Showing posts with label ডায়াবেটিস. Show all posts
Showing posts with label ডায়াবেটিস. Show all posts

Saturday, April 9, 2016

ওষুধে আয়ু বাড়বে ১০ বছর !



ওষুধে আয়ু বাড়বে ১০ বছর!
যুক্তরাজ্যের একদল গবেষক দাবি করেছেন, নতুন একটি ওষুধ মানুষের আয়ু প্রায় ১০ বছর বাড়িয়ে দিতে পারে। বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করার চেষ্টায় এ সাফল্যকে এক ধাপ অগ্রগতি বলা যায়। তবে এ ওষুধ মানুষের হাতে পৌঁছাতে আরও বহু বছর লাগবে।
গবেষণায় দেখা যায়, জিএসকে-থ্রি নামের প্রোটিন অণুগুলো মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে সংক্ষিপ্ত করে দেয়। আর সেগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারলেই জীবনকাল বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। ফলের মাছির শরীরেও জিএসকে-থ্রি প্রোটিন থাকে। এদের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখা যায়, লিথিয়াম প্রয়োগে ওই প্রোটিনের কার্যক্রম ব্যাহত করা যায়। আর এতে প্রাণীটির আয়ু ১৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ে।
ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন (ইউসিএল), ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট ফর বায়োলজি অব অ্যাজিং এবং ইউরোপিয়ান মলিকিউলার বায়োলজি ল্যাবরেটরির যৌথ এ গবেষণার সূত্র ধরে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, লিথিয়াম বা সমজাতীয় অন্য কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তুলনামূলক কম হলে সেগুলো মানুষের আয়ু বাড়ানোর লক্ষ্যে ব্যবহার করা যাবে। পাশাপাশি ওই প্রোটিন অণু সম্পর্কে আরও বিশদ ধারণা অর্জন করতে পারলে প্রবীণদের বিভিন্ন অসুখ (যেমন আলঝেইমার বা স্মৃতিভ্রংশ, ডায়াবেটিস, ক্যানসার প্রভৃতি) নিরাময়ের চেষ্টায়ও সাফল্যের সুযোগ রয়েছে।
এ-সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন সেল রিপোর্টস সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। এটির প্রধান লেখক জর্জ ইভান ক্যাস্টিলো-কুয়ান বলেন, জিএসকে-থ্রি নিয়ে তাঁরা অনেক আশাবাদী। মধ্যবয়সে এটি নিয়ন্ত্রণের কার্যকর চিকিৎসা শুরু করতে পারলে প্রবীণদের অনেক রোগের চিকিৎসার পাশাপাশি জীবনকে দীর্ঘ করার সম্ভাবনা রয়েছে। জীবনকাল বৃদ্ধি নিয়ে প্রচুর বিতর্ক রয়েছে। সুস্থভাবে বাঁচতে না পারলে জীবনকে দীর্ঘায়িত করার সুফল মিলবে না। লিথিয়ামজাতীয় ওষুধ প্রয়োগ করে আলঝেইমার রোগটি শুরু হওয়ার বয়স ৭৫ থেকে ৯০ বছরে নেওয়া গেলে অবশ্যই সেটা অনেক ভালো হবে।
মশা মারার সহজতম উপায়
মশা। অতি ক্ষুদ্র একটা প্রাণী। হাতের নাগালের মধ্যে পেলে আলতো করে মারলেই মশা শেষ। যদিও আলতো করে কেউ মারে না, ছোট্ট এই প্রাণীটিকে হাতের লাগালে পেলে রেগে গিয়ে গায়ের জোর খাটিয়েই সবাই মারে। কিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে, মশাকে হাতের নাগালে পাওয়াটাই মুশকিল। কখন যে চুপটি করে উড়ে এসে মানব শরীরে কামড় বসিয়ে রক্ত শোষণ করে, সেটা অনেক সময় টেরই পাওয়া যায় না। আর টের পাওয়া গেলেও মারার আগেই উড়াল দেয়। তাছাড়া মশা তো আর একটা না, যে একটা মারলেই মশার চিন্তা শেষ। বরঞ্চ একের পর এক মশার কামড়ে অনেক সময় অতিষ্ঠ হওয়া লাগে। এ কারণে মশার কামড় থেকে বাচঁতে ক্যালামাইন লোশন, স্প্রে, কয়েল প্রভৃতি কিছু আমরা ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু স্প্রে বা কয়েলের মশা দূরে রাখতে সহায়ক হলেও, সমস্যাটা হচ্ছে এসবে রাসায়নিক উপাদান থাকে, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। সুতরাং সবচেয়ে সহজ ও ঘরোয়া উপায়ে মশা কীভাবে মারবেন, সেটা এবার জেনে নিন। একটু অদ্ভূত শোনালেও সত্যি যে, ডিটারজেন্ট মিশ্রিত পানির মাধ্যমেই সহজে মশা মারতে পারবেন।   একটা বাটিতে একটু ডিটারজেন্ট পানি জানালার কাছে রেখেই দেখুন না, কী হয়। সন্তোষজনক ফলাফল পাবেন। দেখবেন, মশা এসে ডিটারজেন্ট পানিতে পড়ছে। খুব সহজ একটা উপায়, তাই না? মশা মারার জন্য একটু ডিটারজেন্ট পানিতে গুলে, তা বিভিন্ন পাত্রে রাখলেই হবে। ডিটারজেন্ট পানিতে পড়ে মশার মৃত্যু কার্যকরী কারণ, ডিটারজেন্ট পানির উপরিতলের প্রসারণ কমিয়ে দেয়, ফলে লার্ভা এবং বয়স্ক মশা ডুবে যায় এতে।
শিশুর রক্তশূন্যতা: কারণ জানুন

রক্তে হিমোগ্লোবিন বা লোহিত কণিকার পরিমাণ কমে গেলে অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা রোগ হয়। তবে বিভিন্ন বয়সে স্বাভাবিক হিমোগ্লোবিনের পরিমাণে তারতম্য থাকে। শিশুর বয়স ও লিঙ্গ অনুযায়ী তা আলাদা হতে পারে।
শিশুর রক্তশূন্যতার কারণ খুঁজতে হলে তার বয়স, লিঙ্গ, জাতিগোষ্ঠী, খাদ্যতালিকা, ওষুধ সেবনের ইতিহাস, দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ, ভ্রমণবৃত্তান্ত, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য জেনে নেওয়া দরকার। একই সঙ্গে পরিবারের কারও রক্তশূন্যতা ছিল কি না এবং রোগীর যকৃৎ বা প্লীহার স্ফীতি আছে কি না, তা-ও জানতে হবে। শিশুর হিমোগ্লোবিন মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে সাত থেকে আট গ্রামের নিচে না নামলে সাধারণত কোনো লক্ষণ দেখা যায় না।
রক্তশূন্যতার প্রধান উপসর্গগুলো হলো শিশুকে ফ্যাকাশে ও দুর্বল দেখায়, ঘুমের পরিমাণ কমে যায়, মেজাজ খিটখিটে হয়, অল্প পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠে এবং শিশুর জিব, নখ, হাতের তালু ইত্যাদি সাদাটে হয়ে পড়ে।
রক্তশূন্যতার মাত্রা বেশি হলে শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃৎস্পন্দনের গতি বাড়তে পারে, শরীরে পানি আসতে পারে এবং মারাত্মক হৃদ্‌রোগের (হার্ট ফেইলিওর) মতো জটিলতাও হতে পারে।
পরিবারের কারও থ্যালাসেমিয়া বা রক্তে অস্বাভাবিক হিমোগ্লোবিনের উপস্থিতি থাকলে শিশুদের ক্ষেত্রে অবশ্যই সেটা খতিয়ে দেখতে হবে।
এ দেশে পরজীবী বা কৃমি সংক্রমণ শিশুদের রক্তাল্পতার একটি প্রধান কারণ। এমনকি সচ্ছল শহুরে পরিবারেও তা হয়। তাই শিশুর খাদ্য ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিতে হবে। শিশুর জ্বর দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে, পেট ফুলে গেলে এবং শরীরের ওজন কমে গিয়ে ফ্যাকাশে ভাব দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
অভিভাবকের পুষ্টিজ্ঞানের অভাব এবং খাওয়ানোর ভুল পদ্ধতিও শিশুর রক্তাল্পতার কারণ হতে পারে।

Friday, April 8, 2016

একটু সচেতন হলেই জীবন সুন্দর হবে - নতুন দিগন্ত



অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কেন প্রয়োজন


অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের অক্সিডেশন (জারণ) প্রক্রিয়াকে কমাতে সাহায্য করে। অক্সিডেশনের কারণে কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-জাতীয় খাবার খেলে কোষ স্বাস্থ্যকর থাকে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-জাতীয় খাবার ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে। এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে কাজ করে। এটি ত্বককে তারুণ্যদীপ্ত রাখে।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। লেবু ভিটামিন সির চমৎকার উৎস এবং এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও শক্তিশালী উৎস।

ওজন কমে যাচ্ছে?
ওজন কমে যাওয়া কোনো রোগ নয়, তবে নানা রোগের লক্ষণ হতে পারে। আবার তা হতে পারে স্রেফ খাদ্যাভ্যাসের ত্রুটির জন্যও।
শরীরের ওজন যত ছিল, অল্প সময়ের মধ্যে তার ৫ শতাংশের বেশি কমে যাওয়াটা খারাপ। ওজন কমে যাওয়ার পাশাপাশি নিচের সমস্যাগুলো থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে—
ক্ষুধামান্দ্য বা খাবারে অরুচি, খাওয়ার সময় খাবার আটকে যাওয়া, ঢোক গিলতে অসুবিধা বা গলায় ব্যথা অনুভব করা, বারবার বমি বিশেষ করে খাওয়ার পরই বমি, দীর্ঘদিন পাতলা পায়খানা, বদহজম অথবা দুর্গন্ধযুক্ত সাদাটে রঙের পায়খানা হওয়া।
অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে ওজন কমে যায়। ঘন ঘন প্রস্রাব, বারবার পিপাসা ও ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া বা হাত-পা ঝিনঝিন বা জ্বালা করা ডায়াবেটিসের লক্ষণ।
প্রায়ই জ্বর হওয়া, তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে কাশি, কাশির সঙ্গে রক্ত ইত্যাদি থাকলে যক্ষ্মা কি না, দেখতে হবে। যক্ষ্মায় ওজন হ্রাস পায়। এ ছাড়া যেকোনো ধরনের ক্যানসারেও ওজন কমে। থাইরয়েডের সমস্যায়ও ওজন কমে।
সমাধান কী?
*
প্রথমে বুঝতে চেষ্টা করুন, ওজন কতটা কমেছে।
*
খেয়াল করুন, আপনি খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে ফেলেছেন কি না। ইচ্ছা করে খাওয়া কমিয়ে না থাকলে অন্য কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না বা রুচি কমে যাচ্ছে কি না।
*
ওজন কমার সঙ্গে অন্যান্য সমস্যা চিকিৎসকের কাছে খুলে বলুন।

কীভাবে বুঝবেন শরীরে পানির প্রয়োজন?

শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত পানি। শরীরে পানিশূন্যতা হলে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর কাজ করতে অসুবিধা হয়। এতে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি ফুড টিম জানিয়েছে শরীরে পানিশূন্যতার কিছু লক্ষণ, যেগুলো দেখলে বুঝতে হবে শরীরে দ্রুত পানি প্রয়োজন।
১. গাঢ় প্রস্রাব
পানিশূন্যতা হলে প্রস্রাবের রং বদলে যায়। যদি শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি থাকে, তাহলে প্রস্রাব হালকা হলুদ বা স্বচ্ছ রঙের হয়। আর খুব গাঢ় হলুদ রং মানে শরীরে পানির ঘাটতি হয়েছে। এ সময় পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন। যদি পানি পানের পরও প্রস্রাবের রং আগের মতোই থাকে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কেননা, এটি হেপাটাইটিসের লক্ষণ।
২. কম প্রস্রাব হওয়া
পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করলে সাধারণত চার থেকে সাতবার টয়লেটে যেতে হয়। পানি কম পান করা হলে প্রস্রাবের মাত্রা কমে যায়। এতে শরীরে বিষাক্ত পদার্থ জমা হতে থাকে। এটি পরবর্তীকালে শরীরের ক্ষতি করে। তাই প্রস্রাবের মাত্রা কমে গেলে দ্রুত পানি পান করুন।
৩. কোষ্ঠকাঠিন্য
পানি শরীরের কোষ ও টিস্যুগুলোকে আর্দ্র রাখে। এটি হজম প্রক্রিয়াকেও ঠিকঠাক রাখতে কাজ করে। এমনকি পানি গ্যাস্ট্রো-ইনটেসটাইনাল ট্র্যাক্টকে পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিলে আঁশজাতীয় খাবার খাওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন।
৪. শুষ্ক ত্বক
ত্বক শরীরের বড় অঙ্গ। ত্বক ভালো রাখতে পানি প্রয়োজন। ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে অনেক সময় ব্রণ, অ্যাকজিমা, সোরিয়াসিস ইত্যাদি সমস্যা বেশি দেখা যায়। তাই শরীর শুষ্ক হলে পানি পান করুন।
৫. মনোযোগের অভাব
মানুষের মস্তিষ্কের মধ্যে ৯০ শতাংশ পানি রয়েছে। পানিশূন্যতা হলে মস্তিষ্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এটি মেজাজ ও মনোযোগের ওপর প্রভাব ফেলে।
পানিশূন্যতার কারণে মনোযোগের অভাব হয়। গবেষণায় বলা হয়, পানিশূন্যতার কারণে মস্তিষ্কে অবসন্ন ভাব তৈরি হয়। তাই কোনো কাজে মনোযোগ দিতে অসুবিধা হলে পানি পান করে নিন।
৬. শুষ্ক মুখ
পানিশূন্যতা হলে মুখে স্যালিভা (লালা) কম উৎপন্ন হয়। এতে মুখ শুষ্ক লাগে; মুখে দুর্গন্ধ হয়। যদি এমন হয়, তবে দ্রুত পানি পান করুন।
৭. মাথাব্যথা
মস্তিষ্ককে সজীব রাখতে পানি প্রয়োজন। শরীরে পানির অভাব হলে মাথাব্যথা হয়। এতে মস্তিষ্কে অক্সিজেন ও রক্তের পরিবহন কমে যায়। তাই মাথাব্যথা হলে প্রথমে একটু পানি পান করে নিন।
৮. অবসন্নতা
পানিশূন্যতা শরীরে অবসন্নতা ও অলস ভাব তৈরি করে। মস্তিষ্কে পানির অভাব হলে রক্তচাপ কমে যায় এবং শরীরে অক্সিজেন পরিবহনে সমস্যা হয়। এতে অবসন্ন ও অলস ভাব হয়। দীর্ঘমেয়াদি অবসন্নতা আরো অনেক রোগেরও লক্ষণ। তবে প্রাথমিকভাবে অবসন্নতা কাটাতে পানি পান করুন।
৯. গাঁটে ব্যথা
গাঁট ও কার্টিলেজ ৮০ শতাংশ পানি দিয়ে তৈরি। তাই যদি পানির অভাব হয়, এটির কার্যক্রমে অসুবিধা হয়ে যায়। দীর্ঘমেয়াদি গাঁটে ব্যথা হলে চিকিৎসা তো করতেই হবে। তবে যদি স্বল্পমেয়াদি ব্যথা হয়, তাহলে পানি পান করুন।

Thursday, April 7, 2016

দেশী মার্জিত সাজ গোজ - নতুন দিগন্ত



ফুলে ফুলে চুলে চুলে

http://health-technology-bd.blogspot.com/2016/02/blog-post_66.html

ছিমছাম খোঁপায় যেকোনো ফুলের সাজই পয়লা বৈশাখের আনন্দকে দ্বিগুণ করে দেয়। নিখুঁত, নিপাট, সাধারণ একটি খোঁপায় ফুল লাগিয়ে নিলে সবার মাঝে থেকেও একজনকে খুব আলাদা লাগে। এমনটাই জানালেন রূপবিশেষজ্ঞ তানজিমা শারমিন। তাঁর মতে, কাকে, কোন ধরনের খোঁপায়, কোন ফুলে কেমন লাগবে, সেটা বুঝে নিতে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা উচিত। যেমন কপালের ধরন, গলার দৈর্ঘ্য, চুলের ধরন, মুখের গড়ন ইত্যাদি। এসব একটু খেয়াল করে খোঁপাটি বেঁধে নিলে দেখতে অনন্য লাগবে।
ববি খোঁপা: এ খোঁপাটি করতে, মাঝখানে সিঁথি করে দুই পাশে দুটি পনিটেইল করে নিতে হবে। এবার দুদিকেই খানিকটা ফোল্ড করে চুলগুলো ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে পিন দিয়ে আটকে নিতে হবে। দীর্ঘ সময় রাখতে হেয়ার স্প্রে করে নিলে ভালো হবে। সারা দিন চুলের সাজে কোনো ঝক্কি সামলাতে হবে না।

টুইস্ট খোঁপা: সামনে ও পেছনে অর্ধেক চুল দুই ভাগে ভাগ করে নিন। পেছনের ভাগের কিছু চুলে খোঁপা করে ক্লিপ দিয়ে আটকে নিন। এবার বাকি যে চুলগুলো আছে, সেগুলো কয়েক ভাগে ভাগ করে টুইস্ট করে পেঁচিয়ে মূল খোঁপার সঙ্গে মিলিয়ে সেট করে নিতে হবে। সঙ্গে খোঁপায় পরে নিন জারবেরা, কাঠগোলাপ বা জিনিয়া ফুল।

রিং লেটস রোল: সামনের চুলের মাঝখানে বাঁ পাশে সিঁথি করে নিতে হবে। কপাল বড় হলে সাইডে সিঁথি করুন। না হলে মাঝ বরাবর সিঁথি টেনে সেট করে নিন। তারপর পেছনের চুলে পনিটেইল করে ওই চুলগুলোকে সমান কয়েক ভাগে ভাগ করে নিন। চুলগুলো পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে ক্লিপ দিয়ে আটকে নিতে হবে। এরপর হেয়ার স্প্রে করতে হবে। এতে দীর্ঘ সময় ধরে খোঁপাটি ঠিকঠাক থাকে।


ঐতিহ্যের মসলিন
http://health-technology-bd.blogspot.com/2016/03/diabetes-medicine.html

মসলিন- প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম এক শব্দ। মসলিনের বুনন, এর চাকচিক্য ও খ্যাতি সব কিছুই যেন রূপকথার গল্প। জানা যায়, এক সময় এক আউন্স স্বর্ণের দাম আর এক আউন্স মসলিন কাপড়ের দাম ছিল সমান। জগতজুড়ে ছিল এর কদর। প্রাচীন এই ঐতিহ্যকে আবার ফিরিয়ে আনার জন্য নতুন করে চেষ্টা চলছে। এর জন্য কাজ করে আসছেন আমাদের ফ্যাশন ডিজাইনার, বয়নশিল্পীসহ আরো অনেকে।
মসলিন বহু জায়গায় তৈরি হতো বলে ইতিহাস থেকে জানা যায়। বিশেষ করে উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মসলিন কাপড় তৈরি হতো তবে সবচেয়ে সেরা মানের এবং দামি মসলিন তৈরি হতো ঢাকা জেলার নির্দিষ্ট কিছু এলাকায়। বলা হয়, এই এলাকার জলবায়ু মসলিনের এই বৈশিষ্ট্য আনার ক্ষেত্রে অন্যতম একটি উপাদান হিসেবে কাজ করেছে। শোনা যায়, একটি আংটির ভেতর দিয়ে মসলিন কাপড়কে এপাশ থেকে ওপাশে আনা যেত। আবার একটি ছোট ম্যাচের বক্সের ভেতর ভরে রাখা যেত মসলিনের একটি শাড়ি। এসব অবিশ্বাস্য গল্প জড়িয়ে আছে মসিলনকে ঘিরে।
অত্যন্ত মিহি সুতায় সুনিপুণ হাতের দক্ষতায় তৈরি করা হতো মসৃন আকর্ষণীয় মসলিনের কাপড়। অতীতের সেই ঐতিহ্য যদিও আর নেই, তবুও হারিয়ে যায়নি ঢাকার মসলিন। এখনো মসলিন কাপড় তৈরি হচ্ছে এবং এর চাহিদা বা জনপ্রিয়তাও কম নয়। একই সাথে মসলিনের সাথে যোগ হয়েছে আধুনিকতা।
ফ্যাশন হাউজগুলোতে প্রচুর মসলিনের ব্যবহার দেখা যায়। অন্যমেলার প্রধান ডিজাইনার ও নির্বাহী মাযহারুল ইসলাম এ সময়ের মসলিনের ফ্যাশন বিষয়ে বলেন, বিভিন্ন নকশা ফুটিয়ে তোলা হয় মসলিন শাড়ির জমিনে। মেশিন এমব্রয়ডারি, কারচুপি, জারদৌসির কাজই বেশি দেখা যায়। প্যাচওয়ার্ক, ক্যাটওয়ার্ক লেস ও বিভিন্ন এক্সেসরিজের মাধ্যমেও মসলিনের ওপর ফুটিয়ে তোলা হয় নকশা, আনা হয় অভিনবত্ব। এক একটা শাড়ি হয়ে ওঠে অনন্য। এ ছাড়াও বুননে সুতার নানা কারুকাজের মাধ্যমেও জমিনে ফুটিয়ে তোলা হয় নানা নকশা।
শাড়ি ছাড়াও মসলিন দিয়ে তৈরি হচ্ছে কামিজ, ওড়না, গাউন, স্কার্ফসহ বিভিন্ন পোশাক ও অনুষঙ্গ। এমনকি ব্যাগও তৈরি হয় মসলিন কাপড়ে। এখনো মসলিন আভিজাত্যপূর্ণ পোশাক হিসেবেই সমাদৃত। মূলত পার্টি ড্রেস হিসেবেই মসলিন ব্যবহার করা হয়।
যে ফুলগুলো খাওয়া যায়
http://health-technology-bd.blogspot.com/2016/01/thai-food-home.html

পৃথিবীতে এমন কিছু ফুল আছে যেগুলো খাওয়া যায়। সব অবশ্য সরাসরি নয়, কোনোটা ওষুধ হিসেবে আবার কোনোটা চায়ের সঙ্গে ফুটিয়ে। চমৎকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এ ফুলগুলো খাবার হিসেবে খুবই সমৃদ্ধ। খাদ্য তালিকায় এর উপস্থিতি দুরারোগ্য ব্যাধি মোকাবিলায় বেশ কার্যকর।
গবেষকরা বলছেন, রেসিপিতে একটা প্রয়োজনীয় উপাদান হিসেবে এসব ফুল ব্যবহৃত হতে পারে। রুচিবর্ধক মসলা হিসেবেও এটা খাবারকে অলঙ্কৃত করবে। চলুন দেখে নেয়া যাক এমন কিছু ফুল সম্পর্কে:

গোলাপ: চীনের চিকিৎসা শাস্ত্রে ফুলের রাজা গোলাপের একটা উল্লেখযোগ্য স্থান আছে। এতে রয়েছে ফেনোলিক্স নামক এক প্রকার উপাদান যা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরির গুণসমৃদ্ধ। গোলাপ হচ্ছে ভিটামিনের একটা সমৃদ্ধ উৎস। এটা হৃদরোগ, ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে।

জুঁই: জুঁই বা জেসমিন একটি সুগন্ধি ফুল। সাধারণত গ্রিন টি এবং সালাদের সঙ্গে এটি ব্যবহৃত হয়। এটা ক্যান্সার ও সংক্রামক ভাইরাস মোকাবিলায় কার্যকর।

পিওনি: শুধু বিয়েবাড়ি সাজাতেই নয় বরং খাবার হিসেবেও এটি বেশ উপাদেয়। এটা বিষণ্ণতা উপশমে কাজ করে।

প্যান্সি: বাহারি রঙের শীতের ফুল প্যান্সি। এটা শুধু দেখতেই সুন্দর নয় বরং হার্ট ও কিডনির জন্যও এটা উপকারী।

গাঁদা ফুল: চীনারা চায়ের সঙ্গে গাঁদা ফুল ব্যবহার করে। এটা ক্ষত আরোগ্যে কাজ করে। এতে রয়েছে পিগমেন্ট লুটেইন নামে চোখের জন্য উপকারী এক ধরনের ভিটামিন। চোখের রোগ প্রতিরোধে এটা কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

ল্যাভেন্ডার: দই এবং আইসক্রিম তৈরিতে ল্যাভেন্ডারের সুগন্ধি ব্যবহার করা হয়। পচনশীলতা রোধে এর পরিচিতি থাকলেও খুশকি তাড়াতেও এটা কার্যকর। তাছাড়া এই ফুলটি বিভিন্ন কসমেটিকসের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা যায়।


ali