Friday, February 5, 2016

ঘুমের ক্ষতি করে না এরকম ফোন ও ট্যাবলেট তৈরি হচ্ছে




স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ঘুম নষ্ট করে না এরকম ডিভাইস তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।
বিশ্বের বৃহত্তম এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে তাদের ডিভাইসগুলো খুব বেশি উজ্জ্বল আলো ছড়ায়।
এগুলো থেকে নীল রঙের এরকম এক আলো বিচ্ছুরিত হয় যা মানুষের ঘুমানোর ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
অ্যাপল ও আমাজন এই দুটো প্রতিষ্ঠানই সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে তারা এমন ফোন ও ট্যাবলেট তৈরি করবে যাতে নিদ্রার কোনো সমস্যা হবে না।
এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসকরা।
ব্রিটেনের চিকিৎসক প্রফেসর পল গ্রিনগ্রাস বলেছেন, এই উদ্যোগ আসলেই চমৎকার।


বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষের ঘুমের জন্যে শরীরিক একটি প্রক্রিয়া আছে। আর সেটি হচ্ছে, রাত বাড়ার সাথে সাথে শরীরের ভেতরে ঘুমের জন্যে দায়ী মেলাটনিন হরমোনের নিঃসরণ শুরু হতে থাকে।
তবে ট্যাবলেট আর স্মার্টফোন থেকে নীল ও সবুজ আলো নিঃসৃত হয় সেটা শরীরের ভেতরে ওই হরমোন উৎপাদনে বাধার সৃষ্টি করে।
এর ফলে ঘুমের ক্ষতি হয়।
প্রফেসর গ্রিনগাস গবেষণা করে দেখিয়েছেন, নতুন প্রজন্মের যেসব স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট বাজারে আসছে সেগুলো একটার চেয়ে আরেকটা বেশি উজ্জ্বল।
ব্যবহারের সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছে
গবেষণায় দেখা গেছে, এই আলোর কারণে ঘুমাতে দেরি হয়, ঘুম গভীর হয় না বা পাতলা ঘুম হয় এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর নিজেকে খুব ক্লান্ত মনে হয়।
ফোন কোম্পানিগুলো এসব গবেষণাকে এতোদিন খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি। এগুলো এড়িয়ে চলতো কিন্তু এখন ভোক্তাদের দিক থেকে তারা চাপে পড়েছে, বলছেন বিজ্ঞানীরা।
অনেকে কোম্পানির মধ্যে এই ভীতিও তৈরি হয়েছে যে এই অভিযোগে কেউ তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে দিতে পারে।

একারণে অ্যাপল ঘোষণা করেছে, তারা তাদের পরবর্তী জেনারেশনে ‘নাইট শিফট’ অপশন চালু করবে।
কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, এর ফলে ঘুমের কোনো সমস্যা হবে না।
দিনের কোন সময়ে আপনি ফোন ব্যবহার করছেন সে অনুযায়ীয় ডিভাইসটি আলো ছড়াবে।
আমাজন এই অসুবিধার কথা ইতোমধ্যে স্বীকারও করে নিয়েছে। এজন্য তারা তাদের ট্যাবলেটে ‘ব্লু শেড’ অপশন যোগ করছে।
http://www.bbc.com/bengali/news/2016

আপনার ইশারায় চলবে হুইলচেয়ার!




এতদিন আপনারা সচরাচর কি দেখেছেন? হুইল চেয়ারে জখন কোন রোগী থাকে তখন তাকে আরেকজন ঠেলে নিয়ে যায় বা নতুন প্রযুক্তির চেয়ার একটি কন্ট্রোলারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় ব্যাটারি চালিত কারের মতো চলতে পারে, তবে এখন যে চেয়ারটির কথা আপনি শুনবেন সেটি শুনে রীতিমত অবাক হয়ে যাবেন।

একেবারে নতুন প্রযুক্তির চেয়ারটি বলতে গেলে আপনার চোখের ইশারায় চলবে। অর্থাৎ আপনি যেদিকে যেতে চাইবেন সেদিকেই যাবে কোনরকম কন্ট্রোলার বা দ্বিতীয় কোন ব্যক্তির সাহায্য ছাড়াই।
নিউজিল্যান্ডে বিশিষ্ট ইঞ্জিনিয়ার কেভিন হালসাল তৈরি করে দেখিয়েছে নতুন এই হুইল চেয়ার। তবে তাকে আবার কেউ এমন প্যারালাইসিস রোগী মনে করবেন না যেন। তিনি আপনার আমার মতন একেবারে সুস্থ একটি মানুষ।
নতুন এই হুইল চেয়ারের নাম দেয়া হয়েছে ওগো এবং এটি একবার চার্জ দিলে সর্বচ্চ ১৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে সক্ষম। আপনি চাইলে ওগো হুইল চেয়ারটি সর্বচ্চ ২০ কিলোমিটার বেগে চালাতে পারবেন।
বর্তমানের ওগো চেয়ার ব্যবহার করে আপনি খেলাধুলা সহ আরও বিভিন্ন কাজ করতে পারবেন।
উদ্যোক্তা কেভিন সর্বপ্রথম ২০০৮ সালের দিকে ওগো নিয়ে কাজ শুরু করে যখন তার এক বন্ধু একটি দুর্ঘটনায় তার দুটি পায়ের শক্তি হারিয়ে ফেলে। আর কেভিনের তৈরি প্রথম হুইল চেয়ারটি প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায় ২০১১ সালে। পরবর্তীতে আরও সংযোজনের ফলে সবার সামনে হাজির হয় নতুন ওগো হুইল চেয়ার যেটি আপনারা ইশারায় চলতে সক্ষম।
http://www.bigganprojukti.com/post-id/67101

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে বাড়ছে লেনদেন, চলছে প্রতারণা



মুহূর্তেই টাকা পাঠানো ও তোলার সুবিধা দিচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং। ফলে দিন যত গড়াচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের জনপ্রিয়তাও তুঙ্গে উঠছে। বাড়ছে লেনদেনের পরিমাণও। এর মাধ্যমে এখন দৈনিক গড় লেনদেন হচ্ছে প্রায় সাড়ে পাঁচশ’ কোটি টাকা। তবে এ জনপ্রিয়তার সুযোগ নিচ্ছে প্রতারক চক্র। এই প্রযুক্তির সুযোগ নিয়ে তারা হরহামেশাই ঘটাচ্ছে নানা প্রতারণার ঘটনা। ছোট-খাট প্রতারণা থেকে শুরু করে মাদক ও মানব পাচারের অর্থের লেনদেনও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের পক্ষ থেকে প্রতারণা ঠেকাতে নেয়া উদ্যোগ পুরোপুরি কাজে আসছে না। ফলে প্রতারণার ঘেরাটোপ থেকে বের হতে পারছে না এ খাত।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, সুবিধাবঞ্চিতদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে ২০১০ সালে মোবাইল ব্যাংকিং চালুর অনুমতি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকগুলো বিভিন্ন মোবাইল ফোন অপারেটরের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে এ সেবা দিচ্ছে। ডাচ্-বাংলা ব্যাংক প্রথম এ সেবা চালু করলেও এখন সবচেয়ে এগিয়ে আছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বিকাশ। বর্তমানে ১৮টি ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা থাকলেও মোট লেনদেনের ৫৫ দশমিক ১১ শতাংশ হয় বিকাশের মাধ্যমে। আর ডাচ-বাংলার ৩৮ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং অন্যান্য ব্যাংকের সর্বমোট ৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ মার্কেট শেয়ার রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বিকাশ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর বলেন, সাধারণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের  কারণে মোবাইল ব্যাংকিং এর গ্রাহক সংখ্যা ও লেনদেন যেমন বেড়েছে তেমনি বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালার ধারাবাহিকতা এবং কঠোর নজরদারির কারণে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের প্রবৃদ্ধিও একটি শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়েছে।

এক হিসাবে দেখা গেছে, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৬শ’-৭শ’ টাকা থেকে শুরু করে  পাঁচ হাজার টাকার লেনদেনই বেশি? সাধারণত যারা অল্প আয়ের মানুষ এবং যারা ব্যাংকে গিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলার মতো দক্ষ নন, তাদের একটি বড় অংশ এ ব্যাংকিং সেবার দিকে ঝুঁকছেন? এতে একবারে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা লেনদেন করা যায়? তবে কেউ চাইলে একাধিক এজেন্ট বা অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আরো অনেক বেশি টাকা লেনদেন করতে পারেন? তবে এই লেনদেনের তেমন কোনো তথ্য থাকে না? এজেন্টের মাধ্যমে করলে যার কাছে টাকা পাঠান হয়, তার মোবাইল নম্বর ছাড়া আর কোনো তথ্যই থাকে না। আর সেটার সুযোগ নিয়েই মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে অবৈধ কাজে টাকা ব্যবহার হচ্ছে। ভুয়া মেসেজের মাধ্যমে এজেন্টরা যেমন টাকা দিয়ে প্রতারিত হচ্ছেন, তেমনি গ্রাহকের টাকাও তুলে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে ভূরি ভূরি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তুলনামূলকভাবে যারা অসচেতন তাদেরকে ভুল বুঝিয়ে প্রতারণার ঘটনা ঘটছে। মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে অন্যের টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্য বড় ধরনের সিন্ডিকেট চক্র সক্রিয় রয়েছে। অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও দক্ষ কায়দায় তারা দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের টাকা লুফে নিচ্ছে। তাদের প্রতারণার শিকার হয়েছেন অবসরে যাওয়া সরকারি চাকরিজীবী, সেনা কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর থেকে শুরু করে সুশীল সমাজের সদস্যরা পর্যন্ত ।

আইন-শৃংখলা বাহিনীর কাছে আসা অভিযোগে দেখা গেছে, বিভিন্ন ধরনের অপরাধে মোবাইল ব্যাংকিং-এর সহায়তা নেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে, নোবেল লরিয়েটের সঙ্গে ডিনার প্রোগ্রাম, সুলভমূল্যে ফ্ল্যাট-প্লট প্রদান ও জিনের বাদশার কথা বলে অর্থ আদায়, অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়, মানবপাচার, চুরি, হ্যাকিং, ন্যাশনাল আইডি কার্ড জালিয়াতি, সিএনজি ও অটোরিকশা ছিনতাই প্রভৃতি। এ সব ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৩শ’ টাকা থেকে সর্বোচ্চ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়।

এদিকে অর্থমন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এক প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্দেহজনক লেনদেন আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এ মাধ্যমেই মানবপাচার থেকে শুরু করে ড্রাগ ব্যবসায়ে অর্থায়ন হচ্ছে। এমন পরিপ্রেক্ষিতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ওপর সরকার কঠোর নজরদারি আরোপ করতে যাচ্ছে। এর আওতায় দেশের চারটি উপজেলায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কী পরিমাণ অর্থ লেনদেন হচ্ছে, তার তথ্য জরুরি ভিত্তিতে জানতে চাওয়া হয়েছে। এই উপজেলাগুলো হলো কক্সবাজার সদর, টেকনাফ, উখিয়া ও মহেশখালী। শুধু অর্থের লেনদেনই নয়, কোন্ কোন্ নম্বরে, কার কাছে কী পরিমাণ অর্থ লেনদেন করা হয়েছে বা হচ্ছে, তা-ও সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংককে এ ব্যাপারে অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান ইতোমধ্যে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে নানা পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন সংবাদ মাধ্যমকে? তিনি বলেছেন, মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থা বাংলাদেশে বিকশিত হচ্ছে। তাই একদিনে সব ঠিক হয়ে যাবে না। আমরা ব্যাংকগুলোকে বলছি প্রতিনিয়ত তদারকি করতে।

নামে-বেনামে অ্যাকাউন্ট: নিয়ম অনুযায়ী শুধু মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট রয়েছে এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এ মাধ্যমে লেনদেন করবে। তবে বেশিরভাগ এজেন্ট এ নিয়ম না মেনে নামে-বেনামে অ্যাকাউন্ট খুলে টাকা পাঠায়। এর ফলে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে ঘুষ-দুর্নীতিসহ অবৈধ লেনদেন বাড়ছে। কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার আলোকে এ ধরনের কয়েক লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয় বিভিন্ন এজেন্ট। বাতিল করা হয় অনেকের এজেন্টশিপও। পরে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ব্যবহারে অপরাধমূলক লেনদেনে ঝুঁকি কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এর মধ্যে রয়েছে— গড়মিল তথ্য দিয়ে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা যাবে না। এতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের হিসাবের কেওয়াইসি (গ্রাহকের পরিচিতি) ফরমে দেয়া তথ্যের সঙ্গে মোবাইল সিম নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে সঙ্গতি থাকতে হবে। এছাড়া ঝুঁকি কমাতে পাঁচ হাজার টাকা বা তার বেশি অঙ্কের লেনদেনে গ্রাহকের ছবি তুলে সংরক্ষণ করতে হবে। তবে অন্যান্য নির্দেশনা ঠিক থাকলেও গ্রাহকের ছবি তোলার নির্দেশনা পরবর্তীতে শিথিল করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এদিকে একই নির্দেশনায় বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা গ্রহণের হিসাব খুলতে সংশ্লিষ্ট এজেন্টকে সিম নিবন্ধন বা পুনঃনিবন্ধনের প্রমাণ কপি জমা দিতে হবে, যা এজেন্ট কর্তৃক সংরক্ষণ করা হবে। তবে সে নির্দেশনাও পুরোপুরি পালন হয়নি। এখন বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে গ্রাহকের আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে সিম পুনঃনিবন্ধন ও নতুন সিম কেনার যে নির্দেশনা বিটিআরসি দিয়েছে তাও এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে যেসব মোবাইল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রতারণা হচ্ছে তার প্রায় সবই ভুয়া। সম্প্রতি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট দিয়ে প্রতারণা হয়, তার ৯৯ ভাগ ক্ষেত্রে ভুয়া পরিচয়পত্র ব্যবহার হয়েছে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ব্যাংকগুলোকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ডাটাবেজে প্রবেশাধিকার দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে। যাতে নতুন মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি পুরনো অ্যাকাউন্টগুলোও পুনরায় যাচাই করা যায়। সবগুলো ব্যাংক এ প্রবেশাধিকার পেলে প্রতারণা অনেক কমে আসবে।

নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন) সৈয়দ মোহাম্মদ মুসা ইত্তেফাককে বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা ২২টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র ডাটাবেজ ব্যবহারের জন্য চুক্তি করেছি। এর মধ্যে পাঁচটি সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ছয়টি মোবাইল অপারেটর রয়েছে। এছাড়া ১১টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাই দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে একটা বড় অংশ এখনো এর বাইরে রয়েছে। এতে প্রতারকরা এখনো প্রতারণার সুযোগ পাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা এ বিষয়ে বলেন, ব্যাংকগুলো অনলাইন ডাটাবেজ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করতে না পারায় এবং অনেক ক্ষেত্রে মোবাইলের সিম ভুয়া রেজিস্ট্রেশনের কারণে মিথ্যা পরিচয়ে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট খোলা সম্ভব হয়। তবে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম রেজিস্ট্রেশন কাজ শেষ হলে ভুয়া সিমগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। আর প্রত্যেকটা ব্যাংক জাতীয় পরিচয়পত্রের ডাটাবেজে প্রবেশাধিকার পেলে সকল অ্যাকাউন্টই যাচাই করা যাবে। এভাবে ধীরে ধীরে প্রতারণা কমে যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগের (পিএসডি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী (ডিসেম্বর পর্যন্ত), দেশে বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৩ কোটি ১৮ লাখ ৪৫ হাজার অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। তবে এসব অ্যাকাউন্টের মধ্যে চালু রয়েছে এক কোটি ৩২ লাখ। ২০১৫ সাল শেষে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৩৭ কোটি টাকা। এক বছর আগে যা ৩৪৯ কোটি টাকা ছিল। এক বছরে লেনদেন বেড়েছে ৫৪ শতাংশ। এছাড়া সারাদেশে ২০১৫ সাল শেষে ব্যাংকগুলোর মনোনীত মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্ট রয়েছে পাঁচ লাখ ৬১ হাজার।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে প্রতারণার বিষয়ে ব্যাংকার এবং অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কোনো ব্যবস্থাকেই সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত রাখা কঠিন। তবে প্রতারণার মাত্রা ও পরিমাণ কতটা নিচে রাখা যায় সেটাই বড় বিষয়। প্রতারক চক্র যাতে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে প্রতারণা করতে না পারে সেজন্য ব্যাংকগুলোর নজরদারির পাশাপাশি এজেন্টদের সচেতন থাকতে হবে বলেও তারা জানান।
 www.ittefaq.com.bd

মোটরসাইকেল চুরি ঠেকাতে মোবাইল-প্রযুক্তি




মোটরসাইকেল চুরি নিয়ে ঝক্কি ঝামেলার দিন শেষ। মোটরসাইকেল চুরি ঠেকাতে নতুন মোবাইল-প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন গবেষকেরা। কেউ মোটরসাইকেল স্পর্শ করলেই সতর্ক বার্ত এবং চুরি হওয়া মোটরসাইকেলের সব তথ্য ফোনে পায়ে যাবেন প্রকৃত মালিক।
এবার যুক্তরাষ্ট্রের অটোমোবাইল বিশেষজ্ঞরা মোটরসাইকেল চুরি রোধে ‘কোর’ নামের নতুন একটি প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন। এমনই তথ্য জানিয়েছে আইএএনএস।
গবেষেকেদের দাবি, তাঁদের এই পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে মোটর সাইকেল চুরি করতে গেলে বা কেউ মোটর সাইকেল স্পর্শ করলেই সাথে সাথেই প্রকৃত মালিক তার মোবাইল ফোনে বার্তা পেয়ে যাবেন।
স্করপিও সাউন্ডস তৈরি করেছে ‘কোর সিস্টেম’, যা অ্যান্ড্রয়েড বা আইওএসচালিত মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই বার্তা পৌঁছে দিতে সক্ষম।
এই পদ্ধতিতে বাইকের সঙ্গে একটি বিশেষ মডিউল সেট করে রাখতে হয় যা ব্যাটারি থেকে শক্তি সংগ্রহ করে। এটি গাড়ির চার্জ স্ট্যাটাস মনিটর করে এবং বার্তা পাঠায়। গাড়ি যদি চুরি হয় তখন দ্রুত এই মডিউলটি স্বয়ংক্রিয় ইমারজেন্সি মোডে চলে গিয়ে একটি পিন কোড তৈরি করে এবং গাড়ির অবস্থান জানাতে পারে। বাইকের ব্যাটারি সরিয়ে ফেলা হলেও ‘কোর’ সিস্টেমটি ব্যাকআপ পাওয়ার ব্যবহার করে তথ্য পাঠাতে পারে।

Thursday, February 4, 2016

একটু চেষ্টা করলেই টাকা বেঁচে যায়




টাকা বাঁচিয়ে চলা  যতই অপ্রিয়  হোক না কেন মাস শেষে যখন পকেটে কিছু বাড়তি পয়সা থাকে তখন কার না ভালো লাগে?  চলুন দেখে নেই টাকা বাঁচানোর কিছু স্মার্ট টিপস :                                      
১. মাসিক বাজেট : টাকা বাঁচানোর  প্রথম কথা হলো আপনি ব্যবসায়ী, চাকরিজীবি  বা  ছাত্র/ছাত্রী  যাই হোন  না কেন আপনার এক মাসের যাবতীয় খরচের একটি আনুমানিক বাজেট মাসের শুরুতেই করে নেয়া। সম্পূর্ণ পরিকল্পনা মাফিক হয়ত খরচ হবে না, তবু আপনি বাজে খরচের মাত্রা সীমিত রাখতে পারবেন বা সব টাকা শেষ করে ফেলে হাত খালি হয়ে যাবে না।
২. ক্রেডিট কার্ড নয়, ক্যাশ  বহন  করুন : আপনার সাথে ক্রেডিট কার্ড থাকলে স্বাভাবিকতই আপনার লাগামহীন খরচ করতে মন চাইবে , কাজেই সব জায়গায় ক্রেডিট কার্ড নেবেন না, ক্যাশ বহন করার অভ্যাস করুন।
৩.সাশ্রয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করুন : আপনি প্রতি মাসে কত টাকা বাঁচাতে চান এবং সব টাকা এক করে কি কিনতে চান তা ঠিক করুন। আপনি আপনার লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সাশ্রয় তখনই করতে পারবেন যখন আপনি মনেপ্রাণে সেই জিনিসটি চাইবেন- তা হতে পারে আপনার সাধের ডিএসএলআর ক্যামেরা, ইলেকট্রিক গীটার, একটি ফ্ল্যাট  বা  একখানা  গাড়ি।  সাময়িক  ইচ্ছাগুলো কে প্রাধান্য না দিয়ে আপনার বড় স্বপ্নটিকে পূর্ণ করুন।
৪. বেতন দুটি একাউন্ট এ ভাগ করে নিন : অফিসে  বলে  আপনার বেতনের  নির্ধারিত অংশ যাতে সেভিংস একাউন্ট এ যায়, আর বাকি অংশ কারেন্ট  একাউন্ট এ - সেই ব্যবস্থা করুন।  তাহলে  আপনি চাইলেও বাজে খরচ করতে পারবেন না।  
৫. ডিসকাউন্ট সেল এর ব্যাপার এ চোখ কান খোলা রাখুন: আপনার পছন্দের ব্র্যান্ডগুলোর ফেইসবুক  ফ্যান পেজ  লাইক  করুন বা নিয়মিত পত্রপত্রিকা পড়ুন তাহলে  জানতে পারবেন কখন  ডিসকাউন্ট  চলছে। কিংবা নতুন বছরের শুরুর দিকে বা সীজন  এর শেষের দিকে অনেক দোকানে ডিসকাউন্ট দিয়ে থাকে।  সেক্ষেত্রে  আপনাকে মাঝে  মাঝেই  দোকানপাটে  একটু ঢু  মারতে হবে এবং  খোঁজখবর  রাখতে হবে।
৬. শপিং করুন স্মার্টলি : সবসময়  ব্র্যান্ড দোকান থেকেই কিনতে হবে এমন কোনো কথা নেই।  মাঝে মাঝে ছোটখাটো  দোকানেও কম দামে  অনেক ভালো জিনিস পাওয়া  যায়। অফ সীজন এ  কেনাকাটা করতে পারেন, অনেক কম দামে ভালো জিনিস পেয়ে যেতে পারেন। কিংবা কিনে ফেলুন সেকেন্ড হ্যান্ড  জিনিসপত্র। এ ক্ষেত্রে অনলাইন শপগুলোর ও  সাহায্য  নিতে পারেন।
৭. সিগারেট ছাড়ুন : স্বাস্থ্য ও পরিবেশের  জন্য মারাত্মক  ক্ষতিকর  এই  সিগারেটের নেশা যাদের আছে তাদের জন্য কঠিনতম কাজ এটি ছাড়া  কিনতু কখনো হিসাব করে দেখেছেন কি শুধু মাত্র সিগারেটের পেছনে আপনার মাসে কত খানি টাকা চলে যায়?
৮. বিদ্যুত, পানি ও গ্যাস  বিল বাঁচান: রুম থেকে  বের  হবার আগে  মনে করে লাইট -ফ্যান বন্ধ করা, বাসন মাজা  ও কাপড় ধোয়ার সময়  অকারণে পানি ছেড়ে না রাখা, কাজ শেষ করে মনে করে গ্যাসের  চুলা বন্ধ করা, রাতে ঘুমানোর আগে ওয়াই -ফাই কানেকশান  এর মেইন  সুইচ  অফ করে দেয়া - এসব ছোট  ছোট অভ্যাসগুলো দেশের  সম্পদ যেমন  সংরক্ষণ  করে , তেমনি কিছু অর্থেরও  সাশ্রয়  হয়। প্রয়োজন ছাড়া এসি
ছেড়ে না রেখে  কিছুক্ষণ  ছেড়ে রেখে ঘর ঠান্ডা করে নিন । কাপড় ঘরে ইস্ত্রী না করিয়ে লন্ড্রিতে  দিয়ে আসতে পারেন।  বিদ্যুত বিল অনেক কম আসবে। লাগাতে পারেন প্রতি ঘরে এনার্জি সেভার  লাইট।
৯. অভিনব গেট-টুগেদার : ঘনিষ্ঠ বন্ধু বান্ধবদের সাথে  এ  ধরনের একটি  গেট -টুগেদার করতে পারেন যেখানে বন্ধুরা পিকনিকের মত নিজ নিজ বাসা থেকে বা নিজ নিজ খরচে  একেক ধরণের খাবার নিয়ে আসবে। কম খরচে অনেক মেনু আপনি এতে করে পেয়ে যাবেন।
১০. লাইব্রেরি  কার্ড ব্যবহার  করুন :আপনার ভার্সিটির লাইব্রেরি তে বসে বই পড়ার অভ্যাস করুন,প্রয়োজনীয় নোট নিন, বই কেনার টাকা বেঁচে  যাবে। গল্পের বই পড়ার জন্যেও  আশেপাশের  লাইব্রেরিতে যেতে পারেন।
১১. ঘরে করুন সবজি বাগান : টমেটো বা কাঁচামরিচ  এসব ছোটখাটো সবজি ঘরের  উঠানে বা বারান্দাতেই লাগানো যায়।  অর্থ সাশ্রয়ের  পাশাপাশি নিজের ফলানো সবজি খাওয়ার যে আনন্দ আপনি পাবেন তার কোনো তুলনা হয় না।
১২. রেসিপি ব্যবহার ও ফুড প্ল্যানিং : রেসিপি অনুযায়ী  রান্না করে আপনি তেল-মসলার পিছে অনেকখানি খরচ কমাতে পারেন, সেইসাথে আপনার প্রতি সপ্তাহের খাদ্য তালিকায় কি কি জিনিস থাকবে তা ঠিক করে আপনি বাজারে  সময় ও অর্থ দুইই বাঁচাতে পারেন।
১৩. চা-কফি, ফাস্ট ফুড, স্ন্যাকসে  খরচ  বাঁচান: যাদের চা কফির  নেশা আছে, সেই সাথে আছে দামী জায়গায় কফি খাওয়ার অভ্যাস, তারা বাসায় কফি তৈরী করে খাওয়া এবং ফ্লাস্কে করে সাথে বহন করার অভ্যাস করুন। ইন্টারনেট থেকে পছন্দমত কফির রেসিপি দেখুন। কফি ক্রিম, চকোলেট পাউডার  কিনে ঘরেই তৈরী করুন মজাদার কফি । ব্লেন্ডার দিয়ে ব্লেন্ড করে তৈরী করুন ক্যাপাচিনো কফির  ফেনা। নেটে রেসিপি দেখে বানিয়ে ফেলতে পারেন পিজা, বার্গার  বা স্যান্ডউইচ। 
www.smartkompare.com

স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ডাটা বাঁচাবেন যেভাবে




অনেকেই অভিযোগ করেন স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ডাটা প্যাক ক্রয় করার পর, তা দ্রুত শেষ হয়ে যায়। কোথায় যে যায়, তার কোনো হিসাব পান না!

এ নিয়ে অনেক সময় মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গেও ঝামেলা করেন অনেকেই। কারণ, সামান্য অজ্ঞতা। অনেকেই জানেন না যে, আইওএস বা আইফোনের সফটওয়্যার এবং অ্যান্ড্রয়েড অনেকটাই ইন্টারনেটভিত্তিক সফটওয়্যার। এর বেশির ভাগ ফিচার ইন্টারনেট ছাড়া কাজ করে না। আর প্রায় সব সফটওয়্যার আর অ্যাপ্লিকেশন সর্বদা তাদের আপডেট খুঁজতে থাকে।

ফলে আগের সময়ের নকিয়া বা স্যামসাং মোবাইলের মতো এদের ইন্টারনেট সিস্টেম না। আগের মোবাইলগুলোর সফটওয়্যার ছিল, আপনি যে পর্যন্ত ইন্টারনেটে না ঢুকবেন সে পর্যন্ত সে নেট ইউজ করবে না। আর বর্তমানের মোবাইলগুলো প্রায় সবগুলোই নেট অপশন অন থাকলেই আপনার পারমিশন ছাড়াই তাদের আপডেট সার্চ করতে থাকে। যদিও আপনি যখন এসব সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করেন, তখন তাদের এই শর্তগুলো মেনেই ইনস্টল করেন। দেখবেন সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করার সময়ে আপনাকে বেশকিছু শর্ত দেখাচ্ছে। ওইসব শর্তেই আপনি মেনে নিয়েছেন, তাদের এই অবাধ ইন্টারনেট বিচরণ।

তাই এমন ঝামেলা ঠেকাতে সর্বদা ইন্টারনেট বা ডাটা অপশন অন করে রাখবেন না। শুধুমাত্র যখন প্রয়োজন তখনই আপনার মোবাইলের ইন্টারনেট চালু করবেন। এতে করে আপনি দুটি বেনিফিট পাবেন। এক, আপনার মোবাইলের চার্জ বেশিক্ষণ থাকবে। দুই, মোবাইলের ইন্টারনেট খরচ হবে তুলনামূলক কম। এতো গেল বেসিক ভাবনা।

এবার আসি কিভাবে ব্রাউজ করার সময়েও আপনার ইন্টারনেটের ডাটা বাঁচাতে পারেন। স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্যে এখন অনেক ধরনের ব্রাউজার পাওয়া যাচ্ছে। তবে সব ব্রাউজার ইউজার ফ্রেন্ডলি না। কিছু ব্রাউজার আছে অহেতুক আপনার প্রচুর ডাটা নষ্ট করে। তাই ডাটা বাঁচাতে স্বল্প ডাটা খরচ করে এমন ব্রাউজার সিলেক্ট করুন। আর এসব দিক দিয়ে দুটি ব্রাউজার খুব জনপ্রিয়। এক, অপেরা মিনি এবং দুই, ইউসি ব্রাউজার।

এই ব্রাউজারগুলো পেজ খুব হালকা করে ডাউনলোড করে যাতে আপনার ডাটা কম খরচ হয়। এদের বিশেষত্বই এটা। এরা আপনার চাহিদার পেজ ঠিকই ডাউনলোড করবে, কিন্তু খুব কম ডাটা খরচ করে। তাছাড়া এ ব্রাউজার বাদে অন্য ব্রাউজার দিয়ে ব্রাউজ করলেও ডাটা বাঁচানো যেতে পারে। ওইসব ব্রাউজারের সেটিংসে গিয়ে আপনি পেজের রেজুলেশন সেট করতে পারেন। হাই বা উন্নত মাত্রার পরিবর্তে মিডিয়াম বা লো কোয়ালিটি সিলেক্ট করলেও ডাটা বাঁচানো যায়।

যদি দেখেন, আপনার ডাটা শেষ পর্যায়ে আবার একটি ওয়েবও ব্রাউজ করা দরকার। তখন চাইলে সেটিংসে গিয়ে সিলেক্ট করতে পারেন ‘অনলি টেক্সট’ অপশনটি। এতে করে আপনি যে ওয়েবে যেতে চাচ্ছেন, তার কোনো ছবি আপনাকে দেখাবে না। কিন্তু ওই ওয়েবের বাকি সব তথ্য আপনি দেখতে পারবেন।

এভাবে একটু খেয়াল করে চললে খুব সহজেই আপনার ইন্টারনেট ডাটা বাঁচানো সম্ভব। তাছাড়া ইন্টারনেট ডট ওআরজি দিয়ে ফেসবুক সহ আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট ফ্রি ব্রাউজ করা যায়। আবার ফেসবুক লাইট দিয়ে ব্রাউজ করলেও ডাটা সেভ করা সম্ভব। কিছু কিছু মোবাইল পাওয়ার সেভ অপশনের মতো করে ডাটা সেভ অপশনও চালু করেছে। এসব অপশন দিয়েও ডাটা বাঁচানো সম্ভব।
http://www.risingbd.com

ali