Monday, April 18, 2016

ভূড়ি কমাবে আদার পানি - best diet for men




ভূড়ি কমাবে আদার পানি
কোমরের মেদ কমানোর পাশাপাশি বমি বমি ভাব, পেশি ব্যথা, ডায়ারিয়া, মাইগ্রেন, বাত, কোষ্ঠকাঠিন্যসহ আরও অনেক রোগের প্রতিষেধক হিসেবে এটি কাজ করে স্বাস্থ্যকর মশলা হিসেবে পরিচিত আদা। এছাড়া ক্যান্সারের কোষ মেরে ফেলতে সাহায্য করে আদা। এটি রক্তে সুগার লেভেল হ্রাস করে রক্ত চলাচল বজায় রেখে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। তাই মেদ কমাতে পান করতে পারেন আদার পানি।
আদা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, বমি বমি ভাব দূর করে, হজমশক্তি বৃদ্ধি, ঠাণ্ডা, কফ দূর করে থাকে। শুধু তাই নয়, এটি খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। আদার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান মেদ হ্রাস করে ওজন কমাতে সাহায্য করে। এমনকি এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রেখে খাবার খাওয়ার প্রতি আগ্রহ কমিয়ে দেয়। প্রতিদিন এক কাপ করে ছয় মাস এই পানীয় পান করুন। আর পেয়ে যান কাঙ্ক্ষিত কোমর।
নিচে আদা দিয়ে কীভাবে তৈরি করবেন ডিটক্স তা আলোচনা করা হলো-
দেড় লিটার পানি চুলায় দিন, এর সঙ্গে ২ ইঞ্চি লম্বা আদা কুচি মিশিয়ে নিন। কিছুক্ষণ জ্বাল দিন। ঘন হয়ে গেলে চুলা নিভিয়ে ফেলুন। ব্যস তৈরি হয়ে গেল আদার রস। স্বাদ বৃদ্ধির জন্য এতে লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। প্রতিদিন এক কাপ করে এই আদার রস পান করুন। কমপক্ষে ছয় মাস এটি পান করুন।
সাইড এফেক্টস
বেশ কিছু ডারমাটোলজিস্ট মনে করেন হেয়ার রিমুভিং ক্রিমের বেশ কিছু সাইড এফেক্টস আছে। তাই তারা এইধরণের ক্রিম ব্যবহারের বিপক্ষে। কিন্তু একই সঙ্গে এও মানেন যে বাজারে এত ধরণের হেয়ার রিমুভাল ক্রিম পাওয়া যায় যে নারীরা না কিনে পারেন না। আপনিও যদি এইধরণের ক্রিম ব্যবহারের পক্ষে হন তবে অবশ্যই প্যাচ টেস্ট করে নিন।
আজকে রইলো হেয়ার রিমুভিং ক্রিম ঘিরে কিছু সাধারণ প্রশ্ন এবং তার উত্তর।
১) হেয়ার রিমুভিং ক্রিম কীভাবে কাজ করে?
হেয়ার রিমুভাল ক্রিমের আর এক নাম depilatories। এর মানে ত্বকে উপস্থিত প্রোটিনকে ভেঙে ফেলা। প্রোটিন স্ট্রাকচারের ব্রেকডাউন হওয়াতে সহজেই লোম উঠে আসে | কিন্তু এর ফলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। এই ধরণের ক্রিম লাগানোর ফলে স্কিন ইরিটেশন বা জ্বালাও হতে পারে।
২) হেয়ার রিমুভ্যাল ক্রিমের কি সাইড এফেক্টস আছে?
এই ধরণের ক্রিমে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল থাকে যা ত্বকে লাগানোর ফলে ত্বক জ্বলতে পারে। মুখে বা গোপন জায়গায় এই ধরণের ক্রিম না লাগানো ভালো।
৩) এই ধরণের ক্রিম যদি বেশেক্ষণ লাগিয়ে রাখা হয় তাহলে ক্ষতি হবে কি?
এই ক্রিম অনেক্ষণ লাগিয়ে রাখলে অবশ্যই ত্বকের ক্ষতি হবে। এর ফলে ইচিং‚ উইজিং‚ এবং ব্লিস্টার বেরিয়ে যেতে পারে।
৪) এর ফলে কি স্কিন ডার্কনিং হতে পারে?
এই ধরণের ক্রিম লাগালে ত্বকে জ্বালা করে। ফলে ত্বক কালো হয়ে যেতে পারে। এই ধরণের সমস্যা হলে অবশ্যই ডার্মাটোলজিস্টের কাছে যান কারণ ঘরোয়া উপায় স্কিন ডার্কেনিং সারানো যাবে না।
৫) এরফলে কি বেশি হেয়ার গ্রোথ হতে পারে?
থ্রেডিং‚ ওয়্যাকশিং‚ শেভিংয়ের মতোই হেয়ার রিম্যুভাল ক্রিম লাগালে অবশ্যই বেশি লোম বেরনোর সম্ভবনা থাকে। এছাড়াও নতুন লোম আগের থেকেও অনেক বেশি ঘন এবং গাঢ় হওয়ার সম্ভবনা বেশি।
৬) ঘন ঘন এই ক্রিম ব্যবহার করা উচিত কি?
অনেকের খুব তাড়াতাড়ি লোম বেরিয়ে যায়। কিন্তু ঘ্ণ ঘন এই ধরণের ক্রিম ব্যবহার করলে ত্বক শুষ্ক‚ কালো হয়ে যায় এবং ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এক গ্লাস দুধ
দুধ পান না করলে ভালো স্বাস্থ্য পাওয়া সম্ভব নয়। তাই প্রতিদিনের ডায়েট থেকে দুধ একদম বাদ দেয়া যাবে না। দাঁত শক্ত রাখতে হলে অবশ্যই রোজ খান এক গ্লাস দুধ। দুধ যেমন ক্যালসিয়ামের জোগান দেয়, তেমনি দাঁতের ক্ষয় থেকেও রক্ষা করে। ক্যাভিটি থেকেও দাঁতকে বাঁচায়। দুধ মানেই ক্যালসিয়ামের খনি। তাই দুধ যেমন দাঁত ভালো রাখে, তেমনি হাড়ের জন্যও উপকারী। বাড়তে থাকা শিশুদের জন্য তো বটেই, বড়দের হাড় মজবুত করতেও প্রয়োজন দুধ। তাই শিশু থেকে বুড়ো সবারই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় থাকা দরকার এক গ্লাস দুধ। দুধে শুধু ক্যালসিয়ামই থাকে না, প্রচুর পরিমাণ প্রোটিনও থাকে। আর এই প্রোটিন শরীরের পেশিকে শক্ত ও পেশির বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন ছাড়াও দুধে থাকে ভিটামিন ও নিউট্রিন। ভিটামিন ও নিউট্রিন থাকার জন্য দুধ খেলে চামড়ার উজ্জ্বলতা বাড়ে। চামড়া নরম হয়। তাই ত্বক ভালো রাখতে অবশ্যই দুধ খান। সারাদিনের কাজের চাপে আপনি কি খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন? তবে ক্লান্তি দূর করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এক গ্লাস দুধ। দুধের মধ্যে থাকা ভিটামিন, মিনারেলস ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। -

No comments:

Post a Comment

ali