Tuesday, February 16, 2016

সামাজিক মাধ্যমে নিরাপদে থাক সোনামণিরাও




ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে সুন্দর ছবি পোস্ট করতে চায় সবাইতাও কেবল নিজের নয়, নিজেদের জীবনের সাথে জড়িয়ে থাকা অপরাপর মানুষেরওবিশেষ করে, এক থেকে ছয় বছরের শিশুদের ছবি পোস্টের ব্যাপারে নানেই কারওকিন্তু এক্ষেত্রেও কিছু সতর্কতা মানাটা জরুরি

অনলাইনের পরিসর অসীম, এর আছে আলোময় অঙ্গন, আছে অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকাওএই ভয় ছাড়াও আছে হৃদ্যতা, সম্মান-অসম্মানের ভয়

 গ্রুপ ছবি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুদের ছবি পোস্টের ক্ষেত্রে প্রত্যেক পরিবারের একান্ত দৃষ্টিভঙ্গি থাকেতাই কোনো প্রমোদ ভ্রমণ বা জন্মদিনের পার্টির ছবি পোস্ট বা ট্যাগিংয়ের ক্ষেত্রে ছবিতে থাকা অন্যান্য শিশুদের ব্যাপারে সচেতন থাকাটা জরুরিঅপরাপর পরিবারের মনোভাবে  নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন ছবি পোস্ট না করাই ভালো

স্কুলের ছবি
পৃথিবী জুড়ে স্কুল থেকেই শিশু অপহরণের ঘটনা ঘটে বেশিতাই ক্লাসরুম বা স্কুল প্রাঙ্গণে তোলা শিশুদের ছবি পোস্টের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকাটা খুবই জরুরিএমন ছবি পোস্ট বা ট্যাগের ক্ষেত্রে অবশ্যই স্থানের নাম এবং পাত্র-পাত্রীর পরিচয় উহ্য রাখা উচিত

নিরাবরণ ছবি
শিশুদের নিরাবরণ ছবি মায়া জাগানিয়া হয়তাই অনেকে সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটে এমন ছবি পোস্ট করে থাকেনকিন্তু বর্তমানে সবচেয়ে ভয়ের জায়গাটা হচ্ছে এই ইন্টারনেট, এখানে যে কোনো ছবিই অপব্যবহৃত হতে পারেতাই শিশুদের বিবস্ত্র ছবি পোস্ট বা শেয়ার না করাই ভালো

ঝাপসা বা মুণ্ডিত ছবি
কোনো অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে স্কুল অনুষ্ঠানের গ্রুপ ছবিতে শিশুদের প্রত্যকের ইমেজের উপর তার পুরো নাম জুড়ে দেয়া হয়এতে ইমেজগুলো ঝাপসা হয়ে যায়আবার, শিশুদের ছবিকে কাটছাঁট করে রেজাল্ট-কার্ড জুড়ে দেয়া হয়, এতে না শিশু দৃশ্যমান হয়, না রেজাল্ট-কার্ড দৃশ্যমান হয়শেষমেশ ঐসব ছবি আবার বিভিন্ন শিশুর অভিভাবকদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ট্যাগ করে দেয়া হয়, এতে এমন ঝাপসা বা মুণ্ডিত ছবি দেখে তারা অপমানবোধ করেনতাই এমন ছবি পোস্ট বা ট্যাগ না করাই ভালো

শিশুর অপছন্দনীয় ছবি
ছবি পোস্টের ক্ষেত্রে অনেকেই শিশুদের পছন্দ-অপছন্দ বা আগ্রহ-অনীহাকে গুরুত্ব দিতে চান নাএ ব্যাপারেও অবশ্যই শিশুদের চাওয়া-পাওয়াকে সম্মান করতে হবেযে ছবি পোস্ট বা শেয়ারকে শিশুরা নিজেদের জন্য বিব্রতকর মনে করে তা এড়িয়ে যাওয়াই উচিত
www.ittefaq.com.bd/science-&-tech

No comments:

Post a Comment

ali