যদি সুন্দর থাকতে চান
সুন্দর হতে হলে সুস্থ থাকতে হবে। সুন্দর ও সুস্থ থাকার জন্য পরিমিত স্বাস্থ্যসম্মত
খাবার খাওয়া জরুরি। সেই সঙ্গে
জীবনযাপনে শৃঙ্খলা রক্ষা করা দরকার। নিয়মিত শরীর চর্চা আর স্বাস্থ্যকর
খাদ্যাভ্যাস মানুষের জীবনযাপনে শৃঙ্খলা আনে। এ ক্ষেত্রে ইচ্ছাটা অনেক জরুরি। এ ছাড়া ত্বকের নিয়মিত যত্ন নিলে স্বাভাবিক সৌন্দর্য দীর্ঘদিন ধরে রাখা যায়। এ পরামর্শগুলো ভারতের সৌন্দর্যবিষয়ক ব্র্যান্ড ভিএলসিসির প্রতিষ্ঠাতা বান্দানা
লুথরার।
ঘুম না হলে কী সমস্যা হয়?
সারা দিনের কাজকর্মের পর আমাদের দেহ স্বাভাবিকভাবেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তখন ঘুমের প্রয়োজন হয়। ঘুম কম হলে তাকে অনিদ্রা বা ইনসোমনিয়া বলা হয়।ঘুম আসতে দেরি হওয়া, বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া, একবার ঘুম ভাঙলে পরবর্তী সময়ে আর ঘুম না আসা, খুব সকালবেলা ঘুম ভেঙে যাওয়া ইত্যাদি অনিদ্রা বা ইনসোমনিয়ার লক্ষণ।
স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট জানিয়েছে ইনসোমনিয়া বা ঘুম না হওয়ার জটিলতাগুলোর কথা।
মানসিকভাবে
• ঘুম না হলে কর্মক্ষমতা কমে যায়।
• কারো কারো ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে রেগে যাওয়া বা প্রতিক্রিয়া দেখানোর প্রবণতা দেখা যায়। মেজাজ খিটখিটে হয়ে পড়ে।
• বিষণ্ণতা বা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
• উদ্বেগজনিত সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
অন্যান্য
• ঘুম না হলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে।
• ঘুম না হলে ওজন বেড়ে যায়। কেননা ঘুম না হলে লেপটিন নামক হরমোন কমে যায়। এতে ক্ষুধা বেশি লাগে ফলে খাওয়ার পরিমাণ বেড়ে যায় এবং ওজন বাড়ে।
• উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
• ঘুম না হলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই নিয়মিত আট থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি।
দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা দূর
অনেকেরই দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা হতে দেখা যায়। সাধরণত পিঠ, কাঁধ, হাঁটু, মাথা ও শরীরের অন্যান্য অংশে দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা হতে দেখা যায়।দীর্ঘমেয়াদি ব্যথার প্রধান কারণ প্রদাহ। পেশি ব্যথা, টিস্যু ব্যথা, অবসন্নতা ইত্যাদি দীর্ঘমেয়াদি ব্যথার লক্ষণ।
কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা কমাতে কাজ করে। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি জানিয়েছে দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা কমানোর কিছু খাবারের নাম।
আদা
আদা হলো ভালো প্রাকৃতিক ব্যথানাশক ওষুধ। এর মধ্যে রয়েছে প্রদাহরোধী উপাদান জিনজেরলস। এটি দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা কমাতে কাজ করে। ২০০৫ সালের একটি গবেষণায় বলা হয়, আদার ভেতরে থাকা ননস্টেরয়েডাল ব্যথা কমাতে বেশ কার্যকর। প্রদাহরোধী বিভিন্ন ওষুধ যেমন অ্যাসপিরিনের তুলনায় প্রদাহ ও ব্যথা কমাতে আদা খুব ভালো কাজ করে।
দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা কমাতে কয়েক টুকরো আদা চিবিয়ে খেতে পারেন। এ ছাড়া দিনে দুই থেকে তিন কাপ আদার চা খেতে পারেন।
হলুদ
হলুদও ব্যথা প্রশমনে খুব ভালো কাজ করে। হলুদের মধ্যে রয়েছে কারকিউমিন। এটি একধরনের প্রদাহরোধী উপাদান।
• ব্যথা সারাতে এক গ্লাস দুধের মধ্যে এক টেবিল চামচ হলুদের গুঁড়া মেশান। প্রতিদিন খান।
• এ ছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হলুদের ক্যাপসুলও খেতে পারেন।
রসুন
রসুনের মধ্যে রয়েছে ব্যথানাশক উপাদান। এর মধ্যে থাকা সালফার উপাদান রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। ব্যথা ও ফোলা কমায়।
• প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কয়েকটি কাঁচা রসুনের কোয়া খান।
• এ ছাড়া শরীরের যেখানে ব্যথা আছে, সেখানে রসুনের তেল দিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন।
পেঁয়াজ
পেঁয়াজে রয়েছে প্রদাহরোধী উপাদান। এতে আছে একধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি প্রদাহ ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যথার সঙ্গে লড়াই করে। এ ছাড়া এর আরো গুণ হলো, এটি শরীরের বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রাকে কমায়। হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

No comments:
Post a Comment