সম্প্রতি চীনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ইন্টারনেট
সম্মেলনে (ডাব্লিউআইসি) প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা জানিছেন, আগামীর যুগ হবে
ইন্টারনেট ও যান্ত্রিক বুদ্ধির। মানুষ যেমনি করে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করে
তেমনি করে একটি যন্ত্র অপর একটি যন্ত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করবে। শুধু তাই নয় মানুষের
সহকর্মী হয়ে কাজ করবে রোবট। রোবটের দখলে থাকবে অনেক কাজ। এমনকি রোবট
মানুষের প্রতিদ্বন্দী হয়ে ওঠার আশঙ্কাও রয়েছে। আগামীতে সড়ক জুড়ে
থাকবে চালকবিহীন গাড়ি। এসব গাড়ি নিজে নিজেই অন্য গাড়ির সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখবে।
রোবট কী আস্থার প্রতিদান দিতে পারে?
সংকটময় মুহূর্তে রোবট মোটেও
আস্থার প্রতিদান দিতে পারে না। আগুন বা
অন্য কোনো জরুরি মুহূর্তে মানুষ অন্ধভাবে রোবটের ওপর বিশ্বাস করে, কিন্তু
রোবট সে আস্থার যোগ্য নয়। সাম্প্রতিক
এক গবেষণায় মার্কিন গবেষকেরা এ তথ্য পেয়েছেন।
জর্জিয়া টেক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (জিটিআরআই) জ্যেষ্ঠ গবেষণা প্রকৌশলী অ্যালান ওয়াগনার বলেন, জরুরি মুহূর্তে নিরাপত্তার জন্য মানুষ রোবটের ওপর সীমাহীন আস্থা রাখতে পারে। কিন্তু যন্ত্র সেই আস্থার যোগ্য নয় বলে প্রমাণ করেছে। মানুষ বিশ্বাস করে, রোবটিক সিস্টেম মানুষের চেয়ে এ বিশ্ব সম্পর্কে ভালো জানে। তাই রোবট কখনো ভুল করবে না বা রোবটের কাজে কোনো ত্রুটি হবে না।
জর্জিয়া টেক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (জিটিআরআই) জ্যেষ্ঠ গবেষণা প্রকৌশলী অ্যালান ওয়াগনার বলেন, জরুরি মুহূর্তে নিরাপত্তার জন্য মানুষ রোবটের ওপর সীমাহীন আস্থা রাখতে পারে। কিন্তু যন্ত্র সেই আস্থার যোগ্য নয় বলে প্রমাণ করেছে। মানুষ বিশ্বাস করে, রোবটিক সিস্টেম মানুষের চেয়ে এ বিশ্ব সম্পর্কে ভালো জানে। তাই রোবট কখনো ভুল করবে না বা রোবটের কাজে কোনো ত্রুটি হবে না।
ডায়াবেটিস হলেও চিন্তা নেই
গবেষকেরা রোবটের কার্যক্ষমতা পরীক্ষা চালাতে একটি বহুতল ভবনে আগুন নেভানোর মহড়া চালান। গবেষকেরা পরীক্ষা করে দেখেন, যন্ত্রের আচরণ বিশ্বাসযোগ্য না হলেও মানুষ অন্ধভাবে রোবটের নির্দেশ পালন করে। তাঁরা ৪২ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে এ গবেষণা চালাতে একটি রোবট তৈরি করেন। আগুন লাগলে ভবন খালি করতে মানুষ রোবটের নির্দেশনা মানে কি না, তা জানতে এ পরীক্ষা চালানো হয়। শিক্ষার্থীদের ‘ইমার্জেন্সি গাইড রোবট’-এর নির্দেশ মানতে বলা হয়। এই রোবটের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁরা একটি সম্মেলন কক্ষে জড় হন। সেখানে তাঁদের রোবট সম্পর্কিত একটি জরিপে অংশ নিতে হয় এবং একটি সাময়িকীর নিবন্ধ পড়তে বলা হয়। গবেষণায় অংশ নেওয়া এই শিক্ষার্থীদের শুরুতে মূল গবেষণা সম্পর্কে জানানো হয়নি।
গবেষকেরা রোবটের কার্যক্ষমতা পরীক্ষা চালাতে একটি বহুতল ভবনে আগুন নেভানোর মহড়া চালান। গবেষকেরা পরীক্ষা করে দেখেন, যন্ত্রের আচরণ বিশ্বাসযোগ্য না হলেও মানুষ অন্ধভাবে রোবটের নির্দেশ পালন করে। তাঁরা ৪২ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে এ গবেষণা চালাতে একটি রোবট তৈরি করেন। আগুন লাগলে ভবন খালি করতে মানুষ রোবটের নির্দেশনা মানে কি না, তা জানতে এ পরীক্ষা চালানো হয়। শিক্ষার্থীদের ‘ইমার্জেন্সি গাইড রোবট’-এর নির্দেশ মানতে বলা হয়। এই রোবটের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁরা একটি সম্মেলন কক্ষে জড় হন। সেখানে তাঁদের রোবট সম্পর্কিত একটি জরিপে অংশ নিতে হয় এবং একটি সাময়িকীর নিবন্ধ পড়তে বলা হয়। গবেষণায় অংশ নেওয়া এই শিক্ষার্থীদের শুরুতে মূল গবেষণা সম্পর্কে জানানো হয়নি।
উদ্ধার কাজে প্রযুক্তি
উদ্ধারকারী কুকুরটির নাম গোনতা। তার পিঠে জিপিএস
প্রযুক্তি সুবিধাসম্পন্ন ব্যাকপ্যাক ছিল বটে, তবে সে অনুসন্ধান চালাল নিজের প্রখর ঘ্রাণশক্তি দিয়ে। ধসে পড়া ভবনের
ধ্বংসস্তূপে গিয়ে জীবিত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাল সে।

No comments:
Post a Comment