Thursday, April 7, 2016

দেশী মার্জিত সাজ গোজ - নতুন দিগন্ত



ফুলে ফুলে চুলে চুলে

http://health-technology-bd.blogspot.com/2016/02/blog-post_66.html

ছিমছাম খোঁপায় যেকোনো ফুলের সাজই পয়লা বৈশাখের আনন্দকে দ্বিগুণ করে দেয়। নিখুঁত, নিপাট, সাধারণ একটি খোঁপায় ফুল লাগিয়ে নিলে সবার মাঝে থেকেও একজনকে খুব আলাদা লাগে। এমনটাই জানালেন রূপবিশেষজ্ঞ তানজিমা শারমিন। তাঁর মতে, কাকে, কোন ধরনের খোঁপায়, কোন ফুলে কেমন লাগবে, সেটা বুঝে নিতে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা উচিত। যেমন কপালের ধরন, গলার দৈর্ঘ্য, চুলের ধরন, মুখের গড়ন ইত্যাদি। এসব একটু খেয়াল করে খোঁপাটি বেঁধে নিলে দেখতে অনন্য লাগবে।
ববি খোঁপা: এ খোঁপাটি করতে, মাঝখানে সিঁথি করে দুই পাশে দুটি পনিটেইল করে নিতে হবে। এবার দুদিকেই খানিকটা ফোল্ড করে চুলগুলো ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে পিন দিয়ে আটকে নিতে হবে। দীর্ঘ সময় রাখতে হেয়ার স্প্রে করে নিলে ভালো হবে। সারা দিন চুলের সাজে কোনো ঝক্কি সামলাতে হবে না।

টুইস্ট খোঁপা: সামনে ও পেছনে অর্ধেক চুল দুই ভাগে ভাগ করে নিন। পেছনের ভাগের কিছু চুলে খোঁপা করে ক্লিপ দিয়ে আটকে নিন। এবার বাকি যে চুলগুলো আছে, সেগুলো কয়েক ভাগে ভাগ করে টুইস্ট করে পেঁচিয়ে মূল খোঁপার সঙ্গে মিলিয়ে সেট করে নিতে হবে। সঙ্গে খোঁপায় পরে নিন জারবেরা, কাঠগোলাপ বা জিনিয়া ফুল।

রিং লেটস রোল: সামনের চুলের মাঝখানে বাঁ পাশে সিঁথি করে নিতে হবে। কপাল বড় হলে সাইডে সিঁথি করুন। না হলে মাঝ বরাবর সিঁথি টেনে সেট করে নিন। তারপর পেছনের চুলে পনিটেইল করে ওই চুলগুলোকে সমান কয়েক ভাগে ভাগ করে নিন। চুলগুলো পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে ক্লিপ দিয়ে আটকে নিতে হবে। এরপর হেয়ার স্প্রে করতে হবে। এতে দীর্ঘ সময় ধরে খোঁপাটি ঠিকঠাক থাকে।


ঐতিহ্যের মসলিন
http://health-technology-bd.blogspot.com/2016/03/diabetes-medicine.html

মসলিন- প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম এক শব্দ। মসলিনের বুনন, এর চাকচিক্য ও খ্যাতি সব কিছুই যেন রূপকথার গল্প। জানা যায়, এক সময় এক আউন্স স্বর্ণের দাম আর এক আউন্স মসলিন কাপড়ের দাম ছিল সমান। জগতজুড়ে ছিল এর কদর। প্রাচীন এই ঐতিহ্যকে আবার ফিরিয়ে আনার জন্য নতুন করে চেষ্টা চলছে। এর জন্য কাজ করে আসছেন আমাদের ফ্যাশন ডিজাইনার, বয়নশিল্পীসহ আরো অনেকে।
মসলিন বহু জায়গায় তৈরি হতো বলে ইতিহাস থেকে জানা যায়। বিশেষ করে উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মসলিন কাপড় তৈরি হতো তবে সবচেয়ে সেরা মানের এবং দামি মসলিন তৈরি হতো ঢাকা জেলার নির্দিষ্ট কিছু এলাকায়। বলা হয়, এই এলাকার জলবায়ু মসলিনের এই বৈশিষ্ট্য আনার ক্ষেত্রে অন্যতম একটি উপাদান হিসেবে কাজ করেছে। শোনা যায়, একটি আংটির ভেতর দিয়ে মসলিন কাপড়কে এপাশ থেকে ওপাশে আনা যেত। আবার একটি ছোট ম্যাচের বক্সের ভেতর ভরে রাখা যেত মসলিনের একটি শাড়ি। এসব অবিশ্বাস্য গল্প জড়িয়ে আছে মসিলনকে ঘিরে।
অত্যন্ত মিহি সুতায় সুনিপুণ হাতের দক্ষতায় তৈরি করা হতো মসৃন আকর্ষণীয় মসলিনের কাপড়। অতীতের সেই ঐতিহ্য যদিও আর নেই, তবুও হারিয়ে যায়নি ঢাকার মসলিন। এখনো মসলিন কাপড় তৈরি হচ্ছে এবং এর চাহিদা বা জনপ্রিয়তাও কম নয়। একই সাথে মসলিনের সাথে যোগ হয়েছে আধুনিকতা।
ফ্যাশন হাউজগুলোতে প্রচুর মসলিনের ব্যবহার দেখা যায়। অন্যমেলার প্রধান ডিজাইনার ও নির্বাহী মাযহারুল ইসলাম এ সময়ের মসলিনের ফ্যাশন বিষয়ে বলেন, বিভিন্ন নকশা ফুটিয়ে তোলা হয় মসলিন শাড়ির জমিনে। মেশিন এমব্রয়ডারি, কারচুপি, জারদৌসির কাজই বেশি দেখা যায়। প্যাচওয়ার্ক, ক্যাটওয়ার্ক লেস ও বিভিন্ন এক্সেসরিজের মাধ্যমেও মসলিনের ওপর ফুটিয়ে তোলা হয় নকশা, আনা হয় অভিনবত্ব। এক একটা শাড়ি হয়ে ওঠে অনন্য। এ ছাড়াও বুননে সুতার নানা কারুকাজের মাধ্যমেও জমিনে ফুটিয়ে তোলা হয় নানা নকশা।
শাড়ি ছাড়াও মসলিন দিয়ে তৈরি হচ্ছে কামিজ, ওড়না, গাউন, স্কার্ফসহ বিভিন্ন পোশাক ও অনুষঙ্গ। এমনকি ব্যাগও তৈরি হয় মসলিন কাপড়ে। এখনো মসলিন আভিজাত্যপূর্ণ পোশাক হিসেবেই সমাদৃত। মূলত পার্টি ড্রেস হিসেবেই মসলিন ব্যবহার করা হয়।
যে ফুলগুলো খাওয়া যায়
http://health-technology-bd.blogspot.com/2016/01/thai-food-home.html

পৃথিবীতে এমন কিছু ফুল আছে যেগুলো খাওয়া যায়। সব অবশ্য সরাসরি নয়, কোনোটা ওষুধ হিসেবে আবার কোনোটা চায়ের সঙ্গে ফুটিয়ে। চমৎকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এ ফুলগুলো খাবার হিসেবে খুবই সমৃদ্ধ। খাদ্য তালিকায় এর উপস্থিতি দুরারোগ্য ব্যাধি মোকাবিলায় বেশ কার্যকর।
গবেষকরা বলছেন, রেসিপিতে একটা প্রয়োজনীয় উপাদান হিসেবে এসব ফুল ব্যবহৃত হতে পারে। রুচিবর্ধক মসলা হিসেবেও এটা খাবারকে অলঙ্কৃত করবে। চলুন দেখে নেয়া যাক এমন কিছু ফুল সম্পর্কে:

গোলাপ: চীনের চিকিৎসা শাস্ত্রে ফুলের রাজা গোলাপের একটা উল্লেখযোগ্য স্থান আছে। এতে রয়েছে ফেনোলিক্স নামক এক প্রকার উপাদান যা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরির গুণসমৃদ্ধ। গোলাপ হচ্ছে ভিটামিনের একটা সমৃদ্ধ উৎস। এটা হৃদরোগ, ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে।

জুঁই: জুঁই বা জেসমিন একটি সুগন্ধি ফুল। সাধারণত গ্রিন টি এবং সালাদের সঙ্গে এটি ব্যবহৃত হয়। এটা ক্যান্সার ও সংক্রামক ভাইরাস মোকাবিলায় কার্যকর।

পিওনি: শুধু বিয়েবাড়ি সাজাতেই নয় বরং খাবার হিসেবেও এটি বেশ উপাদেয়। এটা বিষণ্ণতা উপশমে কাজ করে।

প্যান্সি: বাহারি রঙের শীতের ফুল প্যান্সি। এটা শুধু দেখতেই সুন্দর নয় বরং হার্ট ও কিডনির জন্যও এটা উপকারী।

গাঁদা ফুল: চীনারা চায়ের সঙ্গে গাঁদা ফুল ব্যবহার করে। এটা ক্ষত আরোগ্যে কাজ করে। এতে রয়েছে পিগমেন্ট লুটেইন নামে চোখের জন্য উপকারী এক ধরনের ভিটামিন। চোখের রোগ প্রতিরোধে এটা কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

ল্যাভেন্ডার: দই এবং আইসক্রিম তৈরিতে ল্যাভেন্ডারের সুগন্ধি ব্যবহার করা হয়। পচনশীলতা রোধে এর পরিচিতি থাকলেও খুশকি তাড়াতেও এটা কার্যকর। তাছাড়া এই ফুলটি বিভিন্ন কসমেটিকসের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা যায়।


No comments:

Post a Comment

ali