টাকা বাঁচিয়ে চলা যতই অপ্রিয় হোক না কেন মাস শেষে
যখন পকেটে কিছু বাড়তি পয়সা থাকে তখন কার না ভালো লাগে? চলুন
দেখে নেই টাকা বাঁচানোর কিছু স্মার্ট টিপস :
১. মাসিক
বাজেট : টাকা বাঁচানোর প্রথম কথা হলো আপনি ব্যবসায়ী, চাকরিজীবি
বা ছাত্র/ছাত্রী যাই হোন না কেন আপনার এক মাসের যাবতীয়
খরচের একটি আনুমানিক বাজেট মাসের শুরুতেই করে নেয়া। সম্পূর্ণ পরিকল্পনা মাফিক হয়ত খরচ হবে না, তবু
আপনি বাজে খরচের মাত্রা সীমিত রাখতে পারবেন বা সব টাকা শেষ করে ফেলে হাত খালি হয়ে
যাবে না।
২. ক্রেডিট কার্ড নয়, ক্যাশ বহন করুন : আপনার সাথে ক্রেডিট কার্ড থাকলে স্বাভাবিকতই আপনার লাগামহীন খরচ করতে মন চাইবে , কাজেই সব জায়গায় ক্রেডিট কার্ড নেবেন না, ক্যাশ বহন করার অভ্যাস করুন।
৩.সাশ্রয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করুন : আপনি প্রতি মাসে কত টাকা বাঁচাতে চান এবং সব টাকা এক করে কি কিনতে চান তা ঠিক করুন। আপনি আপনার লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সাশ্রয় তখনই করতে পারবেন যখন আপনি মনেপ্রাণে সেই জিনিসটি চাইবেন- তা হতে পারে আপনার সাধের ডিএসএলআর ক্যামেরা, ইলেকট্রিক গীটার, একটি ফ্ল্যাট বা একখানা গাড়ি। সাময়িক ইচ্ছাগুলো কে প্রাধান্য না দিয়ে আপনার বড় স্বপ্নটিকে পূর্ণ করুন।
৪. বেতন দুটি একাউন্ট এ ভাগ করে নিন : অফিসে বলে আপনার বেতনের নির্ধারিত অংশ যাতে সেভিংস একাউন্ট এ যায়, আর বাকি অংশ কারেন্ট একাউন্ট এ - সেই ব্যবস্থা করুন। তাহলে আপনি চাইলেও বাজে খরচ করতে পারবেন না।
৫. ডিসকাউন্ট সেল এর ব্যাপার এ চোখ কান খোলা রাখুন: আপনার পছন্দের ব্র্যান্ডগুলোর ফেইসবুক ফ্যান পেজ লাইক করুন বা নিয়মিত পত্রপত্রিকা পড়ুন তাহলে জানতে পারবেন কখন ডিসকাউন্ট চলছে। কিংবা নতুন বছরের শুরুর দিকে বা সীজন এর শেষের দিকে অনেক দোকানে ডিসকাউন্ট দিয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে আপনাকে মাঝে মাঝেই দোকানপাটে একটু ঢু মারতে হবে এবং খোঁজখবর রাখতে হবে।
৬. শপিং করুন স্মার্টলি : সবসময় ব্র্যান্ড দোকান থেকেই কিনতে হবে এমন কোনো কথা নেই। মাঝে মাঝে ছোটখাটো দোকানেও কম দামে অনেক ভালো জিনিস পাওয়া যায়। অফ সীজন এ কেনাকাটা করতে পারেন, অনেক কম দামে ভালো জিনিস পেয়ে যেতে পারেন। কিংবা কিনে ফেলুন সেকেন্ড হ্যান্ড জিনিসপত্র। এ ক্ষেত্রে অনলাইন শপগুলোর ও সাহায্য নিতে পারেন।
৭. সিগারেট ছাড়ুন : স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এই সিগারেটের নেশা যাদের আছে তাদের জন্য কঠিনতম কাজ এটি ছাড়া কিনতু কখনো হিসাব করে দেখেছেন কি শুধু মাত্র সিগারেটের পেছনে আপনার মাসে কত খানি টাকা চলে যায়?
৮. বিদ্যুত, পানি ও গ্যাস বিল বাঁচান: রুম থেকে বের হবার আগে মনে করে লাইট -ফ্যান বন্ধ করা, বাসন মাজা ও কাপড় ধোয়ার সময় অকারণে পানি ছেড়ে না রাখা, কাজ শেষ করে মনে করে গ্যাসের চুলা বন্ধ করা, রাতে ঘুমানোর আগে ওয়াই -ফাই কানেকশান এর মেইন সুইচ অফ করে দেয়া - এসব ছোট ছোট অভ্যাসগুলো দেশের সম্পদ যেমন সংরক্ষণ করে , তেমনি কিছু অর্থেরও সাশ্রয় হয়। প্রয়োজন ছাড়া এসি
ছেড়ে না রেখে কিছুক্ষণ ছেড়ে রেখে ঘর ঠান্ডা করে নিন । কাপড় ঘরে ইস্ত্রী না করিয়ে লন্ড্রিতে দিয়ে আসতে পারেন। বিদ্যুত বিল অনেক কম আসবে। লাগাতে পারেন প্রতি ঘরে এনার্জি সেভার লাইট।
৯. অভিনব গেট-টুগেদার : ঘনিষ্ঠ বন্ধু বান্ধবদের সাথে এ ধরনের একটি গেট -টুগেদার করতে পারেন যেখানে বন্ধুরা পিকনিকের মত নিজ নিজ বাসা থেকে বা নিজ নিজ খরচে একেক ধরণের খাবার নিয়ে আসবে। কম খরচে অনেক মেনু আপনি এতে করে পেয়ে যাবেন।
১০. লাইব্রেরি কার্ড ব্যবহার করুন :আপনার ভার্সিটির লাইব্রেরি তে বসে বই পড়ার অভ্যাস করুন,প্রয়োজনীয় নোট নিন, বই কেনার টাকা বেঁচে যাবে। গল্পের বই পড়ার জন্যেও আশেপাশের লাইব্রেরিতে যেতে পারেন।
১১. ঘরে করুন সবজি বাগান : টমেটো বা কাঁচামরিচ এসব ছোটখাটো সবজি ঘরের উঠানে বা বারান্দাতেই লাগানো যায়। অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি নিজের ফলানো সবজি খাওয়ার যে আনন্দ আপনি পাবেন তার কোনো তুলনা হয় না।
১২. রেসিপি ব্যবহার ও ফুড প্ল্যানিং : রেসিপি অনুযায়ী রান্না করে আপনি তেল-মসলার পিছে অনেকখানি খরচ কমাতে পারেন, সেইসাথে আপনার প্রতি সপ্তাহের খাদ্য তালিকায় কি কি জিনিস থাকবে তা ঠিক করে আপনি বাজারে সময় ও অর্থ দুইই বাঁচাতে পারেন।
১৩. চা-কফি, ফাস্ট ফুড, স্ন্যাকসে খরচ বাঁচান: যাদের চা কফির নেশা আছে, সেই সাথে আছে দামী জায়গায় কফি খাওয়ার অভ্যাস, তারা বাসায় কফি তৈরী করে খাওয়া এবং ফ্লাস্কে করে সাথে বহন করার অভ্যাস করুন। ইন্টারনেট থেকে পছন্দমত কফির রেসিপি দেখুন। কফি ক্রিম, চকোলেট পাউডার কিনে ঘরেই তৈরী করুন মজাদার কফি । ব্লেন্ডার দিয়ে ব্লেন্ড করে তৈরী করুন ক্যাপাচিনো কফির ফেনা। নেটে রেসিপি দেখে বানিয়ে ফেলতে পারেন পিজা, বার্গার বা স্যান্ডউইচ।
২. ক্রেডিট কার্ড নয়, ক্যাশ বহন করুন : আপনার সাথে ক্রেডিট কার্ড থাকলে স্বাভাবিকতই আপনার লাগামহীন খরচ করতে মন চাইবে , কাজেই সব জায়গায় ক্রেডিট কার্ড নেবেন না, ক্যাশ বহন করার অভ্যাস করুন।
৩.সাশ্রয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করুন : আপনি প্রতি মাসে কত টাকা বাঁচাতে চান এবং সব টাকা এক করে কি কিনতে চান তা ঠিক করুন। আপনি আপনার লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সাশ্রয় তখনই করতে পারবেন যখন আপনি মনেপ্রাণে সেই জিনিসটি চাইবেন- তা হতে পারে আপনার সাধের ডিএসএলআর ক্যামেরা, ইলেকট্রিক গীটার, একটি ফ্ল্যাট বা একখানা গাড়ি। সাময়িক ইচ্ছাগুলো কে প্রাধান্য না দিয়ে আপনার বড় স্বপ্নটিকে পূর্ণ করুন।
৪. বেতন দুটি একাউন্ট এ ভাগ করে নিন : অফিসে বলে আপনার বেতনের নির্ধারিত অংশ যাতে সেভিংস একাউন্ট এ যায়, আর বাকি অংশ কারেন্ট একাউন্ট এ - সেই ব্যবস্থা করুন। তাহলে আপনি চাইলেও বাজে খরচ করতে পারবেন না।
৫. ডিসকাউন্ট সেল এর ব্যাপার এ চোখ কান খোলা রাখুন: আপনার পছন্দের ব্র্যান্ডগুলোর ফেইসবুক ফ্যান পেজ লাইক করুন বা নিয়মিত পত্রপত্রিকা পড়ুন তাহলে জানতে পারবেন কখন ডিসকাউন্ট চলছে। কিংবা নতুন বছরের শুরুর দিকে বা সীজন এর শেষের দিকে অনেক দোকানে ডিসকাউন্ট দিয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে আপনাকে মাঝে মাঝেই দোকানপাটে একটু ঢু মারতে হবে এবং খোঁজখবর রাখতে হবে।
৬. শপিং করুন স্মার্টলি : সবসময় ব্র্যান্ড দোকান থেকেই কিনতে হবে এমন কোনো কথা নেই। মাঝে মাঝে ছোটখাটো দোকানেও কম দামে অনেক ভালো জিনিস পাওয়া যায়। অফ সীজন এ কেনাকাটা করতে পারেন, অনেক কম দামে ভালো জিনিস পেয়ে যেতে পারেন। কিংবা কিনে ফেলুন সেকেন্ড হ্যান্ড জিনিসপত্র। এ ক্ষেত্রে অনলাইন শপগুলোর ও সাহায্য নিতে পারেন।
৭. সিগারেট ছাড়ুন : স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এই সিগারেটের নেশা যাদের আছে তাদের জন্য কঠিনতম কাজ এটি ছাড়া কিনতু কখনো হিসাব করে দেখেছেন কি শুধু মাত্র সিগারেটের পেছনে আপনার মাসে কত খানি টাকা চলে যায়?
৮. বিদ্যুত, পানি ও গ্যাস বিল বাঁচান: রুম থেকে বের হবার আগে মনে করে লাইট -ফ্যান বন্ধ করা, বাসন মাজা ও কাপড় ধোয়ার সময় অকারণে পানি ছেড়ে না রাখা, কাজ শেষ করে মনে করে গ্যাসের চুলা বন্ধ করা, রাতে ঘুমানোর আগে ওয়াই -ফাই কানেকশান এর মেইন সুইচ অফ করে দেয়া - এসব ছোট ছোট অভ্যাসগুলো দেশের সম্পদ যেমন সংরক্ষণ করে , তেমনি কিছু অর্থেরও সাশ্রয় হয়। প্রয়োজন ছাড়া এসি
ছেড়ে না রেখে কিছুক্ষণ ছেড়ে রেখে ঘর ঠান্ডা করে নিন । কাপড় ঘরে ইস্ত্রী না করিয়ে লন্ড্রিতে দিয়ে আসতে পারেন। বিদ্যুত বিল অনেক কম আসবে। লাগাতে পারেন প্রতি ঘরে এনার্জি সেভার লাইট।
৯. অভিনব গেট-টুগেদার : ঘনিষ্ঠ বন্ধু বান্ধবদের সাথে এ ধরনের একটি গেট -টুগেদার করতে পারেন যেখানে বন্ধুরা পিকনিকের মত নিজ নিজ বাসা থেকে বা নিজ নিজ খরচে একেক ধরণের খাবার নিয়ে আসবে। কম খরচে অনেক মেনু আপনি এতে করে পেয়ে যাবেন।
১০. লাইব্রেরি কার্ড ব্যবহার করুন :আপনার ভার্সিটির লাইব্রেরি তে বসে বই পড়ার অভ্যাস করুন,প্রয়োজনীয় নোট নিন, বই কেনার টাকা বেঁচে যাবে। গল্পের বই পড়ার জন্যেও আশেপাশের লাইব্রেরিতে যেতে পারেন।
১১. ঘরে করুন সবজি বাগান : টমেটো বা কাঁচামরিচ এসব ছোটখাটো সবজি ঘরের উঠানে বা বারান্দাতেই লাগানো যায়। অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি নিজের ফলানো সবজি খাওয়ার যে আনন্দ আপনি পাবেন তার কোনো তুলনা হয় না।
১২. রেসিপি ব্যবহার ও ফুড প্ল্যানিং : রেসিপি অনুযায়ী রান্না করে আপনি তেল-মসলার পিছে অনেকখানি খরচ কমাতে পারেন, সেইসাথে আপনার প্রতি সপ্তাহের খাদ্য তালিকায় কি কি জিনিস থাকবে তা ঠিক করে আপনি বাজারে সময় ও অর্থ দুইই বাঁচাতে পারেন।
১৩. চা-কফি, ফাস্ট ফুড, স্ন্যাকসে খরচ বাঁচান: যাদের চা কফির নেশা আছে, সেই সাথে আছে দামী জায়গায় কফি খাওয়ার অভ্যাস, তারা বাসায় কফি তৈরী করে খাওয়া এবং ফ্লাস্কে করে সাথে বহন করার অভ্যাস করুন। ইন্টারনেট থেকে পছন্দমত কফির রেসিপি দেখুন। কফি ক্রিম, চকোলেট পাউডার কিনে ঘরেই তৈরী করুন মজাদার কফি । ব্লেন্ডার দিয়ে ব্লেন্ড করে তৈরী করুন ক্যাপাচিনো কফির ফেনা। নেটে রেসিপি দেখে বানিয়ে ফেলতে পারেন পিজা, বার্গার বা স্যান্ডউইচ।
www.smartkompare.com

No comments:
Post a Comment