ফেসবুক,
টুইটার
ও ইনস্টাগ্রামে সুন্দর ছবি পোস্ট করতে চায় সবাই। তাও কেবল নিজের নয়, নিজেদের জীবনের সাথে জড়িয়ে থাকা অপরাপর মানুষেরও। বিশেষ করে, এক থেকে ছয়
বছরের শিশুদের ছবি পোস্টের ব্যাপারে ‘না’
নেই
কারও। কিন্তু এক্ষেত্রেও কিছু সতর্কতা মানাটা
জরুরি।
অনলাইনের পরিসর অসীম, এর আছে আলোময় অঙ্গন, আছে অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকাও। এই ভয় ছাড়াও আছে হৃদ্যতা, সম্মান-অসম্মানের ভয়।
গ্রুপ
ছবি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুদের ছবি পোস্টের ক্ষেত্রে
প্রত্যেক পরিবারের একান্ত দৃষ্টিভঙ্গি থাকে। তাই
কোনো প্রমোদ ভ্রমণ বা জন্মদিনের পার্টির ছবি পোস্ট বা ট্যাগিংয়ের ক্ষেত্রে ছবিতে
থাকা অন্যান্য শিশুদের ব্যাপারে সচেতন থাকাটা জরুরি। অপরাপর পরিবারের মনোভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন ছবি
পোস্ট না করাই ভালো।
স্কুলের ছবি
পৃথিবী জুড়ে স্কুল থেকেই শিশু অপহরণের ঘটনা ঘটে বেশি। তাই ক্লাসরুম বা স্কুল প্রাঙ্গণে তোলা
শিশুদের ছবি পোস্টের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকাটা খুবই জরুরি। এমন ছবি পোস্ট বা ট্যাগের ক্ষেত্রে অবশ্যই স্থানের নাম এবং
পাত্র-পাত্রীর পরিচয় উহ্য রাখা উচিত।
নিরাবরণ ছবি
শিশুদের নিরাবরণ ছবি মায়া জাগানিয়া হয়। তাই অনেকে সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটে এমন ছবি পোস্ট করে থাকেন। কিন্তু বর্তমানে সবচেয়ে ভয়ের জায়গাটা
হচ্ছে এই ইন্টারনেট,
এখানে
যে কোনো ছবিই অপব্যবহৃত হতে পারে। তাই
শিশুদের বিবস্ত্র ছবি পোস্ট বা শেয়ার না করাই ভালো।
ঝাপসা বা মুণ্ডিত ছবি
কোনো অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে স্কুল অনুষ্ঠানের গ্রুপ ছবিতে শিশুদের প্রত্যকের
ইমেজের উপর তার পুরো নাম জুড়ে দেয়া হয়। এতে
ইমেজগুলো ঝাপসা হয়ে যায়। আবার, শিশুদের
ছবিকে কাটছাঁট করে রেজাল্ট-কার্ড জুড়ে দেয়া হয়, এতে না শিশু দৃশ্যমান হয়, না রেজাল্ট-কার্ড দৃশ্যমান হয়। শেষমেশ ঐসব ছবি আবার বিভিন্ন শিশুর অভিভাবকদের ফেসবুক
অ্যাকাউন্টে ট্যাগ করে দেয়া হয়,
এতে
এমন ঝাপসা বা মুণ্ডিত ছবি দেখে তারা অপমানবোধ করেন। তাই এমন ছবি পোস্ট বা ট্যাগ না করাই ভালো।
শিশুর অপছন্দনীয় ছবি
ছবি পোস্টের ক্ষেত্রে অনেকেই শিশুদের পছন্দ-অপছন্দ বা আগ্রহ-অনীহাকে
গুরুত্ব দিতে চান না। এ ব্যাপারেও
অবশ্যই শিশুদের চাওয়া-পাওয়াকে সম্মান করতে হবে। যে ছবি পোস্ট বা শেয়ারকে শিশুরা নিজেদের জন্য বিব্রতকর মনে করে
তা এড়িয়ে যাওয়াই উচিত।
www.ittefaq.com.bd/science-&-tech

No comments:
Post a Comment