আম ডায়াবেটিস
রুখবে
ফলের রাজা আম। হলুদ, টকটকে পাকা ও
সুস্বাদু আম দর্শনেই জিভে জল এনে দেয়। এই
আমের গুণও অপরিসীম। জানা গেছে
প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যদি থাকে ১০০ গ্রাম আম থাকে তবে রক্তে শর্করার মাত্রা
কমতে পারে।
পরীক্ষা চালানো হয়েছিল ২০ থেকে ৫০ বছর বয়সী ২০ জন মোটা মানুষের
মধ্যে। টানা ১২ সপ্তাহ ধরে রোজ আম খাওয়ার ফলে
কমেছিল রক্তে শর্করার মাত্রা। কিন্তু
কমেনি ওজন। পুরুষ
অংশগ্রহণকারীদের কোমরের মাপও কমেছিল। যদিও, মহিলাদের
কোমরের মাপ অপরিবর্তিত ছিল। আমে
রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ভিটামিন সি ও এ এবং ফলেট। ফাইবার, তামা ও ভিটামিন বি সিক্স আমের মধ্যে থাকে ভাল মাত্রায়। ওকলাহোমা স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক
এড্রালিন লুকাস জানালেন,
আমের
মধ্যে থাকা ম্যাগনেশিয়াম ও ফাইবার রক্তে শর্করা শোষণের মাত্রা কমাতে পারে।
ডায়াবেটিসে দাঁতের রোগের
ঝুঁকি বাড়ে
ডায়াবেটিসের সঙ্গে দাঁত, মাড়ি
ও মুখের নানা রোগের সম্পর্ক রয়েছে। ডেন্টাল
ক্যারিজ, মাড়ির রোগ, মুখে বিভিন্ন ধরনের সাদা ঘা, সিস্ট, মাড়ির
টিউমার, দাঁতের ক্ষয়, প্রদাহ, আঁকাবাঁকা
দাঁত ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যার সঙ্গে রক্তের শর্করার নিবিড় সম্পর্ক আছে। ডায়াবেটিসের কারণে রক্তপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটে, রোগ
প্রতিরোধক্ষমতা কমে এবং রোগজীবাণুর আক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
বারডেমের দন্ত বিভাগে যে রোগীরা আসেন, তাঁদের মধ্যে জরিপ চালিয়ে দেখা যায়, দুই বছরে ২ হাজার ৯৯৫ জন রোগীর মধ্যে ৭৮ শতাংশ মাড়ির বিভিন্ন রোগ ও ২১ শতাংশ ডেন্টাল ক্যারিজে আক্রান্ত। সাদা ক্ষত, ক্যানডিয়াসিস ও লিউকোপ্লাকিয়ার সংখ্যাও কম নয়। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের চাই মুখ ও দাঁতের বিষয়ে বিশেষ সচেতনতা।
বারডেমের দন্ত বিভাগে যে রোগীরা আসেন, তাঁদের মধ্যে জরিপ চালিয়ে দেখা যায়, দুই বছরে ২ হাজার ৯৯৫ জন রোগীর মধ্যে ৭৮ শতাংশ মাড়ির বিভিন্ন রোগ ও ২১ শতাংশ ডেন্টাল ক্যারিজে আক্রান্ত। সাদা ক্ষত, ক্যানডিয়াসিস ও লিউকোপ্লাকিয়ার সংখ্যাও কম নয়। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের চাই মুখ ও দাঁতের বিষয়ে বিশেষ সচেতনতা।

No comments:
Post a Comment