অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
কেন প্রয়োজন
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের অক্সিডেশন (জারণ) প্রক্রিয়াকে কমাতে
সাহায্য করে। অক্সিডেশনের
কারণে কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-জাতীয়
খাবার খেলে কোষ স্বাস্থ্যকর থাকে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-জাতীয়
খাবার ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে। এটি
শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে কাজ করে। এটি
ত্বককে তারুণ্যদীপ্ত রাখে।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। লেবু ভিটামিন সির চমৎকার উৎস এবং এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও
শক্তিশালী উৎস।
ওজন কমে যাচ্ছে?
ওজন কমে যাওয়া কোনো রোগ নয়, তবে নানা রোগের লক্ষণ
হতে পারে। আবার
তা হতে পারে স্রেফ খাদ্যাভ্যাসের ত্রুটির জন্যও।
কীভাবে
বুঝবেন শরীরে পানির প্রয়োজন?
শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত পানি। শরীরে পানিশূন্যতা
হলে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর কাজ করতে অসুবিধা হয়। এতে বিভিন্ন শারীরিক
সমস্যা তৈরি হয়। স্বাস্থ্যবিষয়ক
ওয়েবসাইট হেলদি ফুড টিম জানিয়েছে শরীরে পানিশূন্যতার কিছু লক্ষণ, যেগুলো দেখলে বুঝতে হবে শরীরে দ্রুত পানি প্রয়োজন।
১. গাঢ় প্রস্রাব
পানিশূন্যতা হলে প্রস্রাবের রং বদলে যায়। যদি শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি থাকে, তাহলে প্রস্রাব হালকা হলুদ বা স্বচ্ছ রঙের হয়। আর খুব গাঢ় হলুদ রং মানে শরীরে পানির ঘাটতি হয়েছে। এ সময় পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন। যদি পানি পানের পরও প্রস্রাবের রং আগের মতোই থাকে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কেননা, এটি হেপাটাইটিসের লক্ষণ।
পানিশূন্যতা হলে প্রস্রাবের রং বদলে যায়। যদি শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি থাকে, তাহলে প্রস্রাব হালকা হলুদ বা স্বচ্ছ রঙের হয়। আর খুব গাঢ় হলুদ রং মানে শরীরে পানির ঘাটতি হয়েছে। এ সময় পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন। যদি পানি পানের পরও প্রস্রাবের রং আগের মতোই থাকে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কেননা, এটি হেপাটাইটিসের লক্ষণ।
২. কম প্রস্রাব হওয়া
পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করলে সাধারণত চার থেকে সাতবার টয়লেটে যেতে হয়। পানি কম পান করা হলে প্রস্রাবের মাত্রা কমে যায়। এতে শরীরে বিষাক্ত পদার্থ জমা হতে থাকে। এটি পরবর্তীকালে শরীরের ক্ষতি করে। তাই প্রস্রাবের মাত্রা কমে গেলে দ্রুত পানি পান করুন।
পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করলে সাধারণত চার থেকে সাতবার টয়লেটে যেতে হয়। পানি কম পান করা হলে প্রস্রাবের মাত্রা কমে যায়। এতে শরীরে বিষাক্ত পদার্থ জমা হতে থাকে। এটি পরবর্তীকালে শরীরের ক্ষতি করে। তাই প্রস্রাবের মাত্রা কমে গেলে দ্রুত পানি পান করুন।
৩. কোষ্ঠকাঠিন্য
পানি শরীরের কোষ ও টিস্যুগুলোকে আর্দ্র রাখে। এটি হজম প্রক্রিয়াকেও ঠিকঠাক রাখতে কাজ করে। এমনকি পানি গ্যাস্ট্রো-ইনটেসটাইনাল ট্র্যাক্টকে পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিলে আঁশজাতীয় খাবার খাওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন।
পানি শরীরের কোষ ও টিস্যুগুলোকে আর্দ্র রাখে। এটি হজম প্রক্রিয়াকেও ঠিকঠাক রাখতে কাজ করে। এমনকি পানি গ্যাস্ট্রো-ইনটেসটাইনাল ট্র্যাক্টকে পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিলে আঁশজাতীয় খাবার খাওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন।
৪. শুষ্ক ত্বক
ত্বক শরীরের বড় অঙ্গ। ত্বক ভালো রাখতে পানি প্রয়োজন। ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে অনেক সময় ব্রণ, অ্যাকজিমা, সোরিয়াসিস ইত্যাদি সমস্যা বেশি দেখা যায়। তাই শরীর শুষ্ক হলে পানি পান করুন।
ত্বক শরীরের বড় অঙ্গ। ত্বক ভালো রাখতে পানি প্রয়োজন। ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে অনেক সময় ব্রণ, অ্যাকজিমা, সোরিয়াসিস ইত্যাদি সমস্যা বেশি দেখা যায়। তাই শরীর শুষ্ক হলে পানি পান করুন।
৫. মনোযোগের অভাব
মানুষের মস্তিষ্কের মধ্যে ৯০ শতাংশ পানি রয়েছে। পানিশূন্যতা হলে মস্তিষ্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এটি মেজাজ ও মনোযোগের ওপর প্রভাব ফেলে।
মানুষের মস্তিষ্কের মধ্যে ৯০ শতাংশ পানি রয়েছে। পানিশূন্যতা হলে মস্তিষ্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এটি মেজাজ ও মনোযোগের ওপর প্রভাব ফেলে।
পানিশূন্যতার কারণে মনোযোগের অভাব হয়। গবেষণায় বলা হয়, পানিশূন্যতার কারণে মস্তিষ্কে অবসন্ন ভাব তৈরি হয়। তাই কোনো কাজে
মনোযোগ দিতে অসুবিধা হলে পানি পান করে নিন।
৬. শুষ্ক মুখ
পানিশূন্যতা হলে মুখে স্যালিভা (লালা) কম উৎপন্ন হয়। এতে মুখ শুষ্ক লাগে; মুখে দুর্গন্ধ হয়। যদি এমন হয়, তবে দ্রুত পানি পান করুন।
পানিশূন্যতা হলে মুখে স্যালিভা (লালা) কম উৎপন্ন হয়। এতে মুখ শুষ্ক লাগে; মুখে দুর্গন্ধ হয়। যদি এমন হয়, তবে দ্রুত পানি পান করুন।
৭. মাথাব্যথা
মস্তিষ্ককে সজীব রাখতে পানি প্রয়োজন। শরীরে পানির অভাব হলে মাথাব্যথা হয়। এতে মস্তিষ্কে অক্সিজেন ও রক্তের পরিবহন কমে যায়। তাই মাথাব্যথা হলে প্রথমে একটু পানি পান করে নিন।
মস্তিষ্ককে সজীব রাখতে পানি প্রয়োজন। শরীরে পানির অভাব হলে মাথাব্যথা হয়। এতে মস্তিষ্কে অক্সিজেন ও রক্তের পরিবহন কমে যায়। তাই মাথাব্যথা হলে প্রথমে একটু পানি পান করে নিন।
৮. অবসন্নতা
পানিশূন্যতা শরীরে অবসন্নতা ও অলস ভাব তৈরি করে। মস্তিষ্কে পানির অভাব হলে রক্তচাপ কমে যায় এবং শরীরে অক্সিজেন পরিবহনে সমস্যা হয়। এতে অবসন্ন ও অলস ভাব হয়। দীর্ঘমেয়াদি অবসন্নতা আরো অনেক রোগেরও লক্ষণ। তবে প্রাথমিকভাবে অবসন্নতা কাটাতে পানি পান করুন।
পানিশূন্যতা শরীরে অবসন্নতা ও অলস ভাব তৈরি করে। মস্তিষ্কে পানির অভাব হলে রক্তচাপ কমে যায় এবং শরীরে অক্সিজেন পরিবহনে সমস্যা হয়। এতে অবসন্ন ও অলস ভাব হয়। দীর্ঘমেয়াদি অবসন্নতা আরো অনেক রোগেরও লক্ষণ। তবে প্রাথমিকভাবে অবসন্নতা কাটাতে পানি পান করুন।
৯. গাঁটে ব্যথা
গাঁট ও কার্টিলেজ ৮০ শতাংশ পানি দিয়ে তৈরি। তাই যদি পানির অভাব হয়, এটির কার্যক্রমে অসুবিধা হয়ে যায়। দীর্ঘমেয়াদি গাঁটে ব্যথা হলে চিকিৎসা তো করতেই হবে। তবে যদি স্বল্পমেয়াদি ব্যথা হয়, তাহলে পানি পান করুন।
গাঁট ও কার্টিলেজ ৮০ শতাংশ পানি দিয়ে তৈরি। তাই যদি পানির অভাব হয়, এটির কার্যক্রমে অসুবিধা হয়ে যায়। দীর্ঘমেয়াদি গাঁটে ব্যথা হলে চিকিৎসা তো করতেই হবে। তবে যদি স্বল্পমেয়াদি ব্যথা হয়, তাহলে পানি পান করুন।


No comments:
Post a Comment