Saturday, April 9, 2016

ওষুধে আয়ু বাড়বে ১০ বছর !



ওষুধে আয়ু বাড়বে ১০ বছর!
যুক্তরাজ্যের একদল গবেষক দাবি করেছেন, নতুন একটি ওষুধ মানুষের আয়ু প্রায় ১০ বছর বাড়িয়ে দিতে পারেবুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করার চেষ্টায় এ সাফল্যকে এক ধাপ অগ্রগতি বলা যায়তবে এ ওষুধ মানুষের হাতে পৌঁছাতে আরও বহু বছর লাগবে
গবেষণায় দেখা যায়, জিএসকে-থ্রি নামের প্রোটিন অণুগুলো মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে সংক্ষিপ্ত করে দেয়আর সেগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারলেই জীবনকাল বাড়ানোর সুযোগ রয়েছেফলের মাছির শরীরেও জিএসকে-থ্রি প্রোটিন থাকেএদের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখা যায়, লিথিয়াম প্রয়োগে ওই প্রোটিনের কার্যক্রম ব্যাহত করা যায়আর এতে প্রাণীটির আয়ু ১৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ে
ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন (ইউসিএল), ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট ফর বায়োলজি অব অ্যাজিং এবং ইউরোপিয়ান মলিকিউলার বায়োলজি ল্যাবরেটরির যৌথ এ গবেষণার সূত্র ধরে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, লিথিয়াম বা সমজাতীয় অন্য কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তুলনামূলক কম হলে সেগুলো মানুষের আয়ু বাড়ানোর লক্ষ্যে ব্যবহার করা যাবেপাশাপাশি ওই প্রোটিন অণু সম্পর্কে আরও বিশদ ধারণা অর্জন করতে পারলে প্রবীণদের বিভিন্ন অসুখ (যেমন আলঝেইমার বা স্মৃতিভ্রংশ, ডায়াবেটিস, ক্যানসার প্রভৃতি) নিরাময়ের চেষ্টায়ও সাফল্যের সুযোগ রয়েছে
এ-সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন সেল রিপোর্টস সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছেএটির প্রধান লেখক জর্জ ইভান ক্যাস্টিলো-কুয়ান বলেন, জিএসকে-থ্রি নিয়ে তাঁরা অনেক আশাবাদীমধ্যবয়সে এটি নিয়ন্ত্রণের কার্যকর চিকিৎসা শুরু করতে পারলে প্রবীণদের অনেক রোগের চিকিৎসার পাশাপাশি জীবনকে দীর্ঘ করার সম্ভাবনা রয়েছেজীবনকাল বৃদ্ধি নিয়ে প্রচুর বিতর্ক রয়েছেসুস্থভাবে বাঁচতে না পারলে জীবনকে দীর্ঘায়িত করার সুফল মিলবে নালিথিয়ামজাতীয় ওষুধ প্রয়োগ করে আলঝেইমার রোগটি শুরু হওয়ার বয়স ৭৫ থেকে ৯০ বছরে নেওয়া গেলে অবশ্যই সেটা অনেক ভালো হবে
মশা মারার সহজতম উপায়
মশাঅতি ক্ষুদ্র একটা প্রাণীহাতের নাগালের মধ্যে পেলে আলতো করে মারলেই মশা শেষযদিও আলতো করে কেউ মারে না, ছোট্ট এই প্রাণীটিকে হাতের লাগালে পেলে রেগে গিয়ে গায়ের জোর খাটিয়েই সবাই মারেকিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে, মশাকে হাতের নাগালে পাওয়াটাই মুশকিলকখন যে চুপটি করে উড়ে এসে মানব শরীরে কামড় বসিয়ে রক্ত শোষণ করে, সেটা অনেক সময় টেরই পাওয়া যায় নাআর টের পাওয়া গেলেও মারার আগেই উড়াল দেয়তাছাড়া মশা তো আর একটা না, যে একটা মারলেই মশার চিন্তা শেষবরঞ্চ একের পর এক মশার কামড়ে অনেক সময় অতিষ্ঠ হওয়া লাগেএ কারণে মশার কামড় থেকে বাচঁতে ক্যালামাইন লোশন, স্প্রে, কয়েল প্রভৃতি কিছু আমরা ব্যবহার করে থাকিকিন্তু স্প্রে বা কয়েলের মশা দূরে রাখতে সহায়ক হলেও, সমস্যাটা হচ্ছে এসবে রাসায়নিক উপাদান থাকে, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকরসুতরাং সবচেয়ে সহজ ও ঘরোয়া উপায়ে মশা কীভাবে মারবেন, সেটা এবার জেনে নিনএকটু অদ্ভূত শোনালেও সত্যি যে, ডিটারজেন্ট মিশ্রিত পানির মাধ্যমেই সহজে মশা মারতে পারবেন।   একটা বাটিতে একটু ডিটারজেন্ট পানি জানালার কাছে রেখেই দেখুন না, কী হয়সন্তোষজনক ফলাফল পাবেনদেখবেন, মশা এসে ডিটারজেন্ট পানিতে পড়ছেখুব সহজ একটা উপায়, তাই না? মশা মারার জন্য একটু ডিটারজেন্ট পানিতে গুলে, তা বিভিন্ন পাত্রে রাখলেই হবেডিটারজেন্ট পানিতে পড়ে মশার মৃত্যু কার্যকরী কারণ, ডিটারজেন্ট পানির উপরিতলের প্রসারণ কমিয়ে দেয়, ফলে লার্ভা এবং বয়স্ক মশা ডুবে যায় এতে
শিশুর রক্তশূন্যতা: কারণ জানুন

রক্তে হিমোগ্লোবিন বা লোহিত কণিকার পরিমাণ কমে গেলে অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা রোগ হয়তবে বিভিন্ন বয়সে স্বাভাবিক হিমোগ্লোবিনের পরিমাণে তারতম্য থাকেশিশুর বয়স ও লিঙ্গ অনুযায়ী তা আলাদা হতে পারে
শিশুর রক্তশূন্যতার কারণ খুঁজতে হলে তার বয়স, লিঙ্গ, জাতিগোষ্ঠী, খাদ্যতালিকা, ওষুধ সেবনের ইতিহাস, দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ, ভ্রমণবৃত্তান্ত, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য জেনে নেওয়া দরকারএকই সঙ্গে পরিবারের কারও রক্তশূন্যতা ছিল কি না এবং রোগীর যকৃৎ বা প্লীহার স্ফীতি আছে কি না, তা-ও জানতে হবেশিশুর হিমোগ্লোবিন মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে সাত থেকে আট গ্রামের নিচে না নামলে সাধারণত কোনো লক্ষণ দেখা যায় না
রক্তশূন্যতার প্রধান উপসর্গগুলো হলো শিশুকে ফ্যাকাশে ও দুর্বল দেখায়, ঘুমের পরিমাণ কমে যায়, মেজাজ খিটখিটে হয়, অল্প পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠে এবং শিশুর জিব, নখ, হাতের তালু ইত্যাদি সাদাটে হয়ে পড়ে
রক্তশূন্যতার মাত্রা বেশি হলে শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃৎস্পন্দনের গতি বাড়তে পারে, শরীরে পানি আসতে পারে এবং মারাত্মক হৃদ্‌রোগের (হার্ট ফেইলিওর) মতো জটিলতাও হতে পারে
পরিবারের কারও থ্যালাসেমিয়া বা রক্তে অস্বাভাবিক হিমোগ্লোবিনের উপস্থিতি থাকলে শিশুদের ক্ষেত্রে অবশ্যই সেটা খতিয়ে দেখতে হবে
এ দেশে পরজীবী বা কৃমি সংক্রমণ শিশুদের রক্তাল্পতার একটি প্রধান কারণএমনকি সচ্ছল শহুরে পরিবারেও তা হয়তাই শিশুর খাদ্য ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিতে হবেশিশুর জ্বর দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে, পেট ফুলে গেলে এবং শরীরের ওজন কমে গিয়ে ফ্যাকাশে ভাব দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
অভিভাবকের পুষ্টিজ্ঞানের অভাব এবং খাওয়ানোর ভুল পদ্ধতিও শিশুর রক্তাল্পতার কারণ হতে পারে

No comments:

Post a Comment

ali