আমরা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সৃষ্টসেরা জীব। মহান প্রভু
আমাদের দিয়েছেন অসংখ্য নেয়ামত। যেমন শক্তি, বুদ্ধি,
মেধা নানা গুণাবলীর আবার অনেক কু-রিপুও তার মধ্যে রাগ বা ক্রোধ। রাগ বা ক্রোধ
মানুষের অত্যন্ত বদ স্বভাব। কেননা এ কারণে আমাদের ন্যায়-অন্যায় ও হিতাহিত
জ্ঞান লোপ পায়। রাগ বা ক্রোধ প্রকাশে আমাদের একে অপরের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব
বাড়ে, তাই রাগ প্রকাশ কোনোভাবেই ঠিক নয়। রাগ বা ক্রোধের কারণেই নানা ধরনের অঘটন বা
দুর্ঘটনা ঘটে।
২০৫০ সালে বিশ্বের অর্ধেক মানুষেরই চশমা লাগবে!
ক্রোধান্বিত ব্যক্তির অন্তর থেকে মানুষের সৎ গুণের প্রবৃত্তি এবং নমনীয়তা মুহূর্তেই বিলুপ্ত হয়। যখন মানুষ চরম আকারে ক্রোধান্বিত হয় তখন তার চেহারার দিকে দৃষ্টি দিলে পরিষ্কারভাবে উপলব্ধি করা যায় যে তার মানবীয় গুণাবলী বিলুপ্ত হয়ে পড়েছে। পশু যেমন পাশবিক কাণ্ড ঘটাতে কোনো চিন্তা-ভাবনা করে না, রাগ বা ক্রোধেও মানুষ পশুর পর্যায়ভুক্ত হয়ে পড়ে। রেগে গেলে কোনো কাজে কামিয়াব হতে পারব না। তাই প্রভুর শেখানো দোয়া কত না সুন্দর যেমন, হে রব! আমাদের গুণাহগুলো মাফ করে দাও। যেসব কাজে সীমালংঘন হয়ে গেছে সেগুলোও মাফ কর। আর সৎপথে আমাদের অটল রাখ।
২০৫০ সালে বিশ্বের অর্ধেক মানুষেরই চশমা লাগবে!
ক্রোধান্বিত ব্যক্তির অন্তর থেকে মানুষের সৎ গুণের প্রবৃত্তি এবং নমনীয়তা মুহূর্তেই বিলুপ্ত হয়। যখন মানুষ চরম আকারে ক্রোধান্বিত হয় তখন তার চেহারার দিকে দৃষ্টি দিলে পরিষ্কারভাবে উপলব্ধি করা যায় যে তার মানবীয় গুণাবলী বিলুপ্ত হয়ে পড়েছে। পশু যেমন পাশবিক কাণ্ড ঘটাতে কোনো চিন্তা-ভাবনা করে না, রাগ বা ক্রোধেও মানুষ পশুর পর্যায়ভুক্ত হয়ে পড়ে। রেগে গেলে কোনো কাজে কামিয়াব হতে পারব না। তাই প্রভুর শেখানো দোয়া কত না সুন্দর যেমন, হে রব! আমাদের গুণাহগুলো মাফ করে দাও। যেসব কাজে সীমালংঘন হয়ে গেছে সেগুলোও মাফ কর। আর সৎপথে আমাদের অটল রাখ।
আল্লাহতায়ালা
ক্রোধকে মোটেই পছন্দ করেন না। যেহেতু ক্রুদ্ধ ব্যক্তির অন্তর থেকে আল্লাহর
ভয় পালিয়ে যায়। অন্যায় কর্মের প্রতিফলন আল্লাহ প্রদান করবেন এ কথাও ক্রুদ্ধ
ব্যক্তি ভুলে যান। ফলে সে আল্লাহ নির্দেশবিরোধী কাজে লিপ্ত হয়।
ক্রোধে মানুষ যেমন অন্যের সর্বনাশ করে তেমনি নিজের বিপদ ডেকে আনে। কাউকে হত্যা করতেও সে পিছপা হয় না। একজন স্বামী ক্রুদ্ধ হয়ে তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে ফেলেন। এ ধরনের ঘৃণ্য নানা কুকাজের উৎসই হল রাগ বা ক্রোধ। তাই আমরা প্রভুর কাছে ফরিয়াদ করব। তিনি যেন আমাদের ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দেন। ধৈর্য বা সহনশীলতার অভাবেই রাগ বা ক্রোধ প্রকাশ করে আমরা জঘন্য অপরাধ করি ও অন্যের ঘৃণার পাত্রে পরিণত হয়ে যাই। তাই আমাদের নবী করিম (সা.) ও ক্রোধকে অত্যন্ত ঘৃণা করতেন। জীবনে তিনি কোনোদিন কারও ওপর ক্রুদ্ধ হননি। শত কষ্ট হলেও তিনি তা হজম করতেন।
আমাদের মহান প্রভুর নির্দেশে আমরা ক্ষমা মার্জনা সহনশীলতার পরিচয়ে রাগ বা ক্রোধকে দমন করে সুন্দর পরিবার ও সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারব ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আমাদের সেই তৌফিক দান করুন। আল্লাহর ভয়ে যে ক্রোধ বা রাগ দমন করে এর চেয়ে বীরত্ব আর নেই। আমাদের জীবনে চলার পথে সবাই যদি সব গোস্বা, রাগ, হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে অন্তরকে পরিশুদ্ধ করতে না পারি তবে আমাদের জীবন সুন্দর হবে না।
রাগ বা ক্রোধের ব্যাপারে বিভিন্ন সহিহ হাদিসে বলা হয়েছে, তোমরা রাগ বা ক্রোধ দমন কর। কেননা রাগ বা ক্রোধে নানাবিধ সমস্যা হয় এবং বিপদ-আপদের সৃষ্টি করে। অন্য হাদিসে আছে, তিতা ও টকযুক্ত ওষুধ যেমন মধুকে বিনষ্ট করে তেমনই রাগ বা ক্রোধ ঈমানকে নষ্ট করে ফেলে।
ক্রোধে মানুষ যেমন অন্যের সর্বনাশ করে তেমনি নিজের বিপদ ডেকে আনে। কাউকে হত্যা করতেও সে পিছপা হয় না। একজন স্বামী ক্রুদ্ধ হয়ে তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে ফেলেন। এ ধরনের ঘৃণ্য নানা কুকাজের উৎসই হল রাগ বা ক্রোধ। তাই আমরা প্রভুর কাছে ফরিয়াদ করব। তিনি যেন আমাদের ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দেন। ধৈর্য বা সহনশীলতার অভাবেই রাগ বা ক্রোধ প্রকাশ করে আমরা জঘন্য অপরাধ করি ও অন্যের ঘৃণার পাত্রে পরিণত হয়ে যাই। তাই আমাদের নবী করিম (সা.) ও ক্রোধকে অত্যন্ত ঘৃণা করতেন। জীবনে তিনি কোনোদিন কারও ওপর ক্রুদ্ধ হননি। শত কষ্ট হলেও তিনি তা হজম করতেন।
আমাদের মহান প্রভুর নির্দেশে আমরা ক্ষমা মার্জনা সহনশীলতার পরিচয়ে রাগ বা ক্রোধকে দমন করে সুন্দর পরিবার ও সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারব ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আমাদের সেই তৌফিক দান করুন। আল্লাহর ভয়ে যে ক্রোধ বা রাগ দমন করে এর চেয়ে বীরত্ব আর নেই। আমাদের জীবনে চলার পথে সবাই যদি সব গোস্বা, রাগ, হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে অন্তরকে পরিশুদ্ধ করতে না পারি তবে আমাদের জীবন সুন্দর হবে না।
রাগ বা ক্রোধের ব্যাপারে বিভিন্ন সহিহ হাদিসে বলা হয়েছে, তোমরা রাগ বা ক্রোধ দমন কর। কেননা রাগ বা ক্রোধে নানাবিধ সমস্যা হয় এবং বিপদ-আপদের সৃষ্টি করে। অন্য হাদিসে আছে, তিতা ও টকযুক্ত ওষুধ যেমন মধুকে বিনষ্ট করে তেমনই রাগ বা ক্রোধ ঈমানকে নষ্ট করে ফেলে।

No comments:
Post a Comment