এবার জেনে নেই আউটসোর্সিং কি ? আউটসোর্সিং তথা ফ্রিল্যান্সিং শব্দের মূল অর্থ হল মুক্ত পেশা। অর্থাৎ মুক্তভাবে কাজ করে আয় করার পেশা। আর একটু সহজ ভাবে বললে, ইন্টারনেটের
ব্যাবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের কাজ করিয়ে নেয়। নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে এসব কাজ করানোকে আউটসোর্সিং বলে। যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ
করে দেন, তাঁদের ফ্রিল্যান্সার বলে।
এখন এই কাজগুলি কি ? আউটসোর্সিং সাইট বা অনলাইন মার্কেট প্লেসে কাজগুলো বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা থাকে। যেমন: ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, নেটওয়ার্কিং ও
তথ্যব্যবস্থা (ইনফরমেশন সিস্টেম), লেখা ও অনুবাদ, প্রশাসনিক সহায়তা, ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া, গ্রাহকসেবা (Customer Service), বিক্রয় ও বিপণন, ব্যবসাসেবা ইত্যাদি। এইসকল
কাজগুলি ইন্টারনেট ব্যাবস্থার মাধ্যমে করে দিতে পারলেই অনলাইনে আয় করা সম্ভব। এছাড়াও আরও বিভিন্ন ধরনের উন্নত ধরনের কাজ করারও ব্যাবস্থা আছে আউটসোর্সিং জগতে। কিন্তু
আমাদের দেশের কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে নানা পদ্ধতির মাধ্যমে আউটসোর্সিং করে আয় করার সহজ উপায়ের নামে মানুষকে ধোকা দিচ্ছে। বাস্তবে উপরে উল্লিখিত
কাজগুলো অথবা এইরকম কারিগরি কাজে দক্ষতা থাকলেই কেবল আউটসোর্সিং জগতে ভাল আয় করা সম্ভব। কোনপ্রকার দক্ষতা ছাড়া এবং আউটসোর্সিং সম্পর্কে ভাল
জানাশোনা না থাকলে ধোকা খাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নাই। তাই আগে কাজ করার জন্য নিজেকে তৈরী করেন, তারপর এই পেশায় আসুন। ছোট্র করে বলে রাখি, আপনি যে কাজই জানেন,
তা যদি মানুষের কাজে আসতে পারে বলে আপনার মনে হয়, মনে রাখবেন অনলাইনের মাধ্যমে এই কাজটুকু করেই আপনি আয় করতে পারেন। শুধু দরকার সঠিক দিক নির্দেশনা, এবং যে কাজটুকু
করবেন তা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা।
ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ অনেকেই করছেন, আবার অনেকে নতুন করে শুরু করতে যাচ্ছেন। অনলাইনে সহজে আউটসোর্সিংয়ের কাজ পেতে কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই চলে। নিচে সে রকম কিছু কৌশল দেওয়া হলো।
 অনেকেই যাঁরা চার-পাঁচটা কাজের (জব) জন্য আবেদন করেই জব (কাজ) পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ ১০০টা আবেদন করেও জব পান না। এটা নির্ভর করে আপনি কত কম মূল্যে (রেটে) আবেদন করেছেন তার ওপর।
 যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড না সেসব  বায়ারের জবে আবেদন করবেন না। কারণ, কোনো কনট্রাক্টরকে (ফ্রিল্যান্সার) ভাড়া বা হায়ার করতে হলে তার পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড থাকতে হয়।
 কোনো একটা জব পোস্ট করার পর যত তাড়াতাড়ি সেটিতে আবেদন করবেন ততই ভালো।
আপনি যত বেশি সময় অনলাইনে (ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে) থাকবেন ততই আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ কিছু কিছু কাজ আছে, যেগুলো পোস্ট করার এক-দুই ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন করে জমা দিতে হয়। যেমন ফেসবুকে বা অন্য কোনো সাইটে ভোট দেওয়া এবং কিছু ভোট সংগ্রহ করে দেওয়া; আবার হঠাৎ করে কোনো ওয়েবসাইটে সমস্যা হয়েছে তা ঠিক করে দেওয়া ইত্যাদি। কাজেই শুরুতে বেশি সময় অনলাইনে থাকার চেষ্টা করুন। যাতে বায়ার আপনাকে কোনো বার্তা পাঠালে সঙ্গে সঙ্গে তার প্রত্যুত্তর দিতে পারেন।
 মার্কেটপ্লেসগুলোতে দেখবেন প্রতি মিনিটে নতুন নতুন জব পোস্ট করা হচ্ছে, সেগুলোতে আবেদন করুন। যেসব জবে কোনো কনট্রাক্টরের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, সেসবে আবেদন না করাই ভালো। কারণ বায়ার যদি এদের মধ্য পছন্দের কনট্রাক্টর পেয়ে যায় তাহলে আর অন্য কনট্রাক্টরের প্রোফাইল চেক করে দেখবে না।
 যেসব জবে শর্ত দেওয়া আছে এবং সেগুলো যদি আপনি পূরণ করতে না পারেন তাহলে আবেদন না করাই ভালো।
 যাঁরা ওডেস্কে দুই-তিনটা কাজ করেছেন, এখন বেশি মূল্য হারে আবেদন করতে চান, তাঁরা যে জবটিতে আবেদন করবেন সে জবের নিচে দেখুন বায়ারের আগের জবগুলোর তালিকা দেওয়া আছে। সেখানে যদি দেখেন বায়ার তাঁর আগের জবগুলোতে বেশি ডলার দিয়ে অন্য কনট্রাক্টরকে কাজ করিয়েছেন, তাহলে আবেদন করতে পারেন। আর যেসব বায়ার আগের জবগুলোতে বেশি ডলারে কাজ করায়নি, তাদের জবে বেশি রেটে আবেদন না করাই ভালো।
ইন্টারনেটে কোনো কাজ করতে হলে অবশ্যই কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের বেসিক ব্যবহার জানা অত্যাবশ্যক। কম্পিউটারের বেসিক হিসেবে আপনাকে জানতে হবে এমএসওয়ার্ড, এমএসএক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট ইত্যাদি আর ইন্টারনেটে কিভাবে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পেতে হয়, মেইলিং এবং ওয়েবসাইট ন্যাভিগেশন সম্পর্কেও জানতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে আরও একটা গুরুত্বপূর্ন বিষয় হচ্ছে কমিউনিকেশন। এর জন্য ইংরেজিতে দক্ষতাটাও দরকার। ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে কাজ শুরু করতে চাইলেই সংশ্লিষ্ঠ বিষয়ে দক্ষতার প্রয়োজন সর্ব প্রথম, তবেই ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ করা সম্ভব। এজন্য আপনাকে প্রশিক্ষণ নিতে হবে। আর প্রশিক্ষণ নেওয়া আগে আপনাকে জানতে হবে কোন কোন কাজ অনলাইনে পাওয়া যায়, সেগুলো থেকে আপনাকে আপনার যোগ্যতা ও পছন্দ ফিল্ড বেঁছে নিতে হবে, কি কি জানতে হবে, ঐ ফিল্ডের ভবিষ্যৎ কি! মোটামুটি পরিশ্রমী হলে আপনি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অথবা ইমেইল মার্কেটিং কোর্স করতে পারেন। আর ইংরেজিতে যদি খুব ভালো হন তাহলে ব্লগিং ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। আপনার যদি আঁকাআঁকি ভালো লাগে/ক্রিয়েটিভিটি থাকে তাহলে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে পারেন। আবার আপনার যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনের বেসিক নলেজ থাকে তাহলে আপনি ওয়েব ডিজাইন শিখতে পারেন। এছাড়াও আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং সিএমএস ভিত্তিক কোর্স ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট শিখতে পারেন।

ali